বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন। বুধবার (৩ জুন) স্পিকারের কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম বলেন, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় থেকে বাংলাদেশ ও আমেরিকার মধ্যকার সম্পর্কের অগ্রযাত্রা সূচিত হয়। মহান মুক্তিযুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের কূটনীতিক আর্চার কেন্ট ব্লাড বাংলাদেশের পক্ষে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও আমেরিকার সরকার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের একটি মাইলফলক অতিক্রম করছে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত সবশেষ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়েছে। বাংলাদেশের জনগণ সবসময় স্বৈরাচারীর বিরুদ্ধে সংগ্রাম করে আসছে। বাংলাদেশ কেবল গণতন্ত্রের মাধ্যমেই প্রকৃত সমৃদ্ধি অর্জন করতে পারে।
সাক্ষাতকালে তারা উভয়ই যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের শুল্কমুক্ত সুবিধার উপর গুরুত্বারোপ করেন। এছাড়াও বাংলাদেশের মধ্যে প্রত্যক্ষ বৈদেশিক বিনিয়োগ সহযোগিতা বৃদ্ধি, জনগণের সঙ্গে জনগণের সম্পর্ক স্থাপন, সংসদীয় ককাস ফোরামে গণতন্ত্র দিবস উদযাপন, বাংলাদেশ থেকে পাচারকৃত অর্থ উদ্ধারে মার্কিন সরকারের সহায়তা এবং চলমান জ্বালানি সংকট নিরসনে বাংলাদেশে তেল ও গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানের মাধ্যমে জনদুর্ভোগ নিরসনের জন্য প্রতিনিধিদল মতবিনিময় করেন।
এ সময় স্পিকার বাংলাদেশে বিদ্যমান রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে মার্কিন রাষ্ট্রদূতকে সারসংক্ষেপ করেন এবং রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার প্রস্তাব করেন।
রাষ্ট্রদূত এ সময় জাতীয় সংসদের ‘স্পীকার’ পদে নির্বাচিত হওয়ার জন্য তাকে অভিনন্দন জানান। অনুষ্ঠানে মার্কিন দূতাবাসের প্রতিনিধিদলের সদস্য এবং বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এনআইএন
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম বলেন, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় থেকে বাংলাদেশ ও আমেরিকার মধ্যকার সম্পর্কের অগ্রযাত্রা সূচিত হয়। মহান মুক্তিযুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের কূটনীতিক আর্চার কেন্ট ব্লাড বাংলাদেশের পক্ষে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও আমেরিকার সরকার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের একটি মাইলফলক অতিক্রম করছে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত সবশেষ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়েছে। বাংলাদেশের জনগণ সবসময় স্বৈরাচারীর বিরুদ্ধে সংগ্রাম করে আসছে। বাংলাদেশ কেবল গণতন্ত্রের মাধ্যমেই প্রকৃত সমৃদ্ধি অর্জন করতে পারে।
সাক্ষাতকালে তারা উভয়ই যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের শুল্কমুক্ত সুবিধার উপর গুরুত্বারোপ করেন। এছাড়াও বাংলাদেশের মধ্যে প্রত্যক্ষ বৈদেশিক বিনিয়োগ সহযোগিতা বৃদ্ধি, জনগণের সঙ্গে জনগণের সম্পর্ক স্থাপন, সংসদীয় ককাস ফোরামে গণতন্ত্র দিবস উদযাপন, বাংলাদেশ থেকে পাচারকৃত অর্থ উদ্ধারে মার্কিন সরকারের সহায়তা এবং চলমান জ্বালানি সংকট নিরসনে বাংলাদেশে তেল ও গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানের মাধ্যমে জনদুর্ভোগ নিরসনের জন্য প্রতিনিধিদল মতবিনিময় করেন।
এ সময় স্পিকার বাংলাদেশে বিদ্যমান রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে মার্কিন রাষ্ট্রদূতকে সারসংক্ষেপ করেন এবং রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার প্রস্তাব করেন।
রাষ্ট্রদূত এ সময় জাতীয় সংসদের ‘স্পীকার’ পদে নির্বাচিত হওয়ার জন্য তাকে অভিনন্দন জানান। অনুষ্ঠানে মার্কিন দূতাবাসের প্রতিনিধিদলের সদস্য এবং বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এনআইএন