ফেনীতে বাসচাপায় মোটরসাইকেল আরোহী বাবা ও ছেলের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আরও একজন আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (১২ মে) সকাল ১০টার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সদর উপজেলার হাফেজিয়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন- সোনাগাজী উপজেলার মঙ্গলকান্দি ইউনিয়নের রাজাপুর গ্রামের নুর আলম (৪৫) ও তার ছেলে নুর হাসনাত নীরব (২০)। নুর আলম দীর্ঘদিন ধরে ফেনী ডায়াবেটিস হাসপাতালের অ্যাম্বুলেন্সচালক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। দুর্ঘটনায় আহত তার ভাগনে আফজাল মিঠুকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ ও নিহতের স্বজনদের সূত্রে জানা যায়, ছেলে ও ভাগনেকে সঙ্গে নিয়ে মোটরসাইকেলে সদর উপজেলার ভাঙার তাকিয়া এলাকায় যাচ্ছিলেন নুর আলম। পথিমধ্যে দাউদকান্দি এক্সপ্রেস পরিবহনের দ্রুতগতির একটি বাস তাদের চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই নুর আলমের মৃত্যু হয়। স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় ছেলে নীরব ও ভাগনে আফজাল মিঠুকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে বারইয়ারহাট এলাকায় পৌঁছালে নিরবের মৃত্যু হয়।
নিহতের ভগ্নিপতি সাইদুল হক বলেন, আরেক ভগ্নিপতির বাড়ি যাওয়ার পথে এ দুর্ঘটনা ঘটে। সোমবার রাত ৮টা পর্যন্তও তিনি ডায়াবেটিস হাসপাতালে দায়িত্বে ছিলেন। আকস্মিক এ দুর্ঘটনায় বাবা ও একমাত্র ছেলের মৃত্যুতে সবাই শোকাহত।
ফেনী জেনারেল হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স মিতালী বলেন, আলম ভাই খুবই ভালো মানুষ ছিলেন। তার এমন মৃত্যু মেনে নেওয়া কঠিন। এ দুর্ঘটনায় একমাত্র সন্তানটিও মারা গেল। তাদের সান্ত্বনা দেওয়ার ভাষা নেই।
ফেনী জেলা অ্যাম্বুলেন্স মালিক-চালক কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক আবু বকর সিদ্দিক বলেন, সহকর্মী আলম ও তার ছেলের মৃত্যুর সংবাদে আমরা শোকাহত। খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক ফেনী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে এসেছি। আমাদের সংগঠনের পক্ষ থেকে পরিবারের পাশে দাঁড়ানো হবে।
মহিপাল হাইওয়ে থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসাদুল ইসলাম বলেন, নিহত দুজনের মরদেহ ফেনী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। দুর্ঘটনাকবলিত বাস ও মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়েছে। ঘটনার পরপরই বাসচালক পালিয়ে গেছেন। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এনআইএন
নিহতরা হলেন- সোনাগাজী উপজেলার মঙ্গলকান্দি ইউনিয়নের রাজাপুর গ্রামের নুর আলম (৪৫) ও তার ছেলে নুর হাসনাত নীরব (২০)। নুর আলম দীর্ঘদিন ধরে ফেনী ডায়াবেটিস হাসপাতালের অ্যাম্বুলেন্সচালক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। দুর্ঘটনায় আহত তার ভাগনে আফজাল মিঠুকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ ও নিহতের স্বজনদের সূত্রে জানা যায়, ছেলে ও ভাগনেকে সঙ্গে নিয়ে মোটরসাইকেলে সদর উপজেলার ভাঙার তাকিয়া এলাকায় যাচ্ছিলেন নুর আলম। পথিমধ্যে দাউদকান্দি এক্সপ্রেস পরিবহনের দ্রুতগতির একটি বাস তাদের চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই নুর আলমের মৃত্যু হয়। স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় ছেলে নীরব ও ভাগনে আফজাল মিঠুকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে বারইয়ারহাট এলাকায় পৌঁছালে নিরবের মৃত্যু হয়।
নিহতের ভগ্নিপতি সাইদুল হক বলেন, আরেক ভগ্নিপতির বাড়ি যাওয়ার পথে এ দুর্ঘটনা ঘটে। সোমবার রাত ৮টা পর্যন্তও তিনি ডায়াবেটিস হাসপাতালে দায়িত্বে ছিলেন। আকস্মিক এ দুর্ঘটনায় বাবা ও একমাত্র ছেলের মৃত্যুতে সবাই শোকাহত।
ফেনী জেনারেল হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স মিতালী বলেন, আলম ভাই খুবই ভালো মানুষ ছিলেন। তার এমন মৃত্যু মেনে নেওয়া কঠিন। এ দুর্ঘটনায় একমাত্র সন্তানটিও মারা গেল। তাদের সান্ত্বনা দেওয়ার ভাষা নেই।
ফেনী জেলা অ্যাম্বুলেন্স মালিক-চালক কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক আবু বকর সিদ্দিক বলেন, সহকর্মী আলম ও তার ছেলের মৃত্যুর সংবাদে আমরা শোকাহত। খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক ফেনী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে এসেছি। আমাদের সংগঠনের পক্ষ থেকে পরিবারের পাশে দাঁড়ানো হবে।
মহিপাল হাইওয়ে থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসাদুল ইসলাম বলেন, নিহত দুজনের মরদেহ ফেনী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। দুর্ঘটনাকবলিত বাস ও মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়েছে। ঘটনার পরপরই বাসচালক পালিয়ে গেছেন। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এনআইএন