​‘কলিজার টুকরাগো শেষ কইরা দিল, কী নিয়ে বাঁচমু রে আল্লাহ...’

আপলোড সময় : ১০-০৫-২০২৬ ০৬:৪৩:৪৮ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ১০-০৫-২০২৬ ০৬:৪৩:৪৮ অপরাহ্ন
গাজীপুরের কাপাসিয়ায় নৃশংস হত্যাকাণ্ডের শিকার একই পরিবারের পাঁচ সদস্যের জানাজা ও দাফন সম্পন্ন হয়েছে। নিহতরা হলো শারমিন আক্তার (৩০), তার ভাই রসুল মোল্লা (১৮) এবং শারমিনের তিন মেয়ে মিম আক্তার (১৪), উম্মে হাবিবা (১০) ও ফারিয়া (১ বছর ৪ মাস)।

রোববার (১০ মে) সকাল ১১টার দিকে গোপালগঞ্জের পাইককান্দি এলাকায় শোকাবহ পরিবেশে তাদের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে দুপুর ১২টার দিকে পাইককান্দি উত্তর চরপাড়া কবরস্থানে দাফন করা হয় মরদেহগুলো।

সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, মরদেহ বাড়িতে পৌঁছালে স্বজনদের আহাজারিতে পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। সন্তান ও নাতনিদের হারিয়ে বারবার মূর্ছা যান শারমিনের মা ফেরেজা বেগম (৬০)। বুক চাপড়ে কান্নাজড়িত কণ্ঠে তিনি বলেন, ‘আমার ছেলে-মেয়ে, নাতনিদের মাইরা ফ্যালাইছে। আমার কলিজার টুকরাগো শেষ কইরা দিল। আমি এখন কী নিয়ে বাঁচমু রে আল্লাহ...।’

তিনি আরো বলেন, ‘আমার বাজান গতকাল নতুন জামা-প্যান্ট কিনছিল। সেই জামা পরে হাসতে হাসতে বোনের বাড়ি গাজীপুর গেছে। কে জানত, ওই যাওয়াই শেষ যাওয়া! আমার রসুল আমার ছোট ছেলে, আমার বুকের ধন। তোরা আমার রসুলরে আইনা দে...’ এ কথা বলেই আবারও জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন তিনি।

উল্লেখ্য, শনিবার (৯ মে) ভোরে গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার রাউৎকোনা গ্রামে একটি ঘরে একই পরিবারের পাঁচজনকে গলা কেটে হত্যা করা হয়।

নিহত শারমিনের বাবা শাহাদত মোল্লা অভিযোগ করে বলেন, ‘আমার ছেলে, মেয়ে ও নাতনিদের ফোরকান হত্যা করেছে। ফোরকানসহ যারা এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত, তাদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও ফাঁসির দাবি জানাই।’

বাংলা স্কুপ/প্রতিনিধি/এইচএইচ/এসকে

সম্পাদক ও প্রকাশক :

মোঃ কামাল হোসেন

অফিস :

অফিস : ৬/২২, ইস্টার্ণ প্লাাজা (৬ তলা), কমার্শিয়াল কমপ্লেক্স, হাতিরপুল, ঢাকা।

ইমেইল :