ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে দেশটির সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির প্রথম একান্ত বৈঠকের বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেছে কুয়েতভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জারিদা। রোববার (১০ মে) প্রকাশিত এই প্রতিবেদন অনুযায়ী, দুই ঘণ্টার ওই বৈঠকে আঞ্চলিক নিরাপত্তা, পারমাণবিক কর্মসূচি এবং রাষ্ট্রীয় সংস্কারসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আলোচিত হয়।
খামেনি বৈঠকে গালফ অঞ্চলের কিছু দেশের বিরুদ্ধে অবস্থান বজায় রাখার ইঙ্গিত দেন। তার ভাষায়, 'শাসনব্যবস্থা যদি নিরাপদে টিকে থাকতে চায়, তবে পুরো অঞ্চলেই স্থিতিশীলতা থাকতে হবে না হলে কেউই নিরাপদ থাকবে না।' তবে তিনি একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েলের সহযোগিতা না করা দেশগুলোর বিরুদ্ধে হামলা বন্ধের দাবি নাকচ করেন।
তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শান্তি আলোচনার পক্ষে থাকলেও তা আঞ্চলিক যুদ্ধ বন্ধের শর্তে যুক্ত করেন এবং ফিলিস্তিন ইস্যুতে 'ন্যায়সঙ্গত সমাধানের' কথা বলেন। পারমাণবিক ইস্যুতে খামেনি ইরানের কর্মসূচি ভেঙে ফেলার বিরোধিতা করেন এবং সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম বিদেশে সরানোর প্রস্তাবও প্রত্যাখ্যান করেন। তার মতে, এটি ইরানের নিরাপত্তার জন্য অপরিহার্য।
তিনি আরও বলেন, ইরানকে 'লিবিয়া মডেল' এড়াতে হলে শেষ পর্যন্ত প্রতিরোধ বজায় রাখতে হবে। বৈঠকে তিনি রাষ্ট্রীয় দুর্নীতি দমন ও নিরাপত্তা বাহিনীতে কঠোর অভিযান চালানোর নির্দেশ দেন। দুর্নীতিবাজদের তিনি মোসাদের চেয়েও বেশি বিপদজনক বলে উল্লেখ করেন।
এছাড়া তিনি প্রশাসনিক সংস্কার, আঞ্চলিক ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং অ-পারসিয়ান জনগোষ্ঠীর অধিক অধিকার দেওয়ার পক্ষে মত দেন। একই সঙ্গে সীমিত সাধারণ ক্ষমা ও সামাজিক স্বাধীনতা বৃদ্ধির ইঙ্গিতও দেন। পেজেশকিয়ানের দপ্তরের এক ঘনিষ্ঠ সূত্র আল-জারিদাকে জানায়, বৈঠকটি অত্যন্ত কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে অনুষ্ঠিত হয় এবং পেজেশকিয়ানের যাত্রাপথে গোপন টানেল ও একাধিক নিরাপত্তা পরিবর্তনের ব্যবস্থা ছিল।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচএইচ/এসকে
খামেনি বৈঠকে গালফ অঞ্চলের কিছু দেশের বিরুদ্ধে অবস্থান বজায় রাখার ইঙ্গিত দেন। তার ভাষায়, 'শাসনব্যবস্থা যদি নিরাপদে টিকে থাকতে চায়, তবে পুরো অঞ্চলেই স্থিতিশীলতা থাকতে হবে না হলে কেউই নিরাপদ থাকবে না।' তবে তিনি একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েলের সহযোগিতা না করা দেশগুলোর বিরুদ্ধে হামলা বন্ধের দাবি নাকচ করেন।
তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শান্তি আলোচনার পক্ষে থাকলেও তা আঞ্চলিক যুদ্ধ বন্ধের শর্তে যুক্ত করেন এবং ফিলিস্তিন ইস্যুতে 'ন্যায়সঙ্গত সমাধানের' কথা বলেন। পারমাণবিক ইস্যুতে খামেনি ইরানের কর্মসূচি ভেঙে ফেলার বিরোধিতা করেন এবং সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম বিদেশে সরানোর প্রস্তাবও প্রত্যাখ্যান করেন। তার মতে, এটি ইরানের নিরাপত্তার জন্য অপরিহার্য।
তিনি আরও বলেন, ইরানকে 'লিবিয়া মডেল' এড়াতে হলে শেষ পর্যন্ত প্রতিরোধ বজায় রাখতে হবে। বৈঠকে তিনি রাষ্ট্রীয় দুর্নীতি দমন ও নিরাপত্তা বাহিনীতে কঠোর অভিযান চালানোর নির্দেশ দেন। দুর্নীতিবাজদের তিনি মোসাদের চেয়েও বেশি বিপদজনক বলে উল্লেখ করেন।
এছাড়া তিনি প্রশাসনিক সংস্কার, আঞ্চলিক ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং অ-পারসিয়ান জনগোষ্ঠীর অধিক অধিকার দেওয়ার পক্ষে মত দেন। একই সঙ্গে সীমিত সাধারণ ক্ষমা ও সামাজিক স্বাধীনতা বৃদ্ধির ইঙ্গিতও দেন। পেজেশকিয়ানের দপ্তরের এক ঘনিষ্ঠ সূত্র আল-জারিদাকে জানায়, বৈঠকটি অত্যন্ত কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে অনুষ্ঠিত হয় এবং পেজেশকিয়ানের যাত্রাপথে গোপন টানেল ও একাধিক নিরাপত্তা পরিবর্তনের ব্যবস্থা ছিল।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচএইচ/এসকে