পশ্চিমবঙ্গের নতুন বিজেপি সরকার পবিত্র ঈদুল আজহার অতিরিক্ত ছুটি বাতিল করেছে। আগের তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের ঘোষিত দুইদিনের ছুটির সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে কেবল ঈদের মূল দিনটিতেই ছুটি সীমিত করার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এক বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানিয়েছে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সরকার। সূত্র: আনন্দবাজার
পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সহকারী মুখ্যসচিব পিকে মিশ্রের পক্ষে জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘২০২৫ সালের ২৭ নভেম্বর রাজ্য সরকারের তরফে ছুটিসংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছিল। তাতে ২০২৬ সালের ২৬ এবং ২৭ মে (মঙ্গলবার এবং বুধবার) কোরবানির ইদ উপলক্ষে ছুটি ঘোষণা করা হয়। কিন্তু এখন জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (২৮ মে) বকরি ইদ পালন করা হবে। তাই আগের বিজ্ঞপ্তিতে কিছুটা সংশোধন করা হচ্ছে। কোরবানির ইদ উপলক্ষে ২৮ মে ছুটি থাকবে। তার আগের দু’দিনের ঘোষিত ছুটি বাতিল করা হচ্ছে। ওই দু’দিন, অর্থাৎ মঙ্গলবার এবং বুধবার সাধারণ কাজের দিন হিসাবেই গণ্য হবে।’
তৃণমূল সরকারের আমলের অতিরিক্ত ছুটি কাটছাঁটের এই সিদ্ধান্তকে প্রশাসনের কর্মকর্তাদের একাংশ ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। তাদের মতে, রাজ্যে থমকে যাওয়া ‘কর্মসংস্কৃতি’ ফিরিয়ে আনার স্বার্থে যদি এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়ে থাকে, তবে তা ভালো উদ্যোগ।
তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন কর্মকর্তা স্থানীয় গণমাধ্যমকে বলেন, ‘এই সিদ্ধান্ত কেবল মুসলিমদের উৎসব ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে নেওয়া হয়ে থাকলে তা ভালো দেখায় না। পূর্ববর্তী সরকার দুর্গাপূজা, কালীপূজা ও সরস্বতী পূজাতেও এমন প্রচুর অতিরিক্ত ছুটি দিত। নতুন সরকার সেসব ছুটির ক্ষেত্রে কী নীতি গ্রহণ করে, এখন সেটাই দেখার বিষয়।’
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচএইচ/এসকে
পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সহকারী মুখ্যসচিব পিকে মিশ্রের পক্ষে জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘২০২৫ সালের ২৭ নভেম্বর রাজ্য সরকারের তরফে ছুটিসংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছিল। তাতে ২০২৬ সালের ২৬ এবং ২৭ মে (মঙ্গলবার এবং বুধবার) কোরবানির ইদ উপলক্ষে ছুটি ঘোষণা করা হয়। কিন্তু এখন জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (২৮ মে) বকরি ইদ পালন করা হবে। তাই আগের বিজ্ঞপ্তিতে কিছুটা সংশোধন করা হচ্ছে। কোরবানির ইদ উপলক্ষে ২৮ মে ছুটি থাকবে। তার আগের দু’দিনের ঘোষিত ছুটি বাতিল করা হচ্ছে। ওই দু’দিন, অর্থাৎ মঙ্গলবার এবং বুধবার সাধারণ কাজের দিন হিসাবেই গণ্য হবে।’
তৃণমূল সরকারের আমলের অতিরিক্ত ছুটি কাটছাঁটের এই সিদ্ধান্তকে প্রশাসনের কর্মকর্তাদের একাংশ ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। তাদের মতে, রাজ্যে থমকে যাওয়া ‘কর্মসংস্কৃতি’ ফিরিয়ে আনার স্বার্থে যদি এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়ে থাকে, তবে তা ভালো উদ্যোগ।
তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন কর্মকর্তা স্থানীয় গণমাধ্যমকে বলেন, ‘এই সিদ্ধান্ত কেবল মুসলিমদের উৎসব ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে নেওয়া হয়ে থাকলে তা ভালো দেখায় না। পূর্ববর্তী সরকার দুর্গাপূজা, কালীপূজা ও সরস্বতী পূজাতেও এমন প্রচুর অতিরিক্ত ছুটি দিত। নতুন সরকার সেসব ছুটির ক্ষেত্রে কী নীতি গ্রহণ করে, এখন সেটাই দেখার বিষয়।’
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচএইচ/এসকে