বিট লবণ শুধু খাবারের স্বাদ বাড়ানোর উপাদান নয়, এটি স্বাস্থ্যের জন্যও নানা উপকার বয়ে আনতে পারে বলে নতুন এক বৈজ্ঞানিক পর্যালোচনায় উঠে এসেছে। গবেষকরা বলছেন, খনিজসমৃদ্ধ এই ঐতিহ্যবাহী লবণ হৃদ্স্বাস্থ্য রক্ষা থেকে শুরু করে হজমশক্তি উন্নত করতেও ভূমিকা রাখতে পারে।
গবেষণা অনুযায়ী, সাধারণ টেবিল লবণের তুলনায় বিট লবণে সোডিয়ামের পরিমাণ তুলনামূলক কম হলেও এতে আয়রন, ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়ামের মতো গুরুত্বপূর্ণ খনিজ বেশি থাকে। এসব উপাদান শরীরের বিভিন্ন কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখতে এবং সামগ্রিক সুস্থতা বজায় রাখতে সহায়তা করে।
গবেষকরা জানিয়েছেন, বিট লবণে থাকা প্রাকৃতিক সালফার যৌগ শরীরে এমন কিছু উপকারী উপাদান তৈরিতে সহায়তা করতে পারে, যা হৃদ্যন্ত্রের কার্যকারিতা উন্নত করে, রক্তনালির স্বাস্থ্য ভালো রাখে এবং প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে।
পর্যালোচনায় আরও বলা হয়েছে, বিট লবণের কিছু উপাদান কিডনির কার্যকারিতা উন্নত করতে এবং অক্সিডেটিভ স্ট্রেস কমাতে ভূমিকা রাখতে পারে। অক্সিডেটিভ স্ট্রেস কোষের ক্ষতি ও বিভিন্ন দীর্ঘমেয়াদি রোগের সঙ্গে সম্পর্কিত।
বিশেষজ্ঞদের মতে, বিট লবণে এমন কিছু উপাদান রয়েছে যা ঐতিহ্যবাহী ভেষজ ফর্মুলা ‘ত্রিফলা’র সঙ্গে সম্পর্কিত। এসব উপাদান হজমশক্তি বাড়াতে, অন্ত্রের স্বাস্থ্য উন্নত করতে এবং রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী করতে সহায়ক হতে পারে। পাশাপাশি এটি উপকারী অন্ত্রের ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধি সমর্থন করতেও ভূমিকা রাখতে পারে।
মুখগহ্বরের স্বাস্থ্যরক্ষাতেও বিট লবণের সম্ভাব্য উপকারিতা পাওয়া গেছে। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, এটি মুখের ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধি কমাতে সাহায্য করতে পারে, ফলে মাড়ির স্বাস্থ্য ভালো থাকে এবং মুখের দুর্গন্ধ কমতে পারে।
বিশ্বজুড়ে ভেগান খাবারে কালো লবণের ব্যবহারও জনপ্রিয়। এর বিশেষ গন্ধ ও ডিমের মতো স্বাদের কারণে টোফু, সালাদ, সবজি ও বিভিন্ন পানীয়তে এটি স্বাদ বৃদ্ধির জন্য ব্যবহৃত হয়।
তবে গবেষকরা সতর্ক করে বলেছেন, বিট লবণের সম্ভাব্য স্বাস্থ্য উপকারিতা নিয়ে বর্তমান তথ্য আশাব্যঞ্জক হলেও এসব দাবিকে চূড়ান্তভাবে নিশ্চিত করতে আরও বিস্তৃত ও দীর্ঘমেয়াদি গবেষণা প্রয়োজন। তাই এখনই একে অলৌকিক স্বাস্থ্যসমাধান হিসেবে দেখার সুযোগ নেই বলে মত দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
সূত্র- সামা
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে
গবেষণা অনুযায়ী, সাধারণ টেবিল লবণের তুলনায় বিট লবণে সোডিয়ামের পরিমাণ তুলনামূলক কম হলেও এতে আয়রন, ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়ামের মতো গুরুত্বপূর্ণ খনিজ বেশি থাকে। এসব উপাদান শরীরের বিভিন্ন কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখতে এবং সামগ্রিক সুস্থতা বজায় রাখতে সহায়তা করে।
গবেষকরা জানিয়েছেন, বিট লবণে থাকা প্রাকৃতিক সালফার যৌগ শরীরে এমন কিছু উপকারী উপাদান তৈরিতে সহায়তা করতে পারে, যা হৃদ্যন্ত্রের কার্যকারিতা উন্নত করে, রক্তনালির স্বাস্থ্য ভালো রাখে এবং প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে।
পর্যালোচনায় আরও বলা হয়েছে, বিট লবণের কিছু উপাদান কিডনির কার্যকারিতা উন্নত করতে এবং অক্সিডেটিভ স্ট্রেস কমাতে ভূমিকা রাখতে পারে। অক্সিডেটিভ স্ট্রেস কোষের ক্ষতি ও বিভিন্ন দীর্ঘমেয়াদি রোগের সঙ্গে সম্পর্কিত।
বিশেষজ্ঞদের মতে, বিট লবণে এমন কিছু উপাদান রয়েছে যা ঐতিহ্যবাহী ভেষজ ফর্মুলা ‘ত্রিফলা’র সঙ্গে সম্পর্কিত। এসব উপাদান হজমশক্তি বাড়াতে, অন্ত্রের স্বাস্থ্য উন্নত করতে এবং রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী করতে সহায়ক হতে পারে। পাশাপাশি এটি উপকারী অন্ত্রের ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধি সমর্থন করতেও ভূমিকা রাখতে পারে।
মুখগহ্বরের স্বাস্থ্যরক্ষাতেও বিট লবণের সম্ভাব্য উপকারিতা পাওয়া গেছে। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, এটি মুখের ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধি কমাতে সাহায্য করতে পারে, ফলে মাড়ির স্বাস্থ্য ভালো থাকে এবং মুখের দুর্গন্ধ কমতে পারে।
বিশ্বজুড়ে ভেগান খাবারে কালো লবণের ব্যবহারও জনপ্রিয়। এর বিশেষ গন্ধ ও ডিমের মতো স্বাদের কারণে টোফু, সালাদ, সবজি ও বিভিন্ন পানীয়তে এটি স্বাদ বৃদ্ধির জন্য ব্যবহৃত হয়।
তবে গবেষকরা সতর্ক করে বলেছেন, বিট লবণের সম্ভাব্য স্বাস্থ্য উপকারিতা নিয়ে বর্তমান তথ্য আশাব্যঞ্জক হলেও এসব দাবিকে চূড়ান্তভাবে নিশ্চিত করতে আরও বিস্তৃত ও দীর্ঘমেয়াদি গবেষণা প্রয়োজন। তাই এখনই একে অলৌকিক স্বাস্থ্যসমাধান হিসেবে দেখার সুযোগ নেই বলে মত দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
সূত্র- সামা
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে