শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এক রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে চিকিৎসকের ওপর হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ ঘটনায় ইতোমধ্যে বিভিন্নস্থানে অভিযান চালিয়ে ৬ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এর আগে শনিবার (১৬ মে) সদর হাসপাতালের চিকিৎসক আকরাম এলাহী বাদী হয়ে ১১ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ৪৫ জনকে আসামি করে পালং মডেল থানায় মামলাটি দায়ের করেন।
এদিকে, চিকিৎসকের উপর হামলাকারীদের দ্রুত সময়ের মধ্যে গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন করেছে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসক, নার্স ও কর্মচারীরা। রোববার (১৭ মে) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে হাসপাতালের সামনে ঢাকা-েশরীয়তপুর মহাসড়কে মানববন্ধন করেন তারা। এ সময় হাসপাতালে সুষ্ঠু পরিবেশ, চিকিৎসকদের নিরাপত্তা ও হাসপাতাল এলাকায় আনসার সদস্য বৃদ্ধির দাবি জানান।
গত শুক্রবার (১৫ মে) রাতে রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে দায়িত্বরত এক চিকিৎসকের ওপর সংঘবদ্ধ হামলার ঘটনা ঘটে। এতে গুরুতর আহত হন জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. নাসির ইসলাম। পরে তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় শনিবার দুপুরে উন্নত চিকিৎসার জন্য এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকায় পাঠানো হয়।
সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, একদল হামলাকারী হাসপাতালের জরুরি বিভাগ থেকে ডা. নাসির ইসলামকে টেনে-হিঁচড়ে বের করে মারধর করছে। হাসপাতালের করিডোর, বাইরের সড়ক ও পাশের গলিতেও তাকে মারধর করতে দেখা যায়। হামলাকারীরা কিল-ঘুষির পাশাপাশি লাঠি ও ইট দিয়েও আঘাত করে। এতে তার মাথাসহ শরীরের বিভিন্নস্থানে গুরুতর জখম হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এগিয়ে গেলে ডিউটিরত আনসার সদস্যদের মারধর করা হয়।
হাসপাতাল ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার রাত ১০টার দিকে বুকের ব্যথা নিয়ে সদর উপজেলার বিলাসখান গ্রামের লাল মিয়া কাজীকে সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগে ভর্তি করা হয়। রোগীর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে রাত ১০টা ১৫ মিনিটের দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে ঢাকায় রেফার করেন। তবে পরিবারের সদস্যরা বন্ড সই দিয়ে রোগীকে রাতেই হাসপাতালে রেখে দেন। পরে রাত ১টার দিকে রোগীর মৃত্যু হলে স্বজনরা ক্ষিপ্ত হয়ে জরুরি বিভাগে হামলা ও ভাঙচুর চালায়। একপর্যায়ে দায়িত্বরত চিকিৎসক ডা. নাসির ইসলামের ওপর হামলা চালানো হয়।
এদিকে, ঘটনার খবর পেয়ে সকালে হাসপাতালে ছুটে যান স্থানীয় সংসদ সদস্য সাইদ আহমেদ, জেলা প্রশাসক তাহসিনা বেগম, পুলিশ সুপার রওনক জাহানসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। তারা আহত চিকিৎসকের খোঁজখবর নেন এবং দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দেন।
এ ব্যাপারে পুলিশ সুপার রওনক জাহান জানান, ঘটনার ভিডিও ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে। জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার প্রক্রিয়া চলছে।
জেলা প্রশাসক তাহসিনা বেগম জানান, হাসপাতালে এমন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তদন্ত সাপেক্ষে দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন
এদিকে, চিকিৎসকের উপর হামলাকারীদের দ্রুত সময়ের মধ্যে গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন করেছে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসক, নার্স ও কর্মচারীরা। রোববার (১৭ মে) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে হাসপাতালের সামনে ঢাকা-েশরীয়তপুর মহাসড়কে মানববন্ধন করেন তারা। এ সময় হাসপাতালে সুষ্ঠু পরিবেশ, চিকিৎসকদের নিরাপত্তা ও হাসপাতাল এলাকায় আনসার সদস্য বৃদ্ধির দাবি জানান।
গত শুক্রবার (১৫ মে) রাতে রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে দায়িত্বরত এক চিকিৎসকের ওপর সংঘবদ্ধ হামলার ঘটনা ঘটে। এতে গুরুতর আহত হন জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. নাসির ইসলাম। পরে তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় শনিবার দুপুরে উন্নত চিকিৎসার জন্য এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকায় পাঠানো হয়।
সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, একদল হামলাকারী হাসপাতালের জরুরি বিভাগ থেকে ডা. নাসির ইসলামকে টেনে-হিঁচড়ে বের করে মারধর করছে। হাসপাতালের করিডোর, বাইরের সড়ক ও পাশের গলিতেও তাকে মারধর করতে দেখা যায়। হামলাকারীরা কিল-ঘুষির পাশাপাশি লাঠি ও ইট দিয়েও আঘাত করে। এতে তার মাথাসহ শরীরের বিভিন্নস্থানে গুরুতর জখম হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এগিয়ে গেলে ডিউটিরত আনসার সদস্যদের মারধর করা হয়।
হাসপাতাল ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার রাত ১০টার দিকে বুকের ব্যথা নিয়ে সদর উপজেলার বিলাসখান গ্রামের লাল মিয়া কাজীকে সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগে ভর্তি করা হয়। রোগীর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে রাত ১০টা ১৫ মিনিটের দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে ঢাকায় রেফার করেন। তবে পরিবারের সদস্যরা বন্ড সই দিয়ে রোগীকে রাতেই হাসপাতালে রেখে দেন। পরে রাত ১টার দিকে রোগীর মৃত্যু হলে স্বজনরা ক্ষিপ্ত হয়ে জরুরি বিভাগে হামলা ও ভাঙচুর চালায়। একপর্যায়ে দায়িত্বরত চিকিৎসক ডা. নাসির ইসলামের ওপর হামলা চালানো হয়।
এদিকে, ঘটনার খবর পেয়ে সকালে হাসপাতালে ছুটে যান স্থানীয় সংসদ সদস্য সাইদ আহমেদ, জেলা প্রশাসক তাহসিনা বেগম, পুলিশ সুপার রওনক জাহানসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। তারা আহত চিকিৎসকের খোঁজখবর নেন এবং দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দেন।
এ ব্যাপারে পুলিশ সুপার রওনক জাহান জানান, ঘটনার ভিডিও ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে। জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার প্রক্রিয়া চলছে।
জেলা প্রশাসক তাহসিনা বেগম জানান, হাসপাতালে এমন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তদন্ত সাপেক্ষে দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন