সংযুক্ত আরব আমিরাতের একটি পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে ড্রোন হামলার পর এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য সামরিক পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা করবেন, এমন সম্ভাবনাকে সামনে রেখে তেলের মূল্য আরও বেড়ে দুই সপ্তাহের মধ্যে সর্বোচ্চ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
সোমবার (১৮ মে) ব্রেন্টের অপরিশোধিত তেলের মূল্য ব্যারেল প্রতি ২ দশমিক ৩ ডলার বা এক দশমিক ৮৬ শতাংশ বেড়ে ০২২০ জিএমটিতে ১১১ দশমিক ২৯ ডলারে দাঁড়ায়। এর আগে এক পর্যায়ে মূল্য ১১২ ডলার পর্যন্ত উঠে গিয়েছিল, যা ৫ মে-র পর থেকে সর্বোচ্চ।
যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমেডিয়েট ক্রুড এর মূল্য ব্যারেল প্রতি ২ দশমিক ৩১ ডলার বা ২ দশমিক ১৯ শতাংশ বেড়ে ১০৭ দশমিক ৭৩ ডলারে দাঁড়িয়েছে। এক পর্যায়ে এটি ১০৮ দশমিক ৭ ডলার পর্যন্ত উঠে গিয়েছিল, যা ৩০ এপ্রিলের পর থেকে সর্বোচ্চ।
জুন মাসে তেল সরবরাহের জন্য করা এই ফিউচার চুক্তিটির মেয়াদ মঙ্গলবার (১৯ মে) শেষ হবে বলে জানিয়েছে রয়টার্স।
একটি শান্তি চুক্তি হবে আর তাতে হরমুজ প্রণালির আশপাশে জাহাজে হামলা ও জব্দের ঘটনার অবসান হবে, এমন আশায় এই চুক্তির অধীনে সরবরাহ আদেশের পরিমাণ ৭ শতাংশেরও বেশি বেড়েছিল কিন্তু ওই আশা নিষ্প্রভ হয়ে গেছে।
গত সপ্তাহে ট্রাম্প ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের মধ্যে বৈঠক হলেও পশ্চিম এশিয়ার সংঘাত নিরসনে বেইজিং সাহায্য করবে বলে কোনো ইঙ্গিত মেলেনি।
শীর্ষস্থানীয় আর্থিক বাজার পূর্বাভাস ও অর্থনৈতিক পরামর্শক প্রতিষ্ঠান ‘প্রেস্টিজ ইকোনমিক্স’ এর জেসন শেনকার বলেছেন, “ইরানের সঙ্গে সংঘাত যত দীর্ঘায়িত হবে, দীর্ঘস্থায়ী তেলের দামের ক্ষতির ঝুঁকি তত বেশি হবে। এতে দীর্ঘ সময়ের জন্য সুদের হার উচ্চ থাকতে পারে যা প্রবৃদ্ধির ক্ষেত্রে দীর্ঘস্থায়ী নেতিবাচক ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।”
সংযুক্ত আরব আমিরাত ও সৌদি আরবে ড্রোন হামলা আর যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের হুমকি ধামকিতে সংঘাত আরও উস্কে ওঠার উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
আরব আমিরাতের (ইউএই) কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বারাকাহ পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে ড্রোন হামলা কোথা থেকে হয়েছে তা বের করতে তদন্ত চলছে। তারা আরও বলেছেন, আরব আমিরাতের এই ‘সন্ত্রাসী হামলার’ জবাব দেওয়ার পূর্ণ অধিকার রয়েছে।
ইরাকি আকাশসীমা থেকে সৌদি আরবে তিনটি ড্রোন হামলা চালানোর চেষ্টা হলেও তা প্রতিরোধ করেছে রিয়াদ। সৌদি আরব সতর্ক করে বলেছে, তাদের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা লঙ্ঘনের চেষ্টা হলে তারা প্রয়োজনীয় অভিযানের পদক্ষেপ নিয়ে জবাব দেবে।
আন্তর্জাতিক ব্রোকারেজ সংস্থা আইজি-র শীর্ষস্থানীয় বাজার বিশ্লেষক টনি সিকামোর বলেছেন, “এসব ড্রোন হামলা সুনির্দিষ্ট সতর্কবার্তা। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল, ইরানে ফের হামলা শুরু করলে পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের জ্বালানি ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতে ইরান ও ইরানের ছায়া বাহিনীগুলো আরও হামলা চালাতে পারে।”
মার্কিন সংবাদ মাধ্যম অ্যাক্সিওস জানিয়েছে, ইরানে সম্ভাব্য সামরিক পদক্ষেপগুলো কী হতে পারে তা নিয়ে মঙ্গলবার প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প শীর্ষ মার্কিন নিরাপত্তা উপদেষ্টাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচএইচ/এসকে
সোমবার (১৮ মে) ব্রেন্টের অপরিশোধিত তেলের মূল্য ব্যারেল প্রতি ২ দশমিক ৩ ডলার বা এক দশমিক ৮৬ শতাংশ বেড়ে ০২২০ জিএমটিতে ১১১ দশমিক ২৯ ডলারে দাঁড়ায়। এর আগে এক পর্যায়ে মূল্য ১১২ ডলার পর্যন্ত উঠে গিয়েছিল, যা ৫ মে-র পর থেকে সর্বোচ্চ।
যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমেডিয়েট ক্রুড এর মূল্য ব্যারেল প্রতি ২ দশমিক ৩১ ডলার বা ২ দশমিক ১৯ শতাংশ বেড়ে ১০৭ দশমিক ৭৩ ডলারে দাঁড়িয়েছে। এক পর্যায়ে এটি ১০৮ দশমিক ৭ ডলার পর্যন্ত উঠে গিয়েছিল, যা ৩০ এপ্রিলের পর থেকে সর্বোচ্চ।
জুন মাসে তেল সরবরাহের জন্য করা এই ফিউচার চুক্তিটির মেয়াদ মঙ্গলবার (১৯ মে) শেষ হবে বলে জানিয়েছে রয়টার্স।
একটি শান্তি চুক্তি হবে আর তাতে হরমুজ প্রণালির আশপাশে জাহাজে হামলা ও জব্দের ঘটনার অবসান হবে, এমন আশায় এই চুক্তির অধীনে সরবরাহ আদেশের পরিমাণ ৭ শতাংশেরও বেশি বেড়েছিল কিন্তু ওই আশা নিষ্প্রভ হয়ে গেছে।
গত সপ্তাহে ট্রাম্প ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের মধ্যে বৈঠক হলেও পশ্চিম এশিয়ার সংঘাত নিরসনে বেইজিং সাহায্য করবে বলে কোনো ইঙ্গিত মেলেনি।
শীর্ষস্থানীয় আর্থিক বাজার পূর্বাভাস ও অর্থনৈতিক পরামর্শক প্রতিষ্ঠান ‘প্রেস্টিজ ইকোনমিক্স’ এর জেসন শেনকার বলেছেন, “ইরানের সঙ্গে সংঘাত যত দীর্ঘায়িত হবে, দীর্ঘস্থায়ী তেলের দামের ক্ষতির ঝুঁকি তত বেশি হবে। এতে দীর্ঘ সময়ের জন্য সুদের হার উচ্চ থাকতে পারে যা প্রবৃদ্ধির ক্ষেত্রে দীর্ঘস্থায়ী নেতিবাচক ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।”
সংযুক্ত আরব আমিরাত ও সৌদি আরবে ড্রোন হামলা আর যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের হুমকি ধামকিতে সংঘাত আরও উস্কে ওঠার উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
আরব আমিরাতের (ইউএই) কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বারাকাহ পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে ড্রোন হামলা কোথা থেকে হয়েছে তা বের করতে তদন্ত চলছে। তারা আরও বলেছেন, আরব আমিরাতের এই ‘সন্ত্রাসী হামলার’ জবাব দেওয়ার পূর্ণ অধিকার রয়েছে।
ইরাকি আকাশসীমা থেকে সৌদি আরবে তিনটি ড্রোন হামলা চালানোর চেষ্টা হলেও তা প্রতিরোধ করেছে রিয়াদ। সৌদি আরব সতর্ক করে বলেছে, তাদের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা লঙ্ঘনের চেষ্টা হলে তারা প্রয়োজনীয় অভিযানের পদক্ষেপ নিয়ে জবাব দেবে।
আন্তর্জাতিক ব্রোকারেজ সংস্থা আইজি-র শীর্ষস্থানীয় বাজার বিশ্লেষক টনি সিকামোর বলেছেন, “এসব ড্রোন হামলা সুনির্দিষ্ট সতর্কবার্তা। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল, ইরানে ফের হামলা শুরু করলে পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের জ্বালানি ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতে ইরান ও ইরানের ছায়া বাহিনীগুলো আরও হামলা চালাতে পারে।”
মার্কিন সংবাদ মাধ্যম অ্যাক্সিওস জানিয়েছে, ইরানে সম্ভাব্য সামরিক পদক্ষেপগুলো কী হতে পারে তা নিয়ে মঙ্গলবার প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প শীর্ষ মার্কিন নিরাপত্তা উপদেষ্টাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচএইচ/এসকে