সন্তানদের সামনেই এক ফরাসি তরুণীকে গণধর্ষণ করা হয়। দোষী সাব্যস্ত দুই যুবকের মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখেছে পাকিস্তানের উচ্চ আদালত।
বুধবার (৩ জুন) লাহোর হাইকোর্ট তাদের প্রাণভিক্ষার আবেদন খারিজ করে দেয়।
ঘটনাটি ২০২০ সালের। নির্যাতিতা তরুণী তার দুই সন্তানকে নিয়ে পাকিস্তানে বেড়াতে এসেছিলেন। ১১ সেপ্টেম্বর রাতে দুই সন্তানকে নিয়ে গাড়ি চালিয়ে লাহোর থেকে গুজরানওয়ালা যাচ্ছিলেন। লাহোর-গুজরানওয়ালা মহাসড়কে যাওয়ার সময় আচমকা তার গাড়ির জ্বালানি ফুরিয়ে যায়। সঙ্গে সঙ্গে তিনি স্বামীকে ফোন করে নিজের বিপদের কথা জানান। এরপর স্বামীর পরামর্শে পুলিশকে ফোন করে সাহায্য চান। কিন্তু পুলিশ পৌঁছানোর আগেই সেখানে ওই দুই যুবক হাজির হয়।
এরপর তারা গাড়ির জানালার কাচ ভেঙে তরুণীকে বাইরে টেনে বের করে তার দুই সন্তানের সামনেই গণধর্ষণ করে। দীর্ঘ সময় ধরে এই পাশবিক ঘটনা চললেও পুলিশের কোনো টহলগাড়ি সেখানে দেখা যায়নি। নিজেদের বিকৃত লালসা চরিতার্থ করার পর দুষ্কৃতীরা তরুণীর তিনটি এটিএম কার্ড, সঙ্গে থাকা টাকা ও গয়না নিয়ে পালিয়ে যায়।
তবে পালিয়েও শেষ রক্ষা হয়নি। পরে তারা পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়। তাদের নাম আবিদ আলি এবং শাফকাত আলি। ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে দুজনেই নিজেদের অপরাধ স্বীকার করে। তথ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে ২০২১ সালের মার্চ মাসে পাকিস্তানের সন্ত্রাসবিরোধী আদালত তাদের মৃত্যুদণ্ড দেয়।
সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে তারা লাহোর হাইকোর্টে আপিল করে। তবে সেখানেও স্বস্তি মেলেনি। বুধবার তাদের আবেদন খারিজ করে দিয়ে উচ্চ আদালত মৃত্যুদণ্ডের রায় বহাল রাখে।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচএইচ/এসকে
বুধবার (৩ জুন) লাহোর হাইকোর্ট তাদের প্রাণভিক্ষার আবেদন খারিজ করে দেয়।
ঘটনাটি ২০২০ সালের। নির্যাতিতা তরুণী তার দুই সন্তানকে নিয়ে পাকিস্তানে বেড়াতে এসেছিলেন। ১১ সেপ্টেম্বর রাতে দুই সন্তানকে নিয়ে গাড়ি চালিয়ে লাহোর থেকে গুজরানওয়ালা যাচ্ছিলেন। লাহোর-গুজরানওয়ালা মহাসড়কে যাওয়ার সময় আচমকা তার গাড়ির জ্বালানি ফুরিয়ে যায়। সঙ্গে সঙ্গে তিনি স্বামীকে ফোন করে নিজের বিপদের কথা জানান। এরপর স্বামীর পরামর্শে পুলিশকে ফোন করে সাহায্য চান। কিন্তু পুলিশ পৌঁছানোর আগেই সেখানে ওই দুই যুবক হাজির হয়।
এরপর তারা গাড়ির জানালার কাচ ভেঙে তরুণীকে বাইরে টেনে বের করে তার দুই সন্তানের সামনেই গণধর্ষণ করে। দীর্ঘ সময় ধরে এই পাশবিক ঘটনা চললেও পুলিশের কোনো টহলগাড়ি সেখানে দেখা যায়নি। নিজেদের বিকৃত লালসা চরিতার্থ করার পর দুষ্কৃতীরা তরুণীর তিনটি এটিএম কার্ড, সঙ্গে থাকা টাকা ও গয়না নিয়ে পালিয়ে যায়।
তবে পালিয়েও শেষ রক্ষা হয়নি। পরে তারা পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়। তাদের নাম আবিদ আলি এবং শাফকাত আলি। ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে দুজনেই নিজেদের অপরাধ স্বীকার করে। তথ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে ২০২১ সালের মার্চ মাসে পাকিস্তানের সন্ত্রাসবিরোধী আদালত তাদের মৃত্যুদণ্ড দেয়।
সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে তারা লাহোর হাইকোর্টে আপিল করে। তবে সেখানেও স্বস্তি মেলেনি। বুধবার তাদের আবেদন খারিজ করে দিয়ে উচ্চ আদালত মৃত্যুদণ্ডের রায় বহাল রাখে।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচএইচ/এসকে