চীনের উত্তরাঞ্চলীয় শানসি প্রদেশের এক কয়লা খনিতে গ্যাস বিস্ফোরণের ঘটনায় মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে অন্তত ৯০ জনে দাঁড়িয়েছে।
এ ঘটনায় আরও নয়জন এখনো নিখোঁজ রয়েছেন বলে শনিবার (২৩ মে) চায়না ডেইলি স্থানীয় কর্তৃপক্ষের বরাতে জানিয়েছে।
শুক্রবার (২২ মে) স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৭টা ২৯ মিনিটে শানসির চাংঝি প্রিফেকচারের ছিনইউয়ান কাউন্টির লিউশেনয়ু কয়লা খনিতে বিস্ফোরণটি ঘটে। তখন ভূগর্ভস্থ খনিটিতে মোট ২৪৭ জন শ্রমিক ছিল।
শনিবার ভোর ৬টা পর্যন্ত ২০১ জনকে নিরাপদে উপরে তুলে নিয়ে আসা সম্ভব হয়। বাকিদের উদ্ধারের জন্য অভিযান অব্যাহত আছে।
দুর্ঘটনার পর আইন শৃঙ্খলা বাহিনী কোম্পানিটির দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাদের হেফাজতে নিয়েছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং আহতদের চিকিৎসায় সব ধরনের প্রচেষ্টা চালানোর এবং তল্লাশি ও উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। পাশাপাশি কী কারণ এই দুর্ঘটনা ঘটেছে তা বের করতে নিবিড় তদন্ত ও আইন অনুযায়ী কঠোর জবাবদিহিতার পদক্ষেপ নেওয়ার আদেশ দিয়েছেন।
চীন আরও কঠোর নিয়মকানুন ও নিরাপদ অনুশীলনের মাধ্যমে ২০০০ সাল থেকে কয়লা খনিতে দুর্ঘটনা উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে এনেছে। সাধারণত কয়লা খনিতে গ্যাস বিস্ফোরণ ও আকস্মিক বন্যায় বহু মানুষের মৃত্যু হতো। এবার লিউশেনয়ু কয়লা খনিতে যে বিস্ফোরণটি ঘটেছে তা এক দশকের মধ্যে অন্যতম প্রণাঘাতী দুর্ঘটনা।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচএইচ/এসকে
এ ঘটনায় আরও নয়জন এখনো নিখোঁজ রয়েছেন বলে শনিবার (২৩ মে) চায়না ডেইলি স্থানীয় কর্তৃপক্ষের বরাতে জানিয়েছে।
শুক্রবার (২২ মে) স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৭টা ২৯ মিনিটে শানসির চাংঝি প্রিফেকচারের ছিনইউয়ান কাউন্টির লিউশেনয়ু কয়লা খনিতে বিস্ফোরণটি ঘটে। তখন ভূগর্ভস্থ খনিটিতে মোট ২৪৭ জন শ্রমিক ছিল।
শনিবার ভোর ৬টা পর্যন্ত ২০১ জনকে নিরাপদে উপরে তুলে নিয়ে আসা সম্ভব হয়। বাকিদের উদ্ধারের জন্য অভিযান অব্যাহত আছে।
দুর্ঘটনার পর আইন শৃঙ্খলা বাহিনী কোম্পানিটির দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাদের হেফাজতে নিয়েছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং আহতদের চিকিৎসায় সব ধরনের প্রচেষ্টা চালানোর এবং তল্লাশি ও উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। পাশাপাশি কী কারণ এই দুর্ঘটনা ঘটেছে তা বের করতে নিবিড় তদন্ত ও আইন অনুযায়ী কঠোর জবাবদিহিতার পদক্ষেপ নেওয়ার আদেশ দিয়েছেন।
চীন আরও কঠোর নিয়মকানুন ও নিরাপদ অনুশীলনের মাধ্যমে ২০০০ সাল থেকে কয়লা খনিতে দুর্ঘটনা উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে এনেছে। সাধারণত কয়লা খনিতে গ্যাস বিস্ফোরণ ও আকস্মিক বন্যায় বহু মানুষের মৃত্যু হতো। এবার লিউশেনয়ু কয়লা খনিতে যে বিস্ফোরণটি ঘটেছে তা এক দশকের মধ্যে অন্যতম প্রণাঘাতী দুর্ঘটনা।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচএইচ/এসকে