চটের ব্যাগ ছাড়া যত্রতত্র কোরবানির পশু বর্জ্য না ফেলার জন্য নগরবাসীর প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. আবদুস সালাম।
কোরবানির ঈদের আগের দিন বুধবার (২৭ মে) সকালে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের সঙ্গে জাতীয় ঈদগাহ পরিদর্শন শেষে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে তিনি এ বিষয়ে কথা বলেন।
আবদুস সালাম বলেন, ‘‘বৃহস্পতিবার ঈদগাহে ঈদের জামাত হবে সকাল সাড়ে ৭টায়। এরপর পুরো ঢাকাজুড়ে পশু কোরবানি শুরু হবে। সাধারণত ঈদে তিন দিন ধরে পশু কোরবানি হয়। এই তিন দিনের কোরবানির পশু বর্জ্য পরিষ্কার করার জন্য সিটি করপোরেশন ‘সম্পূর্ণ প্রস্তুত’ আছে।’’
“নগরবাসীকে শুধু এটুকুই বলব, যত্রতত্র যাতে তারা কোরবানি না দেন, নির্ধারিত স্থানে যাতে তারা কোরবানি দেন এবং আমরা নগরবাসীকে এক লক্ষের উপরে চটের ব্যাগ সাপ্লাই দিয়েছি। আমরা আশা করব সেই চটের ব্যাগের মধ্যে তারা বর্জ্যগুলো ফেলবেন।
“কোনো অবস্থাতেই কোনো ড্রেনের মধ্যে যাতে তারা বর্জ্য না ফেলেন এ বিষয়টায় আমরা বারবার জরুরিভাবে দৃষ্টি আকর্ষণ করেছি।”
সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বলেন, “নর্দমায় বর্জ্য ফেললে কী হবে? বৃষ্টি-বর্ষণ হচ্ছে, বর্ষা চলছে। এই মুহূর্তে যদি ড্রেনগুলো বন্ধ হয়ে যায়, তাহলে পানি উপচে রাস্তায় চলে আসবে। এই ব্যাপারে একটু সচেতন থাকার জন্য আমরা অনুরোধ করেছি।
“আমরা নগরবাসীকে স্যাভলন সাপ্লাই দিয়েছি, আমরা ব্লিচিং পাউডার সাপ্লাই দিয়েছি। আমরা অনুরোধ করব আপনার কোরবানির জায়গা সম্পূর্ণভাবে ধৌত করে সেখানে ব্লিচিং পাউডার এবং স্যাভলন ব্যবহার করবেন। আমাদের পরিচ্ছন্নতাকর্মী যারা আছেন, তাদেরকে সহযোগিতা করবেন।”
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এবার প্রায় সাড়ে ১৩ হাজার কর্মী দিয়ে তিন দিনে প্রায় ৩৪ হাজার টন বর্জ্য অপসারণের লক্ষ্য নিয়েছে। ঈদের দিন দুপুর দেড়টায় কলাবাগানে বর্জ্যের সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশন (এসটিএস) থেকে মাতুয়াইল ল্যান্ডফিলে কোরবানির বর্জ্য পরিবহন শুরু হবে। পরের ৮ ঘণ্টার মধ্যে, অর্থাৎ রাত সাড়ে ৯টার মধ্যে ঈদের প্রথম দিনের বর্জ্য অপসারণ করা হবে।
আবদুস সালাম বলেন, “আপনারা জানেন যে, সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ঈদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। ঈদের মধ্যে তারা আপনাদের সেবায় নিয়োজিত থাকবে। আপনারা তাদের সহযোগিতা করবেন, সেটাই আমি আশা করব।”
নগরবাসীর সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করে প্রশাসক বলেন, “যেমনি আমার ঘরটাকে পরিষ্কার রাখি, ঠিক তেমনি আমার আঙিনাটাও পরিষ্কার রাখার চেষ্টা করব। আমার সামনের রাস্তাটাকেও আমি পরিষ্কার রাখার চেষ্টা করব।
“আমরা যদি সবাই বদলাই, ঢাকা শহর বদলাবে। আসুন আমরা প্রধানমন্ত্রীর যে চাওয়া, যে ক্লিন সিটি গ্রিন সিটি, সেই সিটি যাতে আমরা…আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশবাসীকে উপহার দিতে পারি, সেই আশা রাখছি।”
বাংলা স্কুপ/প্রতিবেদক/এইচএইচ/এসকে
কোরবানির ঈদের আগের দিন বুধবার (২৭ মে) সকালে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের সঙ্গে জাতীয় ঈদগাহ পরিদর্শন শেষে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে তিনি এ বিষয়ে কথা বলেন।
আবদুস সালাম বলেন, ‘‘বৃহস্পতিবার ঈদগাহে ঈদের জামাত হবে সকাল সাড়ে ৭টায়। এরপর পুরো ঢাকাজুড়ে পশু কোরবানি শুরু হবে। সাধারণত ঈদে তিন দিন ধরে পশু কোরবানি হয়। এই তিন দিনের কোরবানির পশু বর্জ্য পরিষ্কার করার জন্য সিটি করপোরেশন ‘সম্পূর্ণ প্রস্তুত’ আছে।’’
“নগরবাসীকে শুধু এটুকুই বলব, যত্রতত্র যাতে তারা কোরবানি না দেন, নির্ধারিত স্থানে যাতে তারা কোরবানি দেন এবং আমরা নগরবাসীকে এক লক্ষের উপরে চটের ব্যাগ সাপ্লাই দিয়েছি। আমরা আশা করব সেই চটের ব্যাগের মধ্যে তারা বর্জ্যগুলো ফেলবেন।
“কোনো অবস্থাতেই কোনো ড্রেনের মধ্যে যাতে তারা বর্জ্য না ফেলেন এ বিষয়টায় আমরা বারবার জরুরিভাবে দৃষ্টি আকর্ষণ করেছি।”
সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বলেন, “নর্দমায় বর্জ্য ফেললে কী হবে? বৃষ্টি-বর্ষণ হচ্ছে, বর্ষা চলছে। এই মুহূর্তে যদি ড্রেনগুলো বন্ধ হয়ে যায়, তাহলে পানি উপচে রাস্তায় চলে আসবে। এই ব্যাপারে একটু সচেতন থাকার জন্য আমরা অনুরোধ করেছি।
“আমরা নগরবাসীকে স্যাভলন সাপ্লাই দিয়েছি, আমরা ব্লিচিং পাউডার সাপ্লাই দিয়েছি। আমরা অনুরোধ করব আপনার কোরবানির জায়গা সম্পূর্ণভাবে ধৌত করে সেখানে ব্লিচিং পাউডার এবং স্যাভলন ব্যবহার করবেন। আমাদের পরিচ্ছন্নতাকর্মী যারা আছেন, তাদেরকে সহযোগিতা করবেন।”
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এবার প্রায় সাড়ে ১৩ হাজার কর্মী দিয়ে তিন দিনে প্রায় ৩৪ হাজার টন বর্জ্য অপসারণের লক্ষ্য নিয়েছে। ঈদের দিন দুপুর দেড়টায় কলাবাগানে বর্জ্যের সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশন (এসটিএস) থেকে মাতুয়াইল ল্যান্ডফিলে কোরবানির বর্জ্য পরিবহন শুরু হবে। পরের ৮ ঘণ্টার মধ্যে, অর্থাৎ রাত সাড়ে ৯টার মধ্যে ঈদের প্রথম দিনের বর্জ্য অপসারণ করা হবে।
আবদুস সালাম বলেন, “আপনারা জানেন যে, সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ঈদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। ঈদের মধ্যে তারা আপনাদের সেবায় নিয়োজিত থাকবে। আপনারা তাদের সহযোগিতা করবেন, সেটাই আমি আশা করব।”
নগরবাসীর সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করে প্রশাসক বলেন, “যেমনি আমার ঘরটাকে পরিষ্কার রাখি, ঠিক তেমনি আমার আঙিনাটাও পরিষ্কার রাখার চেষ্টা করব। আমার সামনের রাস্তাটাকেও আমি পরিষ্কার রাখার চেষ্টা করব।
“আমরা যদি সবাই বদলাই, ঢাকা শহর বদলাবে। আসুন আমরা প্রধানমন্ত্রীর যে চাওয়া, যে ক্লিন সিটি গ্রিন সিটি, সেই সিটি যাতে আমরা…আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশবাসীকে উপহার দিতে পারি, সেই আশা রাখছি।”
বাংলা স্কুপ/প্রতিবেদক/এইচএইচ/এসকে