তিন মাসের মধ্যে সুপ্রিম কোর্টের জন্য ‘স্বতন্ত্র সচিবালয়’ প্রতিষ্ঠার নির্দেশ দিয়ে হাইকোর্ট যে রায় দিয়েছিলেন, সেই রায় বাতিল চেয়ে আপিল করেছে সরকার। আগামী ৯ জুন আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে এর শুনানি করা হবে।
বৃহস্পতিবার (২১ মে) আপিল বিভাগের বিচারপতি ফারাহ মাহবুবের চেম্বার আদালত শুনানির এই দিন ধার্য করেন।
আদালতে আপিলের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল, অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল অনীক আর হক। রিট আবেদনকারীর পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির। সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী মোহাম্মদ সাদ্দাম হোসেন।
পরে আইনজীবী শিশির মনির সাংবাদিকদের জানান, হাইকোর্টের রায়ে স্থগিতাদেশ দেননি চেম্বার আদালত। আগামী ৯ তারিখ ফুল কোর্টে শুনানির জন্য নির্ধারণ করেছেন।
তিন মাসের মধ্যে সুপ্রিম কোর্টের জন্য ‘স্বতন্ত্র সচিবালয়’ প্রতিষ্ঠার নির্দেশ দিয়ে গত বছর ২ সেপ্টেম্বর রায় দেন হাইকোর্ট। রায়ে অধস্তন আদালতের বিচারকদের নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলা সংক্রান্ত সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদে এ পর্যন্ত যত সংশোধনী আনা হয়েছে, তা অবৈধ ও অসাংবিধানিক উল্লেখ করে সেসব সংশোধনী বাতিল ঘোষণা করা হয়।
এ রায়ের পর গত বছর ৩০ নভেম্বর ‘সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ, ২০২৫’ জারি করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকার। পরে ১০ ডিসেম্বর সুপ্রিম কোর্ট জামে মসজিদসংলগ্ন ৪ নম্বর প্রশাসনিক ভবনে সচিবালয় উদ্বোধন করেন তৎকালীন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ। ওই ভবনেই চলে আসছিল সচিবালয়ের কাজ। এর মধ্যে গত ৯ এপ্রিল বিরোধী দলের আপত্তি নাকচ করে ‘সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় (রহিতকরণ) বিল’ পাস করা হয় সংসদে। এরপর গত ১৯ মে সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় বিলুপ্ত করে সরকার।
সেদিনই এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে বিলুপ্ত সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় থেকে ১৫ জন বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাকে ফিরিয়ে নেয় আইন মন্ত্রণালয়।
বাংলা স্কুপ/প্রতিবেদক/এইচএইচ/এসকে
বৃহস্পতিবার (২১ মে) আপিল বিভাগের বিচারপতি ফারাহ মাহবুবের চেম্বার আদালত শুনানির এই দিন ধার্য করেন।
আদালতে আপিলের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল, অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল অনীক আর হক। রিট আবেদনকারীর পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির। সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী মোহাম্মদ সাদ্দাম হোসেন।
পরে আইনজীবী শিশির মনির সাংবাদিকদের জানান, হাইকোর্টের রায়ে স্থগিতাদেশ দেননি চেম্বার আদালত। আগামী ৯ তারিখ ফুল কোর্টে শুনানির জন্য নির্ধারণ করেছেন।
তিন মাসের মধ্যে সুপ্রিম কোর্টের জন্য ‘স্বতন্ত্র সচিবালয়’ প্রতিষ্ঠার নির্দেশ দিয়ে গত বছর ২ সেপ্টেম্বর রায় দেন হাইকোর্ট। রায়ে অধস্তন আদালতের বিচারকদের নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলা সংক্রান্ত সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদে এ পর্যন্ত যত সংশোধনী আনা হয়েছে, তা অবৈধ ও অসাংবিধানিক উল্লেখ করে সেসব সংশোধনী বাতিল ঘোষণা করা হয়।
এ রায়ের পর গত বছর ৩০ নভেম্বর ‘সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ, ২০২৫’ জারি করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকার। পরে ১০ ডিসেম্বর সুপ্রিম কোর্ট জামে মসজিদসংলগ্ন ৪ নম্বর প্রশাসনিক ভবনে সচিবালয় উদ্বোধন করেন তৎকালীন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ। ওই ভবনেই চলে আসছিল সচিবালয়ের কাজ। এর মধ্যে গত ৯ এপ্রিল বিরোধী দলের আপত্তি নাকচ করে ‘সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় (রহিতকরণ) বিল’ পাস করা হয় সংসদে। এরপর গত ১৯ মে সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় বিলুপ্ত করে সরকার।
সেদিনই এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে বিলুপ্ত সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় থেকে ১৫ জন বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাকে ফিরিয়ে নেয় আইন মন্ত্রণালয়।
বাংলা স্কুপ/প্রতিবেদক/এইচএইচ/এসকে