চাঁপাইনবাবগঞ্জে নিখোঁজের একদিন পর গৃহশিক্ষকের বস্তাবন্দি মরদেহ ছাত্রীর বাড়ি থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় ওই ছাত্রীর বাবা-মাকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৯ মে) সকালে চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার চৌকাপাড়ায় থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এর আগে, সোমবার (১৮ মে) সকাল থেকে নিখোঁজ ছিলেন ওই গৃহশিক্ষক।
নিহত মরিয়ম বেগম চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর এলাকার নামো শংকরবাটি উজ্জ্বল পাড়া এলাকার মোসাদ্দেক হোসেন কালামের স্ত্রী। এ ঘটনায় সুমি ও রুবেল নামে এক দম্পতিকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এদিন সকালে সুমি খাতুনের বাড়ির ভেতরে একটি বস্তাবন্দি মরদেহ দেখতে পান বাড়ির অন্য সদস্যরা। পরে তারা জরুরি সেবা ৯৯৯-এ কল করে পুলিশকে খবর দিলে সদর থানা পুলিশের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে। পুলিশ লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেলা হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে।
খোঁজ জানা গেছে, নিহত মরিয়ম বেগম প্রতিদিন সকালে সুমি খাতুনের পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ুয়া মেয়ে মিথিলাকে তার বাড়িতে গিয়ে প্রাইভেট পড়াতেন। সোমবার সকালেও তিনি যথারীতি পড়াতে এসেছিলেন।
স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, সুমি খাতুনের সোনার প্রতি অতিরিক্ত লোভ রয়েছে এবং এর আগেও তার বিরুদ্ধে ৩ থেকে ৪ জন নারীকে জুসের সঙ্গে চেতনানাশক খাইয়ে অজ্ঞান করে সোনা ছিনতাইয়ের অভিযোগ রয়েছে। এলাকাবাসীর ধারণা, মরিয়ম বেগমের শরীরে থাকা সোনার গহনা লুটের উদ্দেশে তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে লাশ বস্তাবন্দি করা হয়েছিল।
এ বিষয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এএনএম ওয়াসিম ফিরোজ বলেন, জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সন্দেহভাজন হিসেবে সুমি ও রুবেল নামে দুজনকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। ঘটনার রহস্য উদঘাটনে আটককৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এ ঘটনায় একটি হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
বাংলা স্কুপ/প্রতিনিধি/এইচএইচ/এসকে
মঙ্গলবার (১৯ মে) সকালে চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার চৌকাপাড়ায় থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এর আগে, সোমবার (১৮ মে) সকাল থেকে নিখোঁজ ছিলেন ওই গৃহশিক্ষক।
নিহত মরিয়ম বেগম চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর এলাকার নামো শংকরবাটি উজ্জ্বল পাড়া এলাকার মোসাদ্দেক হোসেন কালামের স্ত্রী। এ ঘটনায় সুমি ও রুবেল নামে এক দম্পতিকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এদিন সকালে সুমি খাতুনের বাড়ির ভেতরে একটি বস্তাবন্দি মরদেহ দেখতে পান বাড়ির অন্য সদস্যরা। পরে তারা জরুরি সেবা ৯৯৯-এ কল করে পুলিশকে খবর দিলে সদর থানা পুলিশের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে। পুলিশ লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেলা হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে।
খোঁজ জানা গেছে, নিহত মরিয়ম বেগম প্রতিদিন সকালে সুমি খাতুনের পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ুয়া মেয়ে মিথিলাকে তার বাড়িতে গিয়ে প্রাইভেট পড়াতেন। সোমবার সকালেও তিনি যথারীতি পড়াতে এসেছিলেন।
স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, সুমি খাতুনের সোনার প্রতি অতিরিক্ত লোভ রয়েছে এবং এর আগেও তার বিরুদ্ধে ৩ থেকে ৪ জন নারীকে জুসের সঙ্গে চেতনানাশক খাইয়ে অজ্ঞান করে সোনা ছিনতাইয়ের অভিযোগ রয়েছে। এলাকাবাসীর ধারণা, মরিয়ম বেগমের শরীরে থাকা সোনার গহনা লুটের উদ্দেশে তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে লাশ বস্তাবন্দি করা হয়েছিল।
এ বিষয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এএনএম ওয়াসিম ফিরোজ বলেন, জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সন্দেহভাজন হিসেবে সুমি ও রুবেল নামে দুজনকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। ঘটনার রহস্য উদঘাটনে আটককৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এ ঘটনায় একটি হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
বাংলা স্কুপ/প্রতিনিধি/এইচএইচ/এসকে