সন্ধ্যা নামলেই আতঙ্ক নওগাঁর পোরশা উপজেলার সরাইগাছী-আড্ডা সড়কে। বদলে যায় চিরচেনা রূপ, বাড়ে ডাকাতের উপদ্রব। গেল ৪ মাসে হয়েছে ১৫টি ডাকাতি। সন্ধ্যার পর এ সড়কে ভয়ে চলাচল করতে পারে না মানুষ।
নওগাঁর সীমান্তবর্তী পোরশা উপজেলার সরাইগাছী-আড্ডা সড়ক। এ সড়কে বাস, অটোরিকশা, ট্রাক, ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা, মোটরসাইকেলসহ পথচারীদের নিয়মিত চলাচল। দিনশেষে যেখানে মানুষের ঘরে ফেরার তাড়া, সেখানে সন্ধ্যার পর এ সড়কটি রূপ নেয় চরম আতঙ্কে। সড়কের দুই পাশে অসংখ্য আম বাগানে লুকিয়ে থেকে ডাকাতরা সর্বস্ব লুটে নেয় মানুষের।
সন্ধ্যার পর ডাকাতের ভয় সরাইগাছি থেকে আড্ডা পর্যন্ত যাতায়াত করা আতঙ্কের বলে জানান পথচারীরা। সড়কে বাতি না থাকার সুযোগে গাছ কেটে বা গাছে রশি বেঁধে গাড়ি থামিয়ে অস্ত্র দেখিয়ে জিম্মি করে লুটে নেয় সংঘবদ্ধ ডাকাত চক্র। স্থানীয়দের অভিযোগ, কয়েক মাস ধরে সড়কটিতে ডাকাতির ঘটনা বেড়েছে আশঙ্কাজনক হারে। গত ৪ মাসে ঘটেছে ১৫টি ডাকাতির ঘটনা।
পথচারীরা একজন বলেন, ‘রাস্তার মধ্যে গাছ ফালায়ে ছিনতাই করে, টাকা-পয়সা নিয়ে যায়।’
পুলিশের নিয়মিত টহলে স্থানীয়দের মাঝে স্বস্তি ফিরলেও কাটেনি আতঙ্ক। আমের সিজনের কারণে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা না হলে আম ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হবার আশঙ্কা রয়েছে। আম ব্যবসায়ী বলেন, ‘আগে প্রতিদিনই হইতো, কিন্তু এখন আর আগে মতো হচ্ছে না।’
মানুষের জীবনমান স্বাভাবিক করতে পুলিশের টহল বাড়ানো হয়েছে। এরই মধ্যে কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে। অপরাধীদের ধরতে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে বলে জানান জেলা পুলিশের এ কর্মকর্তা।
নওগাঁ পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম বলেন, ‘নির্ভয়ে সড়কে চলবেন। জেলা পুলিশ সার্বক্ষণিকভাবে আপনাদের সঙ্গে আছে এবং এ সড়ক থেকে এখন ডাকাতদেরকে সমূলে আমরা উৎখাত করার জন্য জেলা পুলিশ সর্বাত্মক তৎপর আছে।’
সড়কটিকে নিরাপদ করতে প্রয়োজন স্থায়ী পুলিশ বক্স এবং পর্যাপ্ত সড়ক বাতির ব্যবস্থা। রাস্তায় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন দ্রুত কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করবে-এমনটাই প্রত্যাশা স্থানীয়দের।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন
নওগাঁর সীমান্তবর্তী পোরশা উপজেলার সরাইগাছী-আড্ডা সড়ক। এ সড়কে বাস, অটোরিকশা, ট্রাক, ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা, মোটরসাইকেলসহ পথচারীদের নিয়মিত চলাচল। দিনশেষে যেখানে মানুষের ঘরে ফেরার তাড়া, সেখানে সন্ধ্যার পর এ সড়কটি রূপ নেয় চরম আতঙ্কে। সড়কের দুই পাশে অসংখ্য আম বাগানে লুকিয়ে থেকে ডাকাতরা সর্বস্ব লুটে নেয় মানুষের।
সন্ধ্যার পর ডাকাতের ভয় সরাইগাছি থেকে আড্ডা পর্যন্ত যাতায়াত করা আতঙ্কের বলে জানান পথচারীরা। সড়কে বাতি না থাকার সুযোগে গাছ কেটে বা গাছে রশি বেঁধে গাড়ি থামিয়ে অস্ত্র দেখিয়ে জিম্মি করে লুটে নেয় সংঘবদ্ধ ডাকাত চক্র। স্থানীয়দের অভিযোগ, কয়েক মাস ধরে সড়কটিতে ডাকাতির ঘটনা বেড়েছে আশঙ্কাজনক হারে। গত ৪ মাসে ঘটেছে ১৫টি ডাকাতির ঘটনা।
পথচারীরা একজন বলেন, ‘রাস্তার মধ্যে গাছ ফালায়ে ছিনতাই করে, টাকা-পয়সা নিয়ে যায়।’
পুলিশের নিয়মিত টহলে স্থানীয়দের মাঝে স্বস্তি ফিরলেও কাটেনি আতঙ্ক। আমের সিজনের কারণে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা না হলে আম ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হবার আশঙ্কা রয়েছে। আম ব্যবসায়ী বলেন, ‘আগে প্রতিদিনই হইতো, কিন্তু এখন আর আগে মতো হচ্ছে না।’
মানুষের জীবনমান স্বাভাবিক করতে পুলিশের টহল বাড়ানো হয়েছে। এরই মধ্যে কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে। অপরাধীদের ধরতে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে বলে জানান জেলা পুলিশের এ কর্মকর্তা।
নওগাঁ পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম বলেন, ‘নির্ভয়ে সড়কে চলবেন। জেলা পুলিশ সার্বক্ষণিকভাবে আপনাদের সঙ্গে আছে এবং এ সড়ক থেকে এখন ডাকাতদেরকে সমূলে আমরা উৎখাত করার জন্য জেলা পুলিশ সর্বাত্মক তৎপর আছে।’
সড়কটিকে নিরাপদ করতে প্রয়োজন স্থায়ী পুলিশ বক্স এবং পর্যাপ্ত সড়ক বাতির ব্যবস্থা। রাস্তায় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন দ্রুত কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করবে-এমনটাই প্রত্যাশা স্থানীয়দের।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন