মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো আর মার্কিন সামরিক ঘাঁটির জন্য ঢাল হিসেবে কাজ করবে না এবং এই অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো নিরাপদ আশ্রয় থাকবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনি।
মঙ্গলবার (২৬ মে) নিজের অফিশিয়াল টেলিগ্রাম চ্যানেলে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি এই হুঁশিয়ারি দেন।
ওই বিবৃতিতে খামেনি বলেন, সময়ের চাকা আর পেছনে ঘুরবে না। এই অঞ্চলের দেশ ও ভূখণ্ডগুলো আর মার্কিন ঘাঁটির ঢাল হিসেবে কাজ করবে না। মধ্যপ্রাচ্যে অশুভ তৎপরতা বা সামরিক ঘাঁটি স্থাপনের জন্য আমেরিকার কোনো নিরাপদ আশ্রয় থাকবে না বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
প্রসঙ্গত, গত ফেব্রুয়ারিতে ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের বিমান হামলায় ইরানের তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হওয়ার পর তার ছেলে মোজতবা খামেনি দেশের সর্বোচ্চ নেতার দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তবে শীর্ষ ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকে নতুন এই সর্বোচ্চ নেতাকে এখন পর্যন্ত জনসমক্ষে আসতে দেখা যায়নি। জনসমক্ষে না আসলেও বর্তমান ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতিতে তার এই কড়া বার্তা ওয়াশিংটন তথা পশ্চিমা শিবিরের জন্য বড় ধরনের মনস্তাত্ত্বিক চাপ সৃষ্টি করবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচএইচ/এসকে
মঙ্গলবার (২৬ মে) নিজের অফিশিয়াল টেলিগ্রাম চ্যানেলে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি এই হুঁশিয়ারি দেন।
ওই বিবৃতিতে খামেনি বলেন, সময়ের চাকা আর পেছনে ঘুরবে না। এই অঞ্চলের দেশ ও ভূখণ্ডগুলো আর মার্কিন ঘাঁটির ঢাল হিসেবে কাজ করবে না। মধ্যপ্রাচ্যে অশুভ তৎপরতা বা সামরিক ঘাঁটি স্থাপনের জন্য আমেরিকার কোনো নিরাপদ আশ্রয় থাকবে না বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
প্রসঙ্গত, গত ফেব্রুয়ারিতে ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের বিমান হামলায় ইরানের তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হওয়ার পর তার ছেলে মোজতবা খামেনি দেশের সর্বোচ্চ নেতার দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তবে শীর্ষ ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকে নতুন এই সর্বোচ্চ নেতাকে এখন পর্যন্ত জনসমক্ষে আসতে দেখা যায়নি। জনসমক্ষে না আসলেও বর্তমান ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতিতে তার এই কড়া বার্তা ওয়াশিংটন তথা পশ্চিমা শিবিরের জন্য বড় ধরনের মনস্তাত্ত্বিক চাপ সৃষ্টি করবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচএইচ/এসকে