বরগুনায় সেপটিক ট্যাংকের বিষাক্ত গ্যাসে দুই শ্রমিকের মৃত্যু

আপলোড সময় : ০৩-০৬-২০২৬ ০৩:০২:০২ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ০৩-০৬-২০২৬ ০৩:০২:০২ অপরাহ্ন
বরগুনার আমতলী উপজেলায় একটি নির্মাণাধীন ভবনের নতুন সেফটিক ট্যাংকের সাটারিং খুলতে নেমে দুই নির্মাণ শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। ট্যাংকের ভেতরে জমে থাকা বিষাক্ত গ্যাসের উপস্থিতির কারণে তাদের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে আমতলী ফায়ার সার্ভিস।  
 
বুধবার (৩ জুন) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে আমতলী পৌরশহরের একে স্কুল সংলগ্ন স্থানীয় বাসিন্দা ইউসুফ মাওলানার নির্মাণাধীন বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। আমতলী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ওয়্যারহাউজ ইন্সপেক্টর মো. হানিফ ঢাকা পোস্টকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

নিহত দুই শ্রমিক হলেন- আমতলী উপজেলা হলদিয়া এলকার আব্দুল আজিজ হাওলাদারের ছেলে জাহিদুল ইসলাম (৩৫) এবং চাওড়া এলাকার ইউনুস হাওলাদারের ছেলে আবু জাফর (৫৫)।

পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা যায়, সকালে আমতলী উপজেলার একে স্কুল সংলগ্ন স্থানীয় বাসিন্দা ইউসুফ মাওলানার নির্মাণাধীন ভবনের নতুন তৈরি সেফটিক ট্যাংকের সাটারিং খোলার কাজ করতে যান জাহিদুল ইসলাম এবং জাফর নামে দুই শ্রমিক। এ সময় ওই সেফটিক ট্যাংকের ভেতরে প্রথমে প্রবেশ করেন জাহিদুল ইসলাম। তবে নামার পরপরই তিনি ভেতরে অচেতন হয়ে পড়েন। পরে তাকে উদ্ধার করতে আবু জাফরও ট্যাংকের ভেতরে প্রবেশ করেন এবং তিনিও ভেতরে অচেতন হয়ে পড়েন। পরে বিষয়টি জানিয়ে ফায়ার সার্ভিসকে খবর দিলে ঘটনাস্থলে পৌঁছে দুইজনকে উদ্ধার করে। আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদেরকে মৃত ঘোষণা করেন।
 
আমতলী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ওয়্যারহাউজ ইন্সপেক্টর মো. হানিফ বলেন, খবর পেয়ে দ্রুত সময়ের মধ্যে ঘটনাস্থলে পৌঁছে অচেতন অবস্থায় দুইজনকে উদ্ধার করা হয়। পরে তাদেরকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন। সেফটিক ট্যাংকের ভেতরে বিষাক্ত গ্যাসের উপস্থিতির কারণেই এ ঘটনা ঘটেছে বলেও জানান তিনি।  

আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু সাহাদাৎ মো. হাসনাইন পারভেজ বলেন, এ ঘটনায় থানায় অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করা হয়েছে। এছাড়া মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনের জন্য মরদেহের ময়নাতদন্তের জন্য প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
  
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন
 

 

সম্পাদক ও প্রকাশক :

মোঃ কামাল হোসেন

অফিস :

অফিস : ৬/২২, ইস্টার্ণ প্লাাজা (৬ তলা), কমার্শিয়াল কমপ্লেক্স, হাতিরপুল, ঢাকা।

ইমেইল :