পবিত্র ঈদুল আজহা শেষে সরকারি ছুটির শেষ দিন রোববার থেকে কর্মস্থলে ফিরতে শুরু করেছেন দক্ষিণাঞ্চলের মানুষ। এ কারণে খুলনা থেকে ঢাকামুখী যাত্রীদের চাপ লক্ষ্য করা গেছে।
খুলনা নগরীর সোনাডাঙা আন্তঃজেলা বাস টার্মিনালে সকাল থেকেই ঢাকাগামী যাত্রীদের ভিড় দেখা যায়। তবে অতিরিক্ত চাপ থাকলেও বাস চলাচল স্বাভাবিক থাকায় বড় ধরনের ভোগান্তির অভিযোগ পাওয়া যায়নি।
টার্মিনাল ঘুরে দেখা যায়, যাত্রীরা পরিবার-পরিজন নিয়ে ঢাকা ও দেশের বিভিন্ন গন্তব্যে যাওয়ার জন্য বাসের অপেক্ষায় রয়েছেন। বিশেষ করে উন্নতমানের ও শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত (এলিট) বাসগুলোর টিকিট আগামী এক সপ্তাহের জন্য আগেই বিক্রি হয়ে শেষ হয়ে গেছে। ফলে এসব বাসে আসন পাওয়া যাচ্ছে না।
অন্যদিকে সাধারণ বাসগুলোতে টিকিট পাওয়া গেলেও অনেক যাত্রীকে কিছু সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে। যাত্রীদের চাপ সামাল দিতে কাউন্টারগুলোতে বাড়তি ভিড় দেখা গেছে।
বাস কাউন্টার সূত্রে জানা যায়, খুলনা-ঢাকা রুটে বর্তমানে অধিকাংশ পরিবহনে জনপ্রতি ভাড়া নেয়া হচ্ছে ৬৯০ টাকা। ঈদের সময় যাত্রী চাপ বাড়লেও নির্ধারিত ভাড়ার বাইরে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি।
ঢাকামুখী যাত্রীদের মধ্যে অনেকেই আগে থেকে টিকিট কেটে প্রস্তুত ছিলেন। ঢাকায় একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত মো. রাকিব হোসেন বলেন, ঈদের ছুটি পরিবারের সঙ্গে ভালো কেটেছে। আগেই টিকিট কেটে রাখায় কোনো সমস্যা হয়নি।
আরেক যাত্রী শারমিন আক্তার বলেন, টিকিট পাওয়া গেলেও বাস ছাড়ার জন্য অপেক্ষা করতে হচ্ছে। গরমে ছোট শিশুকে নিয়ে দীর্ঘক্ষণ বসে থাকতে কষ্ট হচ্ছে।
যাত্রী আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, টার্মিনালে ভিড় থাকলেও কোনো বিশৃঙ্খলা নেই। বাসগুলো সময়মতো ছেড়ে যাচ্ছে, তাই যাত্রা নিয়ে দুশ্চিন্তা কম।
সোনাডাঙা বাস টার্মিনালের একটি পরিবহনের কাউন্টার ব্যবস্থাপক জুবায়ের আহমেদ বলেন, ঈদের পর থেকেই কর্মস্থলে ফেরার চাপ শুরু হয়েছে। এলিট শ্রেণির বাসগুলোর টিকিট এক সপ্তাহ আগেই শেষ হয়ে গেছে। সাধারণ বাসে আসন থাকলেও কিছুটা অপেক্ষা করতে হচ্ছে। আমরা নির্ধারিত সময় অনুযায়ী বাস ছাড়ার চেষ্টা করছি।
পরিবহন সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, আগামী কয়েকদিন ঢাকা ও শিল্পাঞ্চলমুখী যাত্রীদের চাপ আরও বাড়তে পারে। সে অনুযায়ী অতিরিক্ত ট্রিপ চালুর প্রস্তুতিও রাখা হয়েছে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন
খুলনা নগরীর সোনাডাঙা আন্তঃজেলা বাস টার্মিনালে সকাল থেকেই ঢাকাগামী যাত্রীদের ভিড় দেখা যায়। তবে অতিরিক্ত চাপ থাকলেও বাস চলাচল স্বাভাবিক থাকায় বড় ধরনের ভোগান্তির অভিযোগ পাওয়া যায়নি।
টার্মিনাল ঘুরে দেখা যায়, যাত্রীরা পরিবার-পরিজন নিয়ে ঢাকা ও দেশের বিভিন্ন গন্তব্যে যাওয়ার জন্য বাসের অপেক্ষায় রয়েছেন। বিশেষ করে উন্নতমানের ও শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত (এলিট) বাসগুলোর টিকিট আগামী এক সপ্তাহের জন্য আগেই বিক্রি হয়ে শেষ হয়ে গেছে। ফলে এসব বাসে আসন পাওয়া যাচ্ছে না।
অন্যদিকে সাধারণ বাসগুলোতে টিকিট পাওয়া গেলেও অনেক যাত্রীকে কিছু সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে। যাত্রীদের চাপ সামাল দিতে কাউন্টারগুলোতে বাড়তি ভিড় দেখা গেছে।
বাস কাউন্টার সূত্রে জানা যায়, খুলনা-ঢাকা রুটে বর্তমানে অধিকাংশ পরিবহনে জনপ্রতি ভাড়া নেয়া হচ্ছে ৬৯০ টাকা। ঈদের সময় যাত্রী চাপ বাড়লেও নির্ধারিত ভাড়ার বাইরে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি।
ঢাকামুখী যাত্রীদের মধ্যে অনেকেই আগে থেকে টিকিট কেটে প্রস্তুত ছিলেন। ঢাকায় একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত মো. রাকিব হোসেন বলেন, ঈদের ছুটি পরিবারের সঙ্গে ভালো কেটেছে। আগেই টিকিট কেটে রাখায় কোনো সমস্যা হয়নি।
আরেক যাত্রী শারমিন আক্তার বলেন, টিকিট পাওয়া গেলেও বাস ছাড়ার জন্য অপেক্ষা করতে হচ্ছে। গরমে ছোট শিশুকে নিয়ে দীর্ঘক্ষণ বসে থাকতে কষ্ট হচ্ছে।
যাত্রী আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, টার্মিনালে ভিড় থাকলেও কোনো বিশৃঙ্খলা নেই। বাসগুলো সময়মতো ছেড়ে যাচ্ছে, তাই যাত্রা নিয়ে দুশ্চিন্তা কম।
সোনাডাঙা বাস টার্মিনালের একটি পরিবহনের কাউন্টার ব্যবস্থাপক জুবায়ের আহমেদ বলেন, ঈদের পর থেকেই কর্মস্থলে ফেরার চাপ শুরু হয়েছে। এলিট শ্রেণির বাসগুলোর টিকিট এক সপ্তাহ আগেই শেষ হয়ে গেছে। সাধারণ বাসে আসন থাকলেও কিছুটা অপেক্ষা করতে হচ্ছে। আমরা নির্ধারিত সময় অনুযায়ী বাস ছাড়ার চেষ্টা করছি।
পরিবহন সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, আগামী কয়েকদিন ঢাকা ও শিল্পাঞ্চলমুখী যাত্রীদের চাপ আরও বাড়তে পারে। সে অনুযায়ী অতিরিক্ত ট্রিপ চালুর প্রস্তুতিও রাখা হয়েছে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন