সাবেক মন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী বলেছেন, আমি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দোসর ছিলাম, স্বাধীনতার যুদ্ধ করেছি। পাকিস্তান ভেঙেছি। তারই জন্য আজকে এখানে এসেছি।
রাজধানীর শাহবাগ থানার সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় জামিনে থাকা সাবেক এই মন্ত্রী আদালতে হাজিরা দিতে এসে এসব কথা বলেন।
আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বুধবার (১৩ মে) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানা তার এই হাজিরা মওকুফ করেন। তবে আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী বিচারককে জানান, এ মামলায় হাজিরা দিতে চান।
এসময় বিচারকের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘এভাবে বিচারব্যবস্থা চলতে পারে না। গত ৬ মাস আগে এ মামলায় আইনজীবীর মাধ্যমে হাজিরা দেওয়ার জন্য আবেদন করা হয়েছিল। আজকে এ আদেশ দিলেন।’
হাজিরা শেষে লতিফ সিদ্দিকী বলেন, ‘আমি আদালতে আসব, হাজিরা দেব। আমার আসতে ভালো লাগে, অভ্যাস হয়ে গেছে।’ এসময় বিচারক বলেন, ‘সেটা আপনার ইচ্ছে। আপনার আবেদন মঞ্জুর করা হয়েছে।’
হাজিরা শেষে তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, দেশে প্রকৃত আইনের শাসন আছে কিনা, তা এখানে (আদালত) আসলে দেখা যায়। একটা অনুভব হয়। সেই অনুভবকে জাগ্রত রাখতে এখানে আসি।
এদিন মামলাটি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল ও আসামিদের হাজিরার জন্য ছিল। তবে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শাহবাগ থানার উপপরিদর্শক তৌফিক হাসান আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করতে পারেননি। হাজিরা দিতে আদালতে আসেন লতিফ সিদ্দিকী। শুনানি শেষে আদালত আইনজীবীর মাধ্যমে হাজিরা দেওয়ার আবেদন মঞ্জুর করেন। লতিফ সিদ্দিকীর আইনজীবী গোলাম রাব্বানী বলেন, ফৌজদারি কার্যবিধি আইনে ২০৫ ধারায় এই মামলায় ব্যক্তিগত হাজিরা মওকুফের আবেদন করা হয়েছিল।
আদালত এই আবেদন মঞ্জুর করেছেন। তবে লতিফ সিদ্দিকী আদালতকে বলেছেন, তিনি সশরীরে আদালতে এসে হাজিরা দেবেন।
মামলার সূত্রে জানা গেছে, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস মুছে ফেলার গভীর ষড়যন্ত্র ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃতি বন্ধের লক্ষ্যে গত ৫ আগস্ট ‘মঞ্চ ৭১’ নামে একটি সংগঠনের আত্মপ্রকাশ ঘটে। এ সংগঠনের উদ্দেশ্য জাতির অর্জনকে মুছে ফেলার সব ষড়যন্ত্র প্রতিহত করতে বাংলাদেশের জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আত্মত্যাগের প্রস্তুতি নেয়া। প্রস্তুতির অংশ হিসেবে গত ২৮ আগস্ট সকাল ১০টায় একটি গোল টেবিল বৈঠকের আয়োজন করা হয়। সেগুনবাগিচায় সকাল ১১টায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) অনুষ্ঠান শুরু হয়। এর মধ্যেই একদল ব্যক্তি হট্টগোল করে স্লোগান দিয়ে সভাস্থলে ঢুকে পড়েন।
একপর্যায়ে তারা অনুষ্ঠানস্থলের দরজা বন্ধ করে দেন। অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া কয়েকজনকে লাঞ্ছিতও করেন। হট্টগোলকারীরা গোলটেবিল আলোচনার ব্যানার ছিঁড়ে ফেলেন এবং আলোচনায় অংশ নেওয়াদের অবরুদ্ধ করে রাখেন। এক পর্যায়ে অতিথিদের অনেককে বের করে দেওয়া হলেও আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী এবং অধ্যাপক শেখ হাফিজুর রহমানকে অবরুদ্ধ করে রাখেন তারা।
পরে পুলিশ এসে ১৬ জনকে আটক করে পুলিশ। এ ঘটনায় ২৯ আগস্ট রাজধানীর শাহবাগ থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করেন উপপরিদর্শক আমিরুল ইসলাম।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচএইচ/এসকে
রাজধানীর শাহবাগ থানার সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় জামিনে থাকা সাবেক এই মন্ত্রী আদালতে হাজিরা দিতে এসে এসব কথা বলেন।
আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বুধবার (১৩ মে) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানা তার এই হাজিরা মওকুফ করেন। তবে আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী বিচারককে জানান, এ মামলায় হাজিরা দিতে চান।
এসময় বিচারকের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘এভাবে বিচারব্যবস্থা চলতে পারে না। গত ৬ মাস আগে এ মামলায় আইনজীবীর মাধ্যমে হাজিরা দেওয়ার জন্য আবেদন করা হয়েছিল। আজকে এ আদেশ দিলেন।’
হাজিরা শেষে লতিফ সিদ্দিকী বলেন, ‘আমি আদালতে আসব, হাজিরা দেব। আমার আসতে ভালো লাগে, অভ্যাস হয়ে গেছে।’ এসময় বিচারক বলেন, ‘সেটা আপনার ইচ্ছে। আপনার আবেদন মঞ্জুর করা হয়েছে।’
হাজিরা শেষে তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, দেশে প্রকৃত আইনের শাসন আছে কিনা, তা এখানে (আদালত) আসলে দেখা যায়। একটা অনুভব হয়। সেই অনুভবকে জাগ্রত রাখতে এখানে আসি।
এদিন মামলাটি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল ও আসামিদের হাজিরার জন্য ছিল। তবে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শাহবাগ থানার উপপরিদর্শক তৌফিক হাসান আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করতে পারেননি। হাজিরা দিতে আদালতে আসেন লতিফ সিদ্দিকী। শুনানি শেষে আদালত আইনজীবীর মাধ্যমে হাজিরা দেওয়ার আবেদন মঞ্জুর করেন। লতিফ সিদ্দিকীর আইনজীবী গোলাম রাব্বানী বলেন, ফৌজদারি কার্যবিধি আইনে ২০৫ ধারায় এই মামলায় ব্যক্তিগত হাজিরা মওকুফের আবেদন করা হয়েছিল।
আদালত এই আবেদন মঞ্জুর করেছেন। তবে লতিফ সিদ্দিকী আদালতকে বলেছেন, তিনি সশরীরে আদালতে এসে হাজিরা দেবেন।
মামলার সূত্রে জানা গেছে, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস মুছে ফেলার গভীর ষড়যন্ত্র ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃতি বন্ধের লক্ষ্যে গত ৫ আগস্ট ‘মঞ্চ ৭১’ নামে একটি সংগঠনের আত্মপ্রকাশ ঘটে। এ সংগঠনের উদ্দেশ্য জাতির অর্জনকে মুছে ফেলার সব ষড়যন্ত্র প্রতিহত করতে বাংলাদেশের জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আত্মত্যাগের প্রস্তুতি নেয়া। প্রস্তুতির অংশ হিসেবে গত ২৮ আগস্ট সকাল ১০টায় একটি গোল টেবিল বৈঠকের আয়োজন করা হয়। সেগুনবাগিচায় সকাল ১১টায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) অনুষ্ঠান শুরু হয়। এর মধ্যেই একদল ব্যক্তি হট্টগোল করে স্লোগান দিয়ে সভাস্থলে ঢুকে পড়েন।
একপর্যায়ে তারা অনুষ্ঠানস্থলের দরজা বন্ধ করে দেন। অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া কয়েকজনকে লাঞ্ছিতও করেন। হট্টগোলকারীরা গোলটেবিল আলোচনার ব্যানার ছিঁড়ে ফেলেন এবং আলোচনায় অংশ নেওয়াদের অবরুদ্ধ করে রাখেন। এক পর্যায়ে অতিথিদের অনেককে বের করে দেওয়া হলেও আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী এবং অধ্যাপক শেখ হাফিজুর রহমানকে অবরুদ্ধ করে রাখেন তারা।
পরে পুলিশ এসে ১৬ জনকে আটক করে পুলিশ। এ ঘটনায় ২৯ আগস্ট রাজধানীর শাহবাগ থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করেন উপপরিদর্শক আমিরুল ইসলাম।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচএইচ/এসকে