টাঙ্গাইলে যমুনা সেতুর পূর্ব প্রান্ত থেকে এলেঙ্গা পর্যন্ত প্রায় ১৩ কিলোমিটার দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। শুক্রবার ভোর রাত থেকে এই যানজটের শুরু হয়।
এতে ঢাকামুখী ও উত্তরবঙ্গমুখী উভয় দিকেই হাজার হাজার যাত্রী চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। বিশেষ করে অতিরিক্ত ঢাকামুখী যানবাহনের চাপ, ধীরগতির ট্রাক চলাচল এবং ওভারটেকিংয়ের কারণে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে বলে জানিয়েছেন যমুনা সেতু পূর্ব থানার ওসি ফুয়াদ রোহানী।
যানজট নিয়ন্ত্রণে প্রথমে উত্তরবঙ্গমুখী টোল লেন বন্ধ রেখে শুধুমাত্র ঢাকামুখী চার লেনে টোল আদায় করা হয়। পরে সকাল ১০টার দিকে উভয় লেন চালু করা হলেও যান চলাচল ধীরগতির রয়ে গেছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, যমুনা সেতুর মাধ্যমে দেশের প্রায় ২২টি জেলার যানবাহন চলাচল করে। সাধারণ দিনে এই মহাসড়কে ২০ থেকে ২৫ হাজার গাড়ি চলাচল করলেও ঈদের সময় তা বেড়ে ৫০ থেকে ৬০ হাজারে পৌঁছায়। অতিরিক্ত চাপ ও ফিটনেসবিহীন যানবাহনের কারণে প্রায়ই এমন যানজটের পরিস্থিতি তৈরি হয়।
ট্রাফিক পুলিশের পরিদর্শক আনিসুর রহমান বলেন, 'যানজট নিরসনে পুলিশ কাজ করছে এবং বর্তমানে যান চলাচল স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে। তবে এখনো ধীরগতিতে যানবাহন চলাচল করছে।'
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন
এতে ঢাকামুখী ও উত্তরবঙ্গমুখী উভয় দিকেই হাজার হাজার যাত্রী চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। বিশেষ করে অতিরিক্ত ঢাকামুখী যানবাহনের চাপ, ধীরগতির ট্রাক চলাচল এবং ওভারটেকিংয়ের কারণে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে বলে জানিয়েছেন যমুনা সেতু পূর্ব থানার ওসি ফুয়াদ রোহানী।
যানজট নিয়ন্ত্রণে প্রথমে উত্তরবঙ্গমুখী টোল লেন বন্ধ রেখে শুধুমাত্র ঢাকামুখী চার লেনে টোল আদায় করা হয়। পরে সকাল ১০টার দিকে উভয় লেন চালু করা হলেও যান চলাচল ধীরগতির রয়ে গেছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, যমুনা সেতুর মাধ্যমে দেশের প্রায় ২২টি জেলার যানবাহন চলাচল করে। সাধারণ দিনে এই মহাসড়কে ২০ থেকে ২৫ হাজার গাড়ি চলাচল করলেও ঈদের সময় তা বেড়ে ৫০ থেকে ৬০ হাজারে পৌঁছায়। অতিরিক্ত চাপ ও ফিটনেসবিহীন যানবাহনের কারণে প্রায়ই এমন যানজটের পরিস্থিতি তৈরি হয়।
ট্রাফিক পুলিশের পরিদর্শক আনিসুর রহমান বলেন, 'যানজট নিরসনে পুলিশ কাজ করছে এবং বর্তমানে যান চলাচল স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে। তবে এখনো ধীরগতিতে যানবাহন চলাচল করছে।'
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন