নাটোরের নলডাঙ্গায় আধুনিক প্রযুক্তি সম্প্রসারণের মাধ্যমে রাজশাহী বিভাগের কৃষি উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় দুই দিনব্যাপী কৃষি প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রশিক্ষণে উপজেলার বিভিন্ন এলাকার ৬০ জন কৃষক-কৃষাণী অংশগ্রহণ করেন। বৃহস্পতিবার (২১ মে) উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিসের সভাকক্ষে প্রশিক্ষণের সমাপনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. সবুজ আলী। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নাটোর জেলা প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা মো. শহিদুল ইসলাম। প্রশিক্ষণ প্রদান করেন নলডাঙ্গা উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার মো. সাজ্জাদ হোসাইন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন উপ-সহকারী কৃষি অফিসার মো. হাবিবুর রহমান হাবিব, উপ-সহকারী কৃষি অফিসার রনজিৎ সিংহসহ কৃষি বিভাগের অন্যান্য কর্মকর্তারা।
প্রশিক্ষণে আধুনিক পদ্ধতিতে চাষাবাদ, রোগবালাই দমন, কম খরচে অধিক ফলন, নিরাপদ সবজি উৎপাদন, জৈব সার ব্যবহার এবং ফসলের সঠিক পরিচর্যা বিষয়ে কৃষকদের হাতে-কলমে ধারণা দেওয়া হয়।
প্রশিক্ষণে অংশ নেওয়া বাঁশিলা গ্রামের কৃষক শাহিন বলেন, “আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ও রোগবালাই দমন বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধারণা পেয়েছি। এসব প্রশিক্ষণ মাঠপর্যায়ে কৃষকদের অনেক উপকারে আসবে।”
মাধনগর গ্রামের কৃষাণী আরজিনা বেগম ও সাদিয়া বেগম বলেন, “নিরাপদ সবজি উৎপাদন ও জৈব সার ব্যবহারের বিষয়ে নতুন তথ্য জানতে পেরেছি। এতে আমরা আরও উৎসাহিত হয়েছি।”
কুমদবাটি এলাকার কৃষক শামীম আহমেদ বলেন, “কৃষকদের নিয়মিত এমন প্রশিক্ষণ দিলে উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে এবং আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারে আগ্রহ বাড়বে।”
দুর্লভপুর গ্রামের কৃষাণী রহিমা খাতুন ও সাথী বলেন, “মাঠপর্যায়ে হাতে-কলমে শেখানোর কারণে বিষয়গুলো সহজে বুঝতে পেরেছি। এটি আমাদের কৃষিকাজে কাজে লাগবে।”
পারবিশা গ্রামের কৃষক মনজুরুল ইসলাম বলেন, “জলবায়ু পরিবর্তনের সময়ে টেকসই কৃষি ব্যবস্থা গড়ে তুলতে এ ধরনের প্রশিক্ষণ খুবই প্রয়োজন।”
বাংলা স্কুপ/প্রতিনিধি/এইচএইচ/এসকে
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. সবুজ আলী। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নাটোর জেলা প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা মো. শহিদুল ইসলাম। প্রশিক্ষণ প্রদান করেন নলডাঙ্গা উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার মো. সাজ্জাদ হোসাইন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন উপ-সহকারী কৃষি অফিসার মো. হাবিবুর রহমান হাবিব, উপ-সহকারী কৃষি অফিসার রনজিৎ সিংহসহ কৃষি বিভাগের অন্যান্য কর্মকর্তারা।
প্রশিক্ষণে আধুনিক পদ্ধতিতে চাষাবাদ, রোগবালাই দমন, কম খরচে অধিক ফলন, নিরাপদ সবজি উৎপাদন, জৈব সার ব্যবহার এবং ফসলের সঠিক পরিচর্যা বিষয়ে কৃষকদের হাতে-কলমে ধারণা দেওয়া হয়।
প্রশিক্ষণে অংশ নেওয়া বাঁশিলা গ্রামের কৃষক শাহিন বলেন, “আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ও রোগবালাই দমন বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধারণা পেয়েছি। এসব প্রশিক্ষণ মাঠপর্যায়ে কৃষকদের অনেক উপকারে আসবে।”
মাধনগর গ্রামের কৃষাণী আরজিনা বেগম ও সাদিয়া বেগম বলেন, “নিরাপদ সবজি উৎপাদন ও জৈব সার ব্যবহারের বিষয়ে নতুন তথ্য জানতে পেরেছি। এতে আমরা আরও উৎসাহিত হয়েছি।”
কুমদবাটি এলাকার কৃষক শামীম আহমেদ বলেন, “কৃষকদের নিয়মিত এমন প্রশিক্ষণ দিলে উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে এবং আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারে আগ্রহ বাড়বে।”
দুর্লভপুর গ্রামের কৃষাণী রহিমা খাতুন ও সাথী বলেন, “মাঠপর্যায়ে হাতে-কলমে শেখানোর কারণে বিষয়গুলো সহজে বুঝতে পেরেছি। এটি আমাদের কৃষিকাজে কাজে লাগবে।”
পারবিশা গ্রামের কৃষক মনজুরুল ইসলাম বলেন, “জলবায়ু পরিবর্তনের সময়ে টেকসই কৃষি ব্যবস্থা গড়ে তুলতে এ ধরনের প্রশিক্ষণ খুবই প্রয়োজন।”
বাংলা স্কুপ/প্রতিনিধি/এইচএইচ/এসকে