রাজধানীর মগবাজারে অবস্থিত আদ-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে সরকার। আগামী তিন দিনের মধ্যে এই তদন্ত কমিটি রিপোর্ট দেবে।
বুধবার (২৮ মে) আদ-দ্বীন হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস এ তথ্য জানান।
অধ্যাপক প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস বলেন, আজ ভোরে আদ-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পোস্ট ডেলিভারি ওয়ার্ডে একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ও অস্বাভাবিক ঘটনা ঘটেছে। ডেলিভারি ওয়ার্ডে চিকিৎসারত শিশুদের মধ্য থেকে ছয়জন নবজাতক শিশুকে হারিয়েছি।
তিনি বলেন, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত সচিব, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক প্রশাসন, হাসপাতাল পরিচালকসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা পোস্ট ডেলিভারি ওয়ার্ড সরজমিন পরিদর্শন করে জানতে পারেন, সেখানে ১১ জন মা ছিলেন। তার মধ্যে ছয়জন মা তাদের নবজাতক সন্তানসহ ছিলেন, যাদের বয়স এক থেকে তিন দিনের মধ্যে। বাকি পাঁচজন নবজাতক এনআইসিইউতে চিকিৎসাধীন ছিলেন। আজ ভোরে ওই রুমে এসি জটিলতা বা অন্য কোনো কারণে পরিবেশ শ্বাসরুদ্ধকর (সাফোকেটিভ) ছিল। এসি বন্ধ করলে সেখানে ভেন্টিলেশনের কোনো ব্যবস্থা ছিল না।
তিনি আরো বলেন, এরকম পরিস্থিতিতে ভোরে ছয়টি শিশুকে হারিয়েছি। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর নির্দেশে বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে ব্যবস্থাপনার ত্রুটি ও মৃত্যুর কারণ নির্ণয়ে একটি উচ্চপদস্থ ইনকয়ারি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিতে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব (হাসপাতাল পর্যায়ে), স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাসপাতাল উইংয়ের উপপরিচালক পদমর্যাদার একজন এবং আরো একজন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তা রয়েছেন। কমিটি হাসপাতালের ওই রুমের চিকিৎসা ব্যবস্থায় ত্রুটি, দেওয়া সেবার পরিবেশ, এসি জটিলতা বা কারিগরি ত্রুটি নির্ণয় করে আগামী ৪০ থেকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে প্রতিবেদন দেবে। প্রতিবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সরকার কঠোর ব্যবস্থা নেবে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বলেন, এই ব্যাপারে কারো গাফিলতি, সেবার ক্ষেত্রে ওয়ার্ড ব্যবস্থাপনায় দায়িত্বে অবহেলা বা অবকাঠামোগত কোনো কারিগরি ত্রুটি ধরা পড়লে স্তর বেঁধে যথাযথ কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বাংলা স্কুপ/প্রতিবেদক/এইচএইচ/এসকে
বুধবার (২৮ মে) আদ-দ্বীন হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস এ তথ্য জানান।
অধ্যাপক প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস বলেন, আজ ভোরে আদ-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পোস্ট ডেলিভারি ওয়ার্ডে একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ও অস্বাভাবিক ঘটনা ঘটেছে। ডেলিভারি ওয়ার্ডে চিকিৎসারত শিশুদের মধ্য থেকে ছয়জন নবজাতক শিশুকে হারিয়েছি।
তিনি বলেন, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত সচিব, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক প্রশাসন, হাসপাতাল পরিচালকসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা পোস্ট ডেলিভারি ওয়ার্ড সরজমিন পরিদর্শন করে জানতে পারেন, সেখানে ১১ জন মা ছিলেন। তার মধ্যে ছয়জন মা তাদের নবজাতক সন্তানসহ ছিলেন, যাদের বয়স এক থেকে তিন দিনের মধ্যে। বাকি পাঁচজন নবজাতক এনআইসিইউতে চিকিৎসাধীন ছিলেন। আজ ভোরে ওই রুমে এসি জটিলতা বা অন্য কোনো কারণে পরিবেশ শ্বাসরুদ্ধকর (সাফোকেটিভ) ছিল। এসি বন্ধ করলে সেখানে ভেন্টিলেশনের কোনো ব্যবস্থা ছিল না।
তিনি আরো বলেন, এরকম পরিস্থিতিতে ভোরে ছয়টি শিশুকে হারিয়েছি। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর নির্দেশে বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে ব্যবস্থাপনার ত্রুটি ও মৃত্যুর কারণ নির্ণয়ে একটি উচ্চপদস্থ ইনকয়ারি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিতে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব (হাসপাতাল পর্যায়ে), স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাসপাতাল উইংয়ের উপপরিচালক পদমর্যাদার একজন এবং আরো একজন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তা রয়েছেন। কমিটি হাসপাতালের ওই রুমের চিকিৎসা ব্যবস্থায় ত্রুটি, দেওয়া সেবার পরিবেশ, এসি জটিলতা বা কারিগরি ত্রুটি নির্ণয় করে আগামী ৪০ থেকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে প্রতিবেদন দেবে। প্রতিবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সরকার কঠোর ব্যবস্থা নেবে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বলেন, এই ব্যাপারে কারো গাফিলতি, সেবার ক্ষেত্রে ওয়ার্ড ব্যবস্থাপনায় দায়িত্বে অবহেলা বা অবকাঠামোগত কোনো কারিগরি ত্রুটি ধরা পড়লে স্তর বেঁধে যথাযথ কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বাংলা স্কুপ/প্রতিবেদক/এইচএইচ/এসকে