ভারতীয় ধনকুবের গৌতম আদানি ও তার ভাতিজা সাগর আদানির বিরুদ্ধে আনা সব ফৌজদারি অভিযোগ স্থায়ীভাবে প্রত্যাহার করে নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ।
পিটিআই লিখেছে, অভিযোগগুলোর পক্ষে যথেষ্ট প্রমাণ নেই—কৌঁসুলিরা এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর পর নিউ ইয়র্কের বহুল আলোচিত সিকিউরিটিজ এবং তারবার্তা জালিয়াতির মামলার পুরো অবসান ঘটল। এসব মামলা দেখভাল করছিল যুক্তরাষ্ট্রের একাধিক নিয়ন্ত্রক ও তদন্ত সংস্থা।
গত সপ্তাহে মার্কিন সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন ভারতে সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পে বিনিয়োগকারীদের দেওয়া তথ্য (ডিসক্লোজার) নিয়ে দুজনের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ মীমাংসা করতে রাজি হয়। আদালতের নথি অনুযায়ী, দোষ স্বীকার বা অস্বীকার না করেই গৌতম আদানি ৬০ লাখ ডলার এবং সাগর আদানি এক কোটি ২০ লাখ ডলার দিতে সম্মত হন।
এরপর আদানি গ্রুপের বিরুদ্ধে ইরান থেকে এলপিজি আমদানির ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলে নেয় মার্কিন ট্রেজারি বিভাগের বিদেশি সম্পদ নিয়ন্ত্রণ বিভাগ।
ভারতীয় শিল্পগোষ্ঠীটি তদন্তে ‘সহযোগিতা’ এবং ‘স্বপ্রণোদিত’ তথ্য প্রকাশের পাশাপাশি ২৭ কোটি ৫০ লাখ ডলার জরিমানা দিতে সম্মত হওয়ার পর এই রফা হয়।
এবার নিউ ইয়র্কের ইস্টার্ন ডিস্ট্রিক্টের কৌঁসুলিরা গৌতম আদানি এবং তার ভাতিজা সাগর আদানির বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ প্রত্যাহার করে নিলেন।
আদালতের কাছে পেশ করা আবেদনে মার্কিন বিচার বিভাগ আদানির বিরুদ্ধে আনা অভিযোগপত্র স্থায়ীভাবে খারিজ করার আবেদন জানায়।
সেখানে বলা হয়, বিচার বিভাগ এ মামলা পর্যালোচনা করেছে এবং বিচারিক বিবেচনায় আসামিদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি অভিযোগের পেছনে আর কোনো সম্পদ বা শ্রম ব্যয় না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এরপর আদালত আদানি ও অন্যদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ স্থায়ীভাবে খারিজের আদেশ দেয়।
পিটিআই লিখেছে, এ মামলা বন্ধ হওয়াকে একটি নাটকীয় মোড় হিসেবে দেখা হচ্ছে, যা আদানি গ্রুপের বিশ্বজুড়ে সম্প্রসারণ পরিকল্পনাকে ব্যাহত করার হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছিল।
২০২৪ সালের শেষদিকে দায়ের করা এসইসি ও মার্কিন বিচার বিভাগের মামলাগুলোতে অভিযোগ করা হয়, সৌরবিদ্যুৎ চুক্তি নিশ্চিত করতে আদানিরা ভারতীয় কর্মকর্তাদের ২৬ কোটি ৫০ লাখ মার্কিন ডলার ঘুষ দেওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন। তহবিল সংগ্রহের সময় এ বিষয়টি মার্কিন বিনিয়োগকারী ও ঋণদাতাদের কাছে তারা গোপন রেখেছিলেন।
অভিযোগ খারিজে যে আদেশে এসেছে, তার অর্থ হল, আর কখনোই এসব অভিযোগ আর তোলা হবে না।
মার্কিন ফৌজদারি কার্যবিধিতে এই ধরনের খারিজ হওয়ার ঘটনা বেশ বিরল এবং এর সাধারণ অর্থ হল, বিস্তৃত পর্যালোচনার পর মামলা চালিয়ে যাওয়ার আর কোনো যৌক্তিকতা মেলেনি।
এ বিষয়ে অবগত ব্যক্তিদের মতে, কৌঁসুলিরা স্পষ্ট কোনো মার্কিন যোগসূত্র না পাওয়ায় এবং অভিযোগগুলো টিকিয়ে রাখার জন্য পর্যাপ্ত প্রমাণ না থাকায় মামলা আদানির পক্ষে চলে যায়। মার্কিন কৌঁসুলি ও আদানির পক্ষে গঠিত একটি শক্তিশালী আইনজীবী দলের মধ্যে কয়েক মাসের আলোচনার পর এই সিদ্ধান্ত এসেছে।
‘সুলিভান অ্যান্ড ক্রমওয়েল’এর পাঁচজন মার্কিন আইনি পরামর্শদাতার পাশাপাশি ল ফার্ম নিক্সন পিবডি, হেকার ফিঙ্ক, নর্টন রোজ ফুলব্রাইট ব্রেসওয়েল পর্যালোচনা প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে মার্কিন কর্তৃপক্ষের কাছে ধারাবাহিক আবেদন ও উপস্থাপনা পেশ করে।
এই পর্যালোচনায় গৌতম ও সাগর আদানির বিরুদ্ধে অভিযোগ টিকিয়ে রাখার মত কোনো উপাদান মেলেনি। ফলে বিচার বিভাগ মীমাংসার পথে হাঁটে।
পিটিআই লিখেছে, গত ২৭ এপ্রিল প্রকাশ্যে আসা নিউ ইয়র্কের ইস্টার্ন ডিস্ট্রিক্টের জেলা আদালতের নথি অনুযায়ী, আদানির আইনজীবীরা মার্কিন এসইসির প্রতারণা-সংক্রান্ত অভিযোগের তীব্র বিরোধিতা করেন।
তারা এসইসির উদ্যোগকে মার্কিন সিকিউরিটিজ আইনের ‘সীমার বাইরে গিয়ে অন্য দেশের ওপর অননুমোদিত হস্তক্ষেপ’হিসেবে বর্ণনা করেন।
বিবাদীপক্ষ যুক্তি দেখায়, এই মামলায় এমন সিকিউরিটিজকে জড়ানো হয়েছে, যা যুক্তরাষ্ট্রের স্টক এক্সচেঞ্জে লেনদেন হয় না এবং কথিত ওই ঘুষের ঘটনা ‘কেবলই ভারতে’ ঘটেছে।
বিবাদীপক্ষের আবেদনে ছিল, এ মামলা চালাতে ‘প্রয়োজনীয় এখতিয়ারের অভাব’আছে এসইসির। আদানিরা বিনিয়োগকারীদের ভুল তথ্য দিয়েছিল বলে যে অভিযোগ করা হয়েছে, তা প্রমাণ করতেও এসইসি ব্যর্থ হয়েছে এবং বন্ড অফারিংয়ের সঙ্গে কোনো বিবাদীর যোগসূত্র তারা প্রমাণ করতে পারেনি।
আইনজীবীরা দাবি করেন, এসইসি কথিত ঘুষ-বিরোধী অভিযোগগুলোকে সিকিউরিটিজ জালিয়াতির অভিযোগে রূপান্তর করেছে।
আবেদনে এও বলা হয়, সেখানে কোনো বিনিয়োগকারীর ক্ষতি হয়নি, সমস্ত বন্ডের বাধ্যবাধকতা পূরণ করা হয়েছে এবং গৌতম আদানি নিজে বন্ড ইস্যু করার কোনো অনুমোদন দেননি।
পিটিআই লিখেছে, বিদেশে ঘটে যাওয়া কোনো ঘটনাকে লক্ষ্যবস্তু করতে কৌঁসুলিরা সিকিউরিটিজ আইনের পরিধি জোর করে বাড়িয়েছেন কি না তা নিয়ে আইনি বিশেষজ্ঞদের তরফে মামলাটি ক্রমবর্ধমান যাচাই-বাছাইয়ের মুখোমুখি হয়েছিল।
গৌতম আদানি, সাগর আদানি ও বিনীত জৈনের বিরুদ্ধে কেবল সিকিউরিটিজ এবং তারবার্তা জালিয়াতি বিধির অধীনে অভিযোগ আনা হয়েছিল। অন্যদের বিরুদ্ধে বিদেশি দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনে ঘুষের অভিযোগ বা বিচারিক কাজে বাধা দেওয়ার মত অভিযোগ আনা হয়েছিল।
আদানি গ্রুপ শুরু থেকেই সব অভিযোগ অস্বীকার করে আসছিল। কোম্পানির দাবি ছিল, তারা সব নিয়মকানুন মেনেই ‘সততার সঙ্গে’ ব্যবসা চালায় এবং আইনি লড়াইয়ের মাধ্যমেই তারা অভিযোগের মোকাবিলা করবে।
আদানি ও অন্যদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগের তফাত এবং পুরো ঘটনার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সরাসরি কোনো যোগসূত্র না থাকায় যুক্তরাষ্ট্র সরকারের আইনি পদক্ষেপ নিয়ে অনেকেই অসন্তোষ প্রকাশ করেন।
যুক্তরাষ্ট্রের এসইসির সাবেক কমিশনার লরা উঙ্গার বলেন, মার্কিন কর্তৃপক্ষ এমন ঘুষের অভিযোগের ওপর নির্ভর করে শেয়ারবাজার জালিয়াতি মামলার ভিত্তি তৈরির চেষ্টা করেছে, যা খোদ ভারতেই কখনো প্রমাণিত হয়নি বা সেখানে কোনো আনুষ্ঠানিক তদন্তও হয়নি।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচএইচ/এসকে
পিটিআই লিখেছে, অভিযোগগুলোর পক্ষে যথেষ্ট প্রমাণ নেই—কৌঁসুলিরা এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর পর নিউ ইয়র্কের বহুল আলোচিত সিকিউরিটিজ এবং তারবার্তা জালিয়াতির মামলার পুরো অবসান ঘটল। এসব মামলা দেখভাল করছিল যুক্তরাষ্ট্রের একাধিক নিয়ন্ত্রক ও তদন্ত সংস্থা।
গত সপ্তাহে মার্কিন সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন ভারতে সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পে বিনিয়োগকারীদের দেওয়া তথ্য (ডিসক্লোজার) নিয়ে দুজনের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ মীমাংসা করতে রাজি হয়। আদালতের নথি অনুযায়ী, দোষ স্বীকার বা অস্বীকার না করেই গৌতম আদানি ৬০ লাখ ডলার এবং সাগর আদানি এক কোটি ২০ লাখ ডলার দিতে সম্মত হন।
এরপর আদানি গ্রুপের বিরুদ্ধে ইরান থেকে এলপিজি আমদানির ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলে নেয় মার্কিন ট্রেজারি বিভাগের বিদেশি সম্পদ নিয়ন্ত্রণ বিভাগ।
ভারতীয় শিল্পগোষ্ঠীটি তদন্তে ‘সহযোগিতা’ এবং ‘স্বপ্রণোদিত’ তথ্য প্রকাশের পাশাপাশি ২৭ কোটি ৫০ লাখ ডলার জরিমানা দিতে সম্মত হওয়ার পর এই রফা হয়।
এবার নিউ ইয়র্কের ইস্টার্ন ডিস্ট্রিক্টের কৌঁসুলিরা গৌতম আদানি এবং তার ভাতিজা সাগর আদানির বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ প্রত্যাহার করে নিলেন।
আদালতের কাছে পেশ করা আবেদনে মার্কিন বিচার বিভাগ আদানির বিরুদ্ধে আনা অভিযোগপত্র স্থায়ীভাবে খারিজ করার আবেদন জানায়।
সেখানে বলা হয়, বিচার বিভাগ এ মামলা পর্যালোচনা করেছে এবং বিচারিক বিবেচনায় আসামিদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি অভিযোগের পেছনে আর কোনো সম্পদ বা শ্রম ব্যয় না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এরপর আদালত আদানি ও অন্যদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ স্থায়ীভাবে খারিজের আদেশ দেয়।
পিটিআই লিখেছে, এ মামলা বন্ধ হওয়াকে একটি নাটকীয় মোড় হিসেবে দেখা হচ্ছে, যা আদানি গ্রুপের বিশ্বজুড়ে সম্প্রসারণ পরিকল্পনাকে ব্যাহত করার হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছিল।
২০২৪ সালের শেষদিকে দায়ের করা এসইসি ও মার্কিন বিচার বিভাগের মামলাগুলোতে অভিযোগ করা হয়, সৌরবিদ্যুৎ চুক্তি নিশ্চিত করতে আদানিরা ভারতীয় কর্মকর্তাদের ২৬ কোটি ৫০ লাখ মার্কিন ডলার ঘুষ দেওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন। তহবিল সংগ্রহের সময় এ বিষয়টি মার্কিন বিনিয়োগকারী ও ঋণদাতাদের কাছে তারা গোপন রেখেছিলেন।
অভিযোগ খারিজে যে আদেশে এসেছে, তার অর্থ হল, আর কখনোই এসব অভিযোগ আর তোলা হবে না।
মার্কিন ফৌজদারি কার্যবিধিতে এই ধরনের খারিজ হওয়ার ঘটনা বেশ বিরল এবং এর সাধারণ অর্থ হল, বিস্তৃত পর্যালোচনার পর মামলা চালিয়ে যাওয়ার আর কোনো যৌক্তিকতা মেলেনি।
এ বিষয়ে অবগত ব্যক্তিদের মতে, কৌঁসুলিরা স্পষ্ট কোনো মার্কিন যোগসূত্র না পাওয়ায় এবং অভিযোগগুলো টিকিয়ে রাখার জন্য পর্যাপ্ত প্রমাণ না থাকায় মামলা আদানির পক্ষে চলে যায়। মার্কিন কৌঁসুলি ও আদানির পক্ষে গঠিত একটি শক্তিশালী আইনজীবী দলের মধ্যে কয়েক মাসের আলোচনার পর এই সিদ্ধান্ত এসেছে।
‘সুলিভান অ্যান্ড ক্রমওয়েল’এর পাঁচজন মার্কিন আইনি পরামর্শদাতার পাশাপাশি ল ফার্ম নিক্সন পিবডি, হেকার ফিঙ্ক, নর্টন রোজ ফুলব্রাইট ব্রেসওয়েল পর্যালোচনা প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে মার্কিন কর্তৃপক্ষের কাছে ধারাবাহিক আবেদন ও উপস্থাপনা পেশ করে।
এই পর্যালোচনায় গৌতম ও সাগর আদানির বিরুদ্ধে অভিযোগ টিকিয়ে রাখার মত কোনো উপাদান মেলেনি। ফলে বিচার বিভাগ মীমাংসার পথে হাঁটে।
পিটিআই লিখেছে, গত ২৭ এপ্রিল প্রকাশ্যে আসা নিউ ইয়র্কের ইস্টার্ন ডিস্ট্রিক্টের জেলা আদালতের নথি অনুযায়ী, আদানির আইনজীবীরা মার্কিন এসইসির প্রতারণা-সংক্রান্ত অভিযোগের তীব্র বিরোধিতা করেন।
তারা এসইসির উদ্যোগকে মার্কিন সিকিউরিটিজ আইনের ‘সীমার বাইরে গিয়ে অন্য দেশের ওপর অননুমোদিত হস্তক্ষেপ’হিসেবে বর্ণনা করেন।
বিবাদীপক্ষ যুক্তি দেখায়, এই মামলায় এমন সিকিউরিটিজকে জড়ানো হয়েছে, যা যুক্তরাষ্ট্রের স্টক এক্সচেঞ্জে লেনদেন হয় না এবং কথিত ওই ঘুষের ঘটনা ‘কেবলই ভারতে’ ঘটেছে।
বিবাদীপক্ষের আবেদনে ছিল, এ মামলা চালাতে ‘প্রয়োজনীয় এখতিয়ারের অভাব’আছে এসইসির। আদানিরা বিনিয়োগকারীদের ভুল তথ্য দিয়েছিল বলে যে অভিযোগ করা হয়েছে, তা প্রমাণ করতেও এসইসি ব্যর্থ হয়েছে এবং বন্ড অফারিংয়ের সঙ্গে কোনো বিবাদীর যোগসূত্র তারা প্রমাণ করতে পারেনি।
আইনজীবীরা দাবি করেন, এসইসি কথিত ঘুষ-বিরোধী অভিযোগগুলোকে সিকিউরিটিজ জালিয়াতির অভিযোগে রূপান্তর করেছে।
আবেদনে এও বলা হয়, সেখানে কোনো বিনিয়োগকারীর ক্ষতি হয়নি, সমস্ত বন্ডের বাধ্যবাধকতা পূরণ করা হয়েছে এবং গৌতম আদানি নিজে বন্ড ইস্যু করার কোনো অনুমোদন দেননি।
পিটিআই লিখেছে, বিদেশে ঘটে যাওয়া কোনো ঘটনাকে লক্ষ্যবস্তু করতে কৌঁসুলিরা সিকিউরিটিজ আইনের পরিধি জোর করে বাড়িয়েছেন কি না তা নিয়ে আইনি বিশেষজ্ঞদের তরফে মামলাটি ক্রমবর্ধমান যাচাই-বাছাইয়ের মুখোমুখি হয়েছিল।
গৌতম আদানি, সাগর আদানি ও বিনীত জৈনের বিরুদ্ধে কেবল সিকিউরিটিজ এবং তারবার্তা জালিয়াতি বিধির অধীনে অভিযোগ আনা হয়েছিল। অন্যদের বিরুদ্ধে বিদেশি দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনে ঘুষের অভিযোগ বা বিচারিক কাজে বাধা দেওয়ার মত অভিযোগ আনা হয়েছিল।
আদানি গ্রুপ শুরু থেকেই সব অভিযোগ অস্বীকার করে আসছিল। কোম্পানির দাবি ছিল, তারা সব নিয়মকানুন মেনেই ‘সততার সঙ্গে’ ব্যবসা চালায় এবং আইনি লড়াইয়ের মাধ্যমেই তারা অভিযোগের মোকাবিলা করবে।
আদানি ও অন্যদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগের তফাত এবং পুরো ঘটনার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সরাসরি কোনো যোগসূত্র না থাকায় যুক্তরাষ্ট্র সরকারের আইনি পদক্ষেপ নিয়ে অনেকেই অসন্তোষ প্রকাশ করেন।
যুক্তরাষ্ট্রের এসইসির সাবেক কমিশনার লরা উঙ্গার বলেন, মার্কিন কর্তৃপক্ষ এমন ঘুষের অভিযোগের ওপর নির্ভর করে শেয়ারবাজার জালিয়াতি মামলার ভিত্তি তৈরির চেষ্টা করেছে, যা খোদ ভারতেই কখনো প্রমাণিত হয়নি বা সেখানে কোনো আনুষ্ঠানিক তদন্তও হয়নি।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচএইচ/এসকে