শিগগিরই আনুষ্ঠানিকভাবে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হতে যাচ্ছে ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ে। এরইমধ্যে নিয়োগ হয়েছে উপাচার্য, চলছে জমি বাছাই কার্যক্রম। উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার দীর্ঘদিনের দাবি পূরণ হওয়ায় খুশি স্থানীয়রা। বিএনপির মহাসচিব ও এলজিআরডি মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলছেন, এই বিশ্ববিদ্যালয়কে বিশ্বমানের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা হবে, চলবে না কোনো স্বজনপ্রীতি ও রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ।
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের ভোটের প্রচারে ঠাকুরগাঁওয়ে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ওয়াদা করেছিলেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সরকার গঠনের তিন মাসের মাথায়, সেই প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে উত্তরের এই জেলায়।
দেশের ৫৮তম পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়টিতে গেল ৭ মে উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মো. ইসরাফিল শাহীনকে। সম্প্রতি নিজ নির্বাচনী এলাকায় এলজিআরডি মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য সদরের বেশ কয়েকটি জায়গা পরিদর্শন করেছেন। নির্ধারিত কমিটি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জায়গা নিয়ে প্রস্তাব পাঠাবে বলেও জানান তিনি।
উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার দীর্ঘদিনের দাবি পূরণ হওয়ায়, খুশি স্থানীয়রা। রাফি নামের এক তরুণ বলেন, ‘আমরা চাই, শুধুমাত্র উত্তরাঞ্চলের মানুষ না দেশের সব জেলা থেকে শিক্ষার্থীরা এখানে পড়তে আসবে।’
সালাউদ্দিন নামে এক ব্যক্তি বলেন, ‘আপনি যতই উন্নয়ন করেন না কেন, শিক্ষার মান যদি উন্নয়ন না হয়, তাহলে অন্য যেকোনো উন্নয়নই হচ্ছে বৃথা। এটার জন্য অবশ্যই আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় ভূমিকা রাখবে।’
প্রাথমিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ঈদের দ্বিতীয় দিন শুক্রবার (২৯ মে) জেলা সদরের তাঁতীপাড়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী কার্যালয় উদ্বোধন করা হয়। এলজিআরডি মন্ত্রী বলেন, বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা হবে। কোনো স্বজনপ্রীতি কিংবা রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ চলবে না। এখানে বেছে বেছে সবচেয়ে ভালো শিক্ষক নিয়োগ দিতে হবে।’
ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ইসরাফিল শাহীন বলেন, ‘অনুষদের মধ্যে কয়েকটি বিষয় নির্বাচন করে আমরা ২০২৬-২৭ সেশনে ভর্তি কার্যক্রম শুরু করতে চাই।’
২০২৩ সালের জুনে ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার খসড়া আইনটি মন্ত্রিসভায় চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছিল তৎকালীন সরকার।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এনআইএন
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের ভোটের প্রচারে ঠাকুরগাঁওয়ে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ওয়াদা করেছিলেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সরকার গঠনের তিন মাসের মাথায়, সেই প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে উত্তরের এই জেলায়।
দেশের ৫৮তম পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়টিতে গেল ৭ মে উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মো. ইসরাফিল শাহীনকে। সম্প্রতি নিজ নির্বাচনী এলাকায় এলজিআরডি মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য সদরের বেশ কয়েকটি জায়গা পরিদর্শন করেছেন। নির্ধারিত কমিটি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জায়গা নিয়ে প্রস্তাব পাঠাবে বলেও জানান তিনি।
উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার দীর্ঘদিনের দাবি পূরণ হওয়ায়, খুশি স্থানীয়রা। রাফি নামের এক তরুণ বলেন, ‘আমরা চাই, শুধুমাত্র উত্তরাঞ্চলের মানুষ না দেশের সব জেলা থেকে শিক্ষার্থীরা এখানে পড়তে আসবে।’
সালাউদ্দিন নামে এক ব্যক্তি বলেন, ‘আপনি যতই উন্নয়ন করেন না কেন, শিক্ষার মান যদি উন্নয়ন না হয়, তাহলে অন্য যেকোনো উন্নয়নই হচ্ছে বৃথা। এটার জন্য অবশ্যই আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় ভূমিকা রাখবে।’
প্রাথমিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ঈদের দ্বিতীয় দিন শুক্রবার (২৯ মে) জেলা সদরের তাঁতীপাড়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী কার্যালয় উদ্বোধন করা হয়। এলজিআরডি মন্ত্রী বলেন, বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা হবে। কোনো স্বজনপ্রীতি কিংবা রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ চলবে না। এখানে বেছে বেছে সবচেয়ে ভালো শিক্ষক নিয়োগ দিতে হবে।’
ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ইসরাফিল শাহীন বলেন, ‘অনুষদের মধ্যে কয়েকটি বিষয় নির্বাচন করে আমরা ২০২৬-২৭ সেশনে ভর্তি কার্যক্রম শুরু করতে চাই।’
২০২৩ সালের জুনে ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার খসড়া আইনটি মন্ত্রিসভায় চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছিল তৎকালীন সরকার।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এনআইএন