চাঁপাইনবাবগঞ্জের অন্যতম যোগাযোগ মাধ্যম বীরশ্রেষ্ঠ শহিদ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর সেতু। যা স্থানীয়ভাবে মহানন্দা সেতু নামে পরিচিত। দীর্ঘদিন ধরে এ সেতুর টোল প্রত্যাহারের দাবিতে চলা আন্দোলন এবার নতুন মাত্রা পেয়েছে। পূর্বঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে সোমবার (১৮ মে) সড়ক ভবন ঘেরাও ও মহানন্দা সেতুর ওপর সড়ক অবরোধ কর্মসূচি পালন করেছেন আন্দোলনকারীরা।
সোমবার (১৮ মে) সকাল ৯টায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ নাগরিক অধিকার আদায় কমিটির ব্যানারে প্রথমে শান্তিপূর্ণভাবে সড়ক ভবন ঘেরাও কর্মসূচি পালন করা হয়। পরে আন্দোলনকারীরা মহানন্দা সেতুর ওপর অবস্থান নিয়ে প্রায় আধাঘণ্টা সড়ক অবরোধ করেন। এতে কিছু সময়ের জন্য যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
এ সময় পরিবহন শ্রমিক, চালক, মালিক, ব্যবসায়ী, সাধারণ যাত্রীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ কর্মসূচিতে অংশ নেন। দাবি আদায়ে বিভিন্ন স্লোগান দেন আন্দোলনকারীরা। কর্মসূচিতে বক্তারা বলেন, ১৯৯৩ সালে চালুর পর থেকে প্রায় তিন যুগ ধরে মহানন্দা সেতুতে টোল আদায় করা হচ্ছে। একই জেলার মানুষের কাছ থেকে বছরের পর বছর টোল আদায়কে তারা বৈষম্যমূলক বলে দাবি করেন। তাদের অভিযোগ, প্রতিদিন সাধারণ মানুষ, পরিবহন চালক ও ব্যবসায়ীদের অতিরিক্ত অর্থনৈতিক চাপ বহন করতে হচ্ছে। পাশাপাশি টোল প্লাজায় যানজট সৃষ্টি হয়ে সময় নষ্ট ও জনভোগান্তিও বাড়ছে।
বক্তারা আরও অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে টোল প্রত্যাহারের দাবি জানানো হলেও প্রশাসনের দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা বিষয়টিকে গুরুত্ব দিচ্ছেন না। বরং সম্প্রতি টোলের হার বাড়িয়ে নতুন করে ইজারা বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করায় জনমনে আরও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।
আন্দোলনকারীরা আরও জানান, আগামী ৩০মে পর্যন্ত নতুন ইজারা বিজ্ঞপ্তির সময় রয়েছে। এরমধ্যে ইজারা বিজ্ঞপ্তি বাতিল, অন্তত টু-হুইলার ও থ্রি-হুইলার যানবাহনের টোল আদায় প্রত্যাহার না করা হলে ধারাবাহিক আন্দোলন চালিয়ে যাওয়া হবে। একইসঙ্গে দ্রুত টোল প্রত্যাহারের ঘোষণা না এলে ভবিষ্যতে আরও কঠোর কর্মসূচি দেয়ারও হুঁশিয়ারি দেন বক্তারা। পরে জনভোগান্তির কথা বিবেচনা করে আধাঘণ্টা পর সড়ক অবরোধ প্রত্যাহার করে নেন আন্দোলনের নেতারা।
আন্দোলনকারীরা জানান, টোল প্রত্যাহারের দাবিতে তারা দীর্ঘদিন ধরে ধারাবাহিক কর্মসূচি চালিয়ে আসছেন। এর আগে স্মারকলিপি প্রদান, মানববন্ধন, ডিসি অফিস ঘেরাওসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন
সোমবার (১৮ মে) সকাল ৯টায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ নাগরিক অধিকার আদায় কমিটির ব্যানারে প্রথমে শান্তিপূর্ণভাবে সড়ক ভবন ঘেরাও কর্মসূচি পালন করা হয়। পরে আন্দোলনকারীরা মহানন্দা সেতুর ওপর অবস্থান নিয়ে প্রায় আধাঘণ্টা সড়ক অবরোধ করেন। এতে কিছু সময়ের জন্য যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
এ সময় পরিবহন শ্রমিক, চালক, মালিক, ব্যবসায়ী, সাধারণ যাত্রীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ কর্মসূচিতে অংশ নেন। দাবি আদায়ে বিভিন্ন স্লোগান দেন আন্দোলনকারীরা। কর্মসূচিতে বক্তারা বলেন, ১৯৯৩ সালে চালুর পর থেকে প্রায় তিন যুগ ধরে মহানন্দা সেতুতে টোল আদায় করা হচ্ছে। একই জেলার মানুষের কাছ থেকে বছরের পর বছর টোল আদায়কে তারা বৈষম্যমূলক বলে দাবি করেন। তাদের অভিযোগ, প্রতিদিন সাধারণ মানুষ, পরিবহন চালক ও ব্যবসায়ীদের অতিরিক্ত অর্থনৈতিক চাপ বহন করতে হচ্ছে। পাশাপাশি টোল প্লাজায় যানজট সৃষ্টি হয়ে সময় নষ্ট ও জনভোগান্তিও বাড়ছে।
বক্তারা আরও অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে টোল প্রত্যাহারের দাবি জানানো হলেও প্রশাসনের দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা বিষয়টিকে গুরুত্ব দিচ্ছেন না। বরং সম্প্রতি টোলের হার বাড়িয়ে নতুন করে ইজারা বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করায় জনমনে আরও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।
আন্দোলনকারীরা আরও জানান, আগামী ৩০মে পর্যন্ত নতুন ইজারা বিজ্ঞপ্তির সময় রয়েছে। এরমধ্যে ইজারা বিজ্ঞপ্তি বাতিল, অন্তত টু-হুইলার ও থ্রি-হুইলার যানবাহনের টোল আদায় প্রত্যাহার না করা হলে ধারাবাহিক আন্দোলন চালিয়ে যাওয়া হবে। একইসঙ্গে দ্রুত টোল প্রত্যাহারের ঘোষণা না এলে ভবিষ্যতে আরও কঠোর কর্মসূচি দেয়ারও হুঁশিয়ারি দেন বক্তারা। পরে জনভোগান্তির কথা বিবেচনা করে আধাঘণ্টা পর সড়ক অবরোধ প্রত্যাহার করে নেন আন্দোলনের নেতারা।
আন্দোলনকারীরা জানান, টোল প্রত্যাহারের দাবিতে তারা দীর্ঘদিন ধরে ধারাবাহিক কর্মসূচি চালিয়ে আসছেন। এর আগে স্মারকলিপি প্রদান, মানববন্ধন, ডিসি অফিস ঘেরাওসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন