হরমুজ প্রণালির কাছে বিভিন্ন লক্ষ্যস্থলে হামলা চালিয়ে যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করেছে, অভিযোগ ইরানের। যুদ্ধ অবসানে দুই পক্ষের মধ্যে চলা পরোক্ষ আলোচনার মধ্যে এ হামলা শান্তি প্রচেষ্টাকে জটিল করে তুলতে পারে বলে ধারণা পর্যবেক্ষকদের।
এই প্রচেষ্টাকে আরও চাপের মুখে ফেলে মঙ্গলবার (২৬ মে) লেবাননে ১২০টিরও বেশি বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। এটি কয়েক সপ্তাহের মধ্যে লেবাননে চালানো সবচেয়ে তীব্র বোমা হামলা বলে রয়টার্সকে জানিয়েছে দেশটির নিরাপত্তা সূত্রগুলো।
যুদ্ধ অবসানে যে কোনো চুক্তির অংশ হিসেবে লেবাননে ইসরায়েলি হামলা বন্ধের শর্ত দিয়েছে ইরান।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, দক্ষিণাঞ্চলীয় হরমোজগান প্রদেশে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা প্রায় সাত সপ্তাহ ধরে কার্যকর থাকা ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতির ‘গুরুতর লংঘন’।
ইরানি গণমাধ্যম জানিয়েছে, মঙ্গলবার ভোররাতে হরমুজ প্রণালির পার্শ্ববর্তী হরমোজগান প্রদেশে অনেকগুলো বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে।
যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, তারা সেখানে আঘাত হানলেও তাদের হামলা আক্রমণাত্মক ছিল না, ছিল প্রতিরক্ষামূলক। ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্যস্থল করা হয়েছে ও হরমুজ প্রণালিতে মাইন স্থাপন প্রতিরোধ করার চেষ্টা করা হয়েছে।
মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) মার্কিন সামরিক বাহিনীর যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের যে কোনও চেষ্টার বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারি দিয়েছে এবং পাল্টা জবাব দেওয়াকে তাদের বৈধ ও নিশ্চিত অধিকার বলে উল্লেখ করেছে। তারা জানিয়েছে, ইরানের এয়ার ডিফেন্স ইউনিট একটি মার্কিন ড্রোন ভূপাতিত করেছে এবং আরেকটি ড্রোন ও ইরানের আকাশসীমায় প্রবেশ করা একটি যুদ্ধবিমানের দিকে গুলি ছুড়েছে।
ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের এ হামলার পর ভারত সফর শেষে দেশে ফিরতে থাকা মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও তার উড়োজাহাজে থাকা সাংবাদিকদের বলেছেন, হরমুজ প্রণালি খুলতে হবে ‘এই (চুক্তির) পথে অথবা অন্য ভাবে’।
রুবিও জানিয়েছেন, আলোচনার মধ্যে দিয়ে যুদ্ধ শেষ করার জন্য একটি শান্তি চুক্তিতে পৌঁছতে ‘কয়েক দিন’ লাগতে পারে।
এর আগে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র, উভয়েই ইঙ্গিত দিয়েছিল, প্রাথমিক একটি সমঝোতার বিষয়ে অগ্রগতি হয়েছে আর তাতে শত্রুতার অবসান ঘটতে পারে আর হরমুজ প্রণালি জাহাজ চলাচল ফের শুরু হতে পারে। ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচীর মতো জটিল বিষয়গুলো নিয়ে সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর জন্য প্রাথমিক সমঝোতা আলোচকদের আরও ৬০ দিনের মতো সময় দিতে পারে।
২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার মধ্য দিয়ে ইরান যুদ্ধ শুরু হয়। এই যুদ্ধের কারণে বিশ্বজুড়ে তেল সরবরাহে নজিরবিহীন বিঘ্ন ঘটছে আর তাতে জ্বালানি, সার ও খাবারের দাম বৃদ্ধি পাচ্ছে।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচএইচ/এসকে
এই প্রচেষ্টাকে আরও চাপের মুখে ফেলে মঙ্গলবার (২৬ মে) লেবাননে ১২০টিরও বেশি বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। এটি কয়েক সপ্তাহের মধ্যে লেবাননে চালানো সবচেয়ে তীব্র বোমা হামলা বলে রয়টার্সকে জানিয়েছে দেশটির নিরাপত্তা সূত্রগুলো।
যুদ্ধ অবসানে যে কোনো চুক্তির অংশ হিসেবে লেবাননে ইসরায়েলি হামলা বন্ধের শর্ত দিয়েছে ইরান।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, দক্ষিণাঞ্চলীয় হরমোজগান প্রদেশে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা প্রায় সাত সপ্তাহ ধরে কার্যকর থাকা ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতির ‘গুরুতর লংঘন’।
ইরানি গণমাধ্যম জানিয়েছে, মঙ্গলবার ভোররাতে হরমুজ প্রণালির পার্শ্ববর্তী হরমোজগান প্রদেশে অনেকগুলো বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে।
যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, তারা সেখানে আঘাত হানলেও তাদের হামলা আক্রমণাত্মক ছিল না, ছিল প্রতিরক্ষামূলক। ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্যস্থল করা হয়েছে ও হরমুজ প্রণালিতে মাইন স্থাপন প্রতিরোধ করার চেষ্টা করা হয়েছে।
মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) মার্কিন সামরিক বাহিনীর যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের যে কোনও চেষ্টার বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারি দিয়েছে এবং পাল্টা জবাব দেওয়াকে তাদের বৈধ ও নিশ্চিত অধিকার বলে উল্লেখ করেছে। তারা জানিয়েছে, ইরানের এয়ার ডিফেন্স ইউনিট একটি মার্কিন ড্রোন ভূপাতিত করেছে এবং আরেকটি ড্রোন ও ইরানের আকাশসীমায় প্রবেশ করা একটি যুদ্ধবিমানের দিকে গুলি ছুড়েছে।
ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের এ হামলার পর ভারত সফর শেষে দেশে ফিরতে থাকা মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও তার উড়োজাহাজে থাকা সাংবাদিকদের বলেছেন, হরমুজ প্রণালি খুলতে হবে ‘এই (চুক্তির) পথে অথবা অন্য ভাবে’।
রুবিও জানিয়েছেন, আলোচনার মধ্যে দিয়ে যুদ্ধ শেষ করার জন্য একটি শান্তি চুক্তিতে পৌঁছতে ‘কয়েক দিন’ লাগতে পারে।
এর আগে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র, উভয়েই ইঙ্গিত দিয়েছিল, প্রাথমিক একটি সমঝোতার বিষয়ে অগ্রগতি হয়েছে আর তাতে শত্রুতার অবসান ঘটতে পারে আর হরমুজ প্রণালি জাহাজ চলাচল ফের শুরু হতে পারে। ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচীর মতো জটিল বিষয়গুলো নিয়ে সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর জন্য প্রাথমিক সমঝোতা আলোচকদের আরও ৬০ দিনের মতো সময় দিতে পারে।
২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার মধ্য দিয়ে ইরান যুদ্ধ শুরু হয়। এই যুদ্ধের কারণে বিশ্বজুড়ে তেল সরবরাহে নজিরবিহীন বিঘ্ন ঘটছে আর তাতে জ্বালানি, সার ও খাবারের দাম বৃদ্ধি পাচ্ছে।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচএইচ/এসকে