মার্কিন প্রেসিডেন্টের সরকারি বাসভবন হোয়াইট হাউসের কাছে গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় সময় শনিবার (২৩ মে) সন্ধ্যায় এক ব্যক্তি গুলি ছুড়লে সিক্রেট সার্ভিসের সদস্যদের সঙ্গে তার গোলাগুলি শুরু হয়। পরে গুলিতে বন্দুকধারী নিহত হন।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সন্ধ্যা ৬টার পর, সন্দেহভাজন ব্যক্তি ওয়াশিংটন ডিসির ১৭তম স্ট্রিট এবং পেনসিলভানিয়া অ্যাভিনিউয়ের সংযোগস্থলে একটি সিক্রেট সার্ভিস চেকপয়েন্টের কাছে এসে ব্যাগ থেকে একটি অস্ত্র বের করে কর্মকর্তাদের লক্ষ্য করে গুলি চালাতে শুরু করে।
প্রেসিডেন্টের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা ফেডারেল সংস্থা সিক্রেট সার্ভিস এক বিবৃতিতে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছে। সংস্থাটি জানায়, প্রাথমিক তদন্তে দেখা গেছে, সন্দেহভাজন ব্যক্তি একটি ব্যাগে অস্ত্র লুকিয়ে রেখেছিলেন এবং চেকপয়েন্টে পৌঁছে তা বের করেন।
এ সময় এজেন্টরা পালটা গুলি চালালে ওই ব্যক্তি গুলিবিদ্ধ হন। পরে তাকে কাছের একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন।
গুলিবিনিময়ের সময় একজন পথচারী গুলিবিদ্ধ হন। তবে তিনি সন্দেহভাজন বন্দুকধারীর গুলিতে নাকি পরবর্তী পালটাপালটি গুলির সময় আহত হয়েছেন, তা এখনও নিশ্চিত করতে পারেনি কর্তৃপক্ষ।
ঘটনার সময় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হোয়াইট হাউসে অবস্থান করছিলেন। ঘটনার পরপরই হোয়াইট হাউসজুড়ে কঠোর নিরাপত্তা জারি করে লকডাউন ঘোষণা করা হয়। এ ঘটনায় সিক্রেট সার্ভিসের কোনো সদস্য আহত হননি।
মার্কিন কংগ্রেসের প্রতিনিধি পরিষদের রিপাবলিকান সদস্যরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট দিয়ে ট্রাম্পের নিরাপদ থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তবে হোয়াইট হাউস থেকে প্রেসিডেন্টের অবস্থা নিয়ে তাৎক্ষণিক কোনো বিবৃতি দেওয়া হয়নি।
প্রতিনিধি পরিষদের রিপাবলিকান দলের নেতা স্টিভ স্ক্যালিস এক্সে দেওয়া পোস্টে প্রেসিডেন্টের জন্য উদ্বেগ প্রকাশ করে লেখেন, ‘আমরা বিপজ্জনক সময়ে বাস করছি।’
আল জাজিরার সাংবাদিক কিম্বারলি হালকেট ঘটনাস্থল থেকে জানান, হোয়াইট হাউসের নর্থ লনে ৩০টিরও বেশি গুলির শব্দ শোনা গেছে।
এর আগে, গত ২৬ এপ্রিল ওয়াশিংটন ডিসির একটি হোটেলে হোয়াইট হাউসের সাংবাদিকদের নৈশভোজের সময় এর আগে গুলির ঘটনা ঘটে। এক মাস পার না হতেই নতুন করে এই ঘটনা ঘটল।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এনআইএন
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সন্ধ্যা ৬টার পর, সন্দেহভাজন ব্যক্তি ওয়াশিংটন ডিসির ১৭তম স্ট্রিট এবং পেনসিলভানিয়া অ্যাভিনিউয়ের সংযোগস্থলে একটি সিক্রেট সার্ভিস চেকপয়েন্টের কাছে এসে ব্যাগ থেকে একটি অস্ত্র বের করে কর্মকর্তাদের লক্ষ্য করে গুলি চালাতে শুরু করে।
প্রেসিডেন্টের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা ফেডারেল সংস্থা সিক্রেট সার্ভিস এক বিবৃতিতে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছে। সংস্থাটি জানায়, প্রাথমিক তদন্তে দেখা গেছে, সন্দেহভাজন ব্যক্তি একটি ব্যাগে অস্ত্র লুকিয়ে রেখেছিলেন এবং চেকপয়েন্টে পৌঁছে তা বের করেন।
এ সময় এজেন্টরা পালটা গুলি চালালে ওই ব্যক্তি গুলিবিদ্ধ হন। পরে তাকে কাছের একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন।
গুলিবিনিময়ের সময় একজন পথচারী গুলিবিদ্ধ হন। তবে তিনি সন্দেহভাজন বন্দুকধারীর গুলিতে নাকি পরবর্তী পালটাপালটি গুলির সময় আহত হয়েছেন, তা এখনও নিশ্চিত করতে পারেনি কর্তৃপক্ষ।
ঘটনার সময় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হোয়াইট হাউসে অবস্থান করছিলেন। ঘটনার পরপরই হোয়াইট হাউসজুড়ে কঠোর নিরাপত্তা জারি করে লকডাউন ঘোষণা করা হয়। এ ঘটনায় সিক্রেট সার্ভিসের কোনো সদস্য আহত হননি।
মার্কিন কংগ্রেসের প্রতিনিধি পরিষদের রিপাবলিকান সদস্যরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট দিয়ে ট্রাম্পের নিরাপদ থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তবে হোয়াইট হাউস থেকে প্রেসিডেন্টের অবস্থা নিয়ে তাৎক্ষণিক কোনো বিবৃতি দেওয়া হয়নি।
প্রতিনিধি পরিষদের রিপাবলিকান দলের নেতা স্টিভ স্ক্যালিস এক্সে দেওয়া পোস্টে প্রেসিডেন্টের জন্য উদ্বেগ প্রকাশ করে লেখেন, ‘আমরা বিপজ্জনক সময়ে বাস করছি।’
আল জাজিরার সাংবাদিক কিম্বারলি হালকেট ঘটনাস্থল থেকে জানান, হোয়াইট হাউসের নর্থ লনে ৩০টিরও বেশি গুলির শব্দ শোনা গেছে।
এর আগে, গত ২৬ এপ্রিল ওয়াশিংটন ডিসির একটি হোটেলে হোয়াইট হাউসের সাংবাদিকদের নৈশভোজের সময় এর আগে গুলির ঘটনা ঘটে। এক মাস পার না হতেই নতুন করে এই ঘটনা ঘটল।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এনআইএন