পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে টানা সাত দিনের দীর্ঘ সরকারি ছুটি শেষ হয়েছে। সোমবার (১ জুন) থেকে আবারও খুলছে সব সরকারি অফিস-আদালত। একই সঙ্গে ব্যাংক, বিমা, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, শেয়ারবাজার এবং অধিকাংশ বেসরকারি প্রতিষ্ঠানও আজ থেকে নিয়মিত কার্যক্রমে ফিরছে।
এর আগে গত ২৫ মে থেকে ৩১ মে পর্যন্ত ঈদের সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছিল। এর সঙ্গে সাপ্তাহিক ছুটি যুক্ত হওয়ায় সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা টানা সাত দিনের একটি দীর্ঘ ছুটি উপভোগ করার সুযোগ পান। ছুটি শেষে আজ থেকে দেশের সব ব্যাংকে স্বাভাবিক লেনদেন শুরু হচ্ছে। একই সঙ্গে ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (ডিএসই ও সিএসই) নিয়মিত ট্রেডিং বা লেনদেন শুরু হবে।
টানা ছুটি থাকলেও জনস্বার্থে জরুরি পরিষেবাগুলো বরাবরের মতোই সচল ছিল। বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস ও অন্যান্য জ্বালানি সরবরাহ, ফায়ার সার্ভিস, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম, টেলিফোন, ইন্টারনেট এবং ডাক সেবায় নিয়োজিত যানবাহন ও কর্মীরা এই ছুটির আওতামুক্ত ছিলেন। এছাড়া ঈদের পুরো সময়জুড়ে দেশের সব হাসপাতাল ও জরুরি চিকিৎসাসেবা কার্যক্রম নিরবচ্ছিন্ন ছিল। ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জামাদি বহনকারী যানবাহন এবং এর কর্মীরাও ছুটিতে সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করেছেন।
ঈদের ছুটিতে চিরব্যস্ত ঢাকা শহর অনেকটাই জনমানবহীন ও ফাঁকা হয়ে পড়েছিল। তবে ছুটির আমেজ শেষে পরিবার ও স্বজনদের সঙ্গে ঈদ উদযাপন করে রাজধানীমুখী মানুষের ফিরতি যাত্রা গতকাল রবিবার থেকেই শুরু হয়েছে। সড়ক, রেল ও নৌপথে দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ ঢাকায় ফিরতে শুরু করেছেন।
গতকাল রাজধানীর যাত্রাবাড়ী, সায়েদাবাদ ও গুলিস্তান এলাকার বাসস্ট্যান্ডগুলোতে ঢাকামুখী মানুষের ভিড় দেখা গেছে। ফলে রাজধানীর সড়কগুলোতে মানুষ ও যানবাহনের চলাচল ধীরে ধীরে বাড়ছে। তবে গতকাল রবিবার পর্যন্ত ঢাকার চিরচেনা যানজট বা ব্যস্ত রূপটি দেখা যায়নি।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এনআইএন
এর আগে গত ২৫ মে থেকে ৩১ মে পর্যন্ত ঈদের সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছিল। এর সঙ্গে সাপ্তাহিক ছুটি যুক্ত হওয়ায় সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা টানা সাত দিনের একটি দীর্ঘ ছুটি উপভোগ করার সুযোগ পান। ছুটি শেষে আজ থেকে দেশের সব ব্যাংকে স্বাভাবিক লেনদেন শুরু হচ্ছে। একই সঙ্গে ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (ডিএসই ও সিএসই) নিয়মিত ট্রেডিং বা লেনদেন শুরু হবে।
টানা ছুটি থাকলেও জনস্বার্থে জরুরি পরিষেবাগুলো বরাবরের মতোই সচল ছিল। বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস ও অন্যান্য জ্বালানি সরবরাহ, ফায়ার সার্ভিস, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম, টেলিফোন, ইন্টারনেট এবং ডাক সেবায় নিয়োজিত যানবাহন ও কর্মীরা এই ছুটির আওতামুক্ত ছিলেন। এছাড়া ঈদের পুরো সময়জুড়ে দেশের সব হাসপাতাল ও জরুরি চিকিৎসাসেবা কার্যক্রম নিরবচ্ছিন্ন ছিল। ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জামাদি বহনকারী যানবাহন এবং এর কর্মীরাও ছুটিতে সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করেছেন।
ঈদের ছুটিতে চিরব্যস্ত ঢাকা শহর অনেকটাই জনমানবহীন ও ফাঁকা হয়ে পড়েছিল। তবে ছুটির আমেজ শেষে পরিবার ও স্বজনদের সঙ্গে ঈদ উদযাপন করে রাজধানীমুখী মানুষের ফিরতি যাত্রা গতকাল রবিবার থেকেই শুরু হয়েছে। সড়ক, রেল ও নৌপথে দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ ঢাকায় ফিরতে শুরু করেছেন।
গতকাল রাজধানীর যাত্রাবাড়ী, সায়েদাবাদ ও গুলিস্তান এলাকার বাসস্ট্যান্ডগুলোতে ঢাকামুখী মানুষের ভিড় দেখা গেছে। ফলে রাজধানীর সড়কগুলোতে মানুষ ও যানবাহনের চলাচল ধীরে ধীরে বাড়ছে। তবে গতকাল রবিবার পর্যন্ত ঢাকার চিরচেনা যানজট বা ব্যস্ত রূপটি দেখা যায়নি।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এনআইএন