৭০ বছরে প্রথমবারের মতো লোকসানের সম্মুখীন হলো জাপানের জনপ্রিয় গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান হোন্ডা। গত অর্থবছর শেষে প্রতিষ্ঠানটির লোকসানের পরিমাণ দাঁড়িয়েছিল ২৭০ কোটি ডলার।
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) প্রতিষ্ঠানটি আর্থিক ফলাফল প্রকাশ করে এ তথ্য জানায়। মূলত বৈদ্যুতিক গাড়ি ব্যবসার পুনর্গঠনে ৯০০ কোটি ডলারের বেশি ব্যয় হওয়ায় বড় ধাক্কা খেয়েছে কোম্পানিটি।
হোন্ডা জানায়, কোম্পানিটির ইভি-সংক্রান্ত লোকসান সব মিলিয়ে ১ হাজার ৬০০ কোটি ডলারে দাঁড়াতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, হোন্ডা সঠিক সময়ে সঠিক বাজার ধরতে পারেনি। এছাড়া সনি করপোরেশনের সঙ্গে যৌথভাবে গাড়ি তৈরির উদ্যোগ থেকেও সরে আসায় এত বড় লোকসান হয়েছে কোম্পানিটির।
হোন্ডার প্রধান নির্বাহী তোশিহিরো মিবে বলেন, ২০৩০ সালের মধ্যে নতুন গাড়ি বিক্রির পাঁচ ভাগের এক ভাগ ইভি হবে, এমন লক্ষ্যমাত্রা তারা বাতিল করেছে। পাশাপাশি ২০৪০ সালের মধ্যে সব গাড়িকে ইভিতে রূপান্তরের লক্ষ্য থেকেও সরে এসেছে প্রতিষ্ঠানটি। আগামী অর্থবছরেও ইভি খাতে ৫১২ বিলিয়ন ইয়েন লোকসানের আশঙ্কা করছে হোন্ডা।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচএইচ/এসকে
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) প্রতিষ্ঠানটি আর্থিক ফলাফল প্রকাশ করে এ তথ্য জানায়। মূলত বৈদ্যুতিক গাড়ি ব্যবসার পুনর্গঠনে ৯০০ কোটি ডলারের বেশি ব্যয় হওয়ায় বড় ধাক্কা খেয়েছে কোম্পানিটি।
হোন্ডা জানায়, কোম্পানিটির ইভি-সংক্রান্ত লোকসান সব মিলিয়ে ১ হাজার ৬০০ কোটি ডলারে দাঁড়াতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, হোন্ডা সঠিক সময়ে সঠিক বাজার ধরতে পারেনি। এছাড়া সনি করপোরেশনের সঙ্গে যৌথভাবে গাড়ি তৈরির উদ্যোগ থেকেও সরে আসায় এত বড় লোকসান হয়েছে কোম্পানিটির।
হোন্ডার প্রধান নির্বাহী তোশিহিরো মিবে বলেন, ২০৩০ সালের মধ্যে নতুন গাড়ি বিক্রির পাঁচ ভাগের এক ভাগ ইভি হবে, এমন লক্ষ্যমাত্রা তারা বাতিল করেছে। পাশাপাশি ২০৪০ সালের মধ্যে সব গাড়িকে ইভিতে রূপান্তরের লক্ষ্য থেকেও সরে এসেছে প্রতিষ্ঠানটি। আগামী অর্থবছরেও ইভি খাতে ৫১২ বিলিয়ন ইয়েন লোকসানের আশঙ্কা করছে হোন্ডা।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচএইচ/এসকে