দেশের নদ-নদী রক্ষায় জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি। তিনি বলেছেন, নদী ব্যবস্থাপনা কার্যক্রমে জনসম্পৃক্ততা বাড়াতে না পারলে টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়।
রোববার (২৪মে) জাতীয় প্রেসক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া অডিটরিয়ামে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। সভাটি আয়োজন করে ‘নোঙর ট্রাস্ট’।
মন্ত্রী বলেন, দেশে বর্তমানে প্রায় ১ হাজার ৪১৫টি নদ-নদী রয়েছে, যেগুলোকে তিনি “জীবন্ত সত্তা” হিসেবে উল্লেখ করেন। তাঁর মতে, নদীগুলোকে বাঁচিয়ে রাখতে হলে শুধু সরকারি উদ্যোগ নয়, বরং স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণও অপরিহার্য।
তিনি আরও বলেন, আগামী দিনে নদী, খাল ও জলাধার পুনঃখননের মাধ্যমে জলসম্পদের কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করার পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে।
আলোচনায় তিনি জানান, আগামী পাঁচ বছরে প্রায় ২০ হাজার কিলোমিটার খাল, নদী ও জলাধার খনন ও পুনঃখননের পরিকল্পনা রয়েছে, যা দেশের পানি ব্যবস্থাপনায় বড় পরিবর্তন আনবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এছাড়া তিনি উল্লেখ করেন, পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্প অনুমোদনের মাধ্যমে দক্ষিণ-পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের ২৪টি জেলার কৃষি, মৎস্য ও পরিবেশ খাতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে এবং নদীর নাব্যতা ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে।
সভায় সভাপতিত্ব করেন সুমন শামস, চেয়ারম্যান, নোঙর ট্রাস্ট। আলোচনায় আরও উপস্থিত ছিলেন মাদারীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য আনিছুর রহমান খোকন এবং বিজিসি ট্রাস্ট ইউনিভার্সিটির ভাইস চ্যান্সেলর মনজুরুল কিবরিয়া।
বক্তারা সবাই নদী রক্ষা ও টেকসই পানি ব্যবস্থাপনায় জনসম্পৃক্ততা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন। তারা মনে করেন, সমন্বিত উদ্যোগ ছাড়া দেশের নদ-নদীগুলোকে দীর্ঘমেয়াদে টিকিয়ে রাখা কঠিন হবে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এনআইএন
রোববার (২৪মে) জাতীয় প্রেসক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া অডিটরিয়ামে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। সভাটি আয়োজন করে ‘নোঙর ট্রাস্ট’।
মন্ত্রী বলেন, দেশে বর্তমানে প্রায় ১ হাজার ৪১৫টি নদ-নদী রয়েছে, যেগুলোকে তিনি “জীবন্ত সত্তা” হিসেবে উল্লেখ করেন। তাঁর মতে, নদীগুলোকে বাঁচিয়ে রাখতে হলে শুধু সরকারি উদ্যোগ নয়, বরং স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণও অপরিহার্য।
তিনি আরও বলেন, আগামী দিনে নদী, খাল ও জলাধার পুনঃখননের মাধ্যমে জলসম্পদের কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করার পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে।
আলোচনায় তিনি জানান, আগামী পাঁচ বছরে প্রায় ২০ হাজার কিলোমিটার খাল, নদী ও জলাধার খনন ও পুনঃখননের পরিকল্পনা রয়েছে, যা দেশের পানি ব্যবস্থাপনায় বড় পরিবর্তন আনবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এছাড়া তিনি উল্লেখ করেন, পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্প অনুমোদনের মাধ্যমে দক্ষিণ-পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের ২৪টি জেলার কৃষি, মৎস্য ও পরিবেশ খাতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে এবং নদীর নাব্যতা ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে।
সভায় সভাপতিত্ব করেন সুমন শামস, চেয়ারম্যান, নোঙর ট্রাস্ট। আলোচনায় আরও উপস্থিত ছিলেন মাদারীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য আনিছুর রহমান খোকন এবং বিজিসি ট্রাস্ট ইউনিভার্সিটির ভাইস চ্যান্সেলর মনজুরুল কিবরিয়া।
বক্তারা সবাই নদী রক্ষা ও টেকসই পানি ব্যবস্থাপনায় জনসম্পৃক্ততা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন। তারা মনে করেন, সমন্বিত উদ্যোগ ছাড়া দেশের নদ-নদীগুলোকে দীর্ঘমেয়াদে টিকিয়ে রাখা কঠিন হবে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এনআইএন