ঈদুল আজহায় মুক্তি পেয়েছে আলোচিত নাটক ‘মায়া পাখি’। নাটকটি সিএমভির ব্যানারে নির্মিত; পরিচালনা করেছেন জাকারিয়া সৌখিন। এটি মুক্তি পাওয়ার পর থেকেই আলোচনা-সমালোচনায় ভরে উঠেছে সোশ্যাল মিডিয়া।
নাটকে দেখানো হয়েছে করপোরেট জগতের উচ্চাকাঙ্ক্ষা, দাম্পত্য সম্পর্কের টানাপোড়েন ও পেশাদার জীবনের জটিল সমীকরণকে পর্দায় তুলে ধরেছেন নির্মাতা।
মায়াকে কেন্দ্র করে নাটকের গল্প আবর্তিত হয়েছে। নির্মাতার ভাষ্য, চরিত্রটিতে হুমায়ূন আহমেদের গল্পের নায়িকাদের আবহ আছে। একসময় মায়ার প্রেমে পড়েন সাদাত। পরে দুজন বিয়ে করেন। ভালোই চলছিল সংসার।
ক্যারিয়ারের সিঁড়ি বেয়ে ওপরে ওঠার জন্য মায়ার মধ্যে প্রতিযোগিতা দেখা যায়। এর মধ্যে সাদাত ও মায়ার সংসারে চিড় ধরে। দুজনের দূরত্বটা বাড়তে থাকে।
ইউটিউবে নাটকটি দেখতে হুমড়ি খেয়ে পড়ছেন দর্শকেরা। নাটকটি মুক্তির সপ্তাহখানেকের মধ্যে ৮৩ লাখের বেশিবার দেখা গেছে। ১৪ হাজারের বেশি মন্তব্য পড়েছে।
একজন দর্শক লিখেছেন, ‘“মায়াপাখি” মাত্র দেখা শেষ করলাম। সত্যি বলতে, এখনো গভীর ঘোরে ডুবে আছি। কিছুতেই ঘোর থেকে বের হতে পারছি না। শেষ কবে নাটক দেখে এভাবে একটা ইমোশনাল গোলকধাঁধায় পড়ে গিয়েছিলাম, তা মনে নেই।’
অন্য এক দর্শক লিখেছেন, ‘নাটকের গল্প এমন হওয়া উচিত। নাটক শেষ হবার পরও কিছু সময় সেটার রেশ থেকে যাবে হৃদয়ে। “মায়াপাখি” নাটকটি ঠিক তেমন।’
এছাড়া নাটকের সমালোচনাও করেছেন কেউ কেই। একজন দর্শক নাটকটির রিভিউ দিয়ে দীর্ঘ একটি পোস্ট দিয়েছেন। তার ব্যাখায় উঠে এসেছে, একজন নারীকে এখানে অবমাননা কিংবা অযোগ্য প্রমাণ করা হয়েছে। তিনি সমাজকে এই নাটকের মাধ্যমে মিসোজিনিস্ট-এর সঙ্গে তুলনা করেছেন।
তার পোস্টে কমেন্টের বন্যা বয়ে গেছে। ইতিবাচক আর নেতিবাচক সবটাই ছিল মন্তব্যের ঘরে।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এনআইএন
নাটকে দেখানো হয়েছে করপোরেট জগতের উচ্চাকাঙ্ক্ষা, দাম্পত্য সম্পর্কের টানাপোড়েন ও পেশাদার জীবনের জটিল সমীকরণকে পর্দায় তুলে ধরেছেন নির্মাতা।
মায়াকে কেন্দ্র করে নাটকের গল্প আবর্তিত হয়েছে। নির্মাতার ভাষ্য, চরিত্রটিতে হুমায়ূন আহমেদের গল্পের নায়িকাদের আবহ আছে। একসময় মায়ার প্রেমে পড়েন সাদাত। পরে দুজন বিয়ে করেন। ভালোই চলছিল সংসার।
ক্যারিয়ারের সিঁড়ি বেয়ে ওপরে ওঠার জন্য মায়ার মধ্যে প্রতিযোগিতা দেখা যায়। এর মধ্যে সাদাত ও মায়ার সংসারে চিড় ধরে। দুজনের দূরত্বটা বাড়তে থাকে।
ইউটিউবে নাটকটি দেখতে হুমড়ি খেয়ে পড়ছেন দর্শকেরা। নাটকটি মুক্তির সপ্তাহখানেকের মধ্যে ৮৩ লাখের বেশিবার দেখা গেছে। ১৪ হাজারের বেশি মন্তব্য পড়েছে।
একজন দর্শক লিখেছেন, ‘“মায়াপাখি” মাত্র দেখা শেষ করলাম। সত্যি বলতে, এখনো গভীর ঘোরে ডুবে আছি। কিছুতেই ঘোর থেকে বের হতে পারছি না। শেষ কবে নাটক দেখে এভাবে একটা ইমোশনাল গোলকধাঁধায় পড়ে গিয়েছিলাম, তা মনে নেই।’
অন্য এক দর্শক লিখেছেন, ‘নাটকের গল্প এমন হওয়া উচিত। নাটক শেষ হবার পরও কিছু সময় সেটার রেশ থেকে যাবে হৃদয়ে। “মায়াপাখি” নাটকটি ঠিক তেমন।’
এছাড়া নাটকের সমালোচনাও করেছেন কেউ কেই। একজন দর্শক নাটকটির রিভিউ দিয়ে দীর্ঘ একটি পোস্ট দিয়েছেন। তার ব্যাখায় উঠে এসেছে, একজন নারীকে এখানে অবমাননা কিংবা অযোগ্য প্রমাণ করা হয়েছে। তিনি সমাজকে এই নাটকের মাধ্যমে মিসোজিনিস্ট-এর সঙ্গে তুলনা করেছেন।
তার পোস্টে কমেন্টের বন্যা বয়ে গেছে। ইতিবাচক আর নেতিবাচক সবটাই ছিল মন্তব্যের ঘরে।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এনআইএন