প্রশ্ন: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের ব্যবহার দিন দিন বাড়ছে। মানুষ ছোট-বড় বিভিন্ন কাজে এআইয়ের সাহায্য নিচ্ছে, তথ্য সংগ্রহ করছে, জানার চেষ্টা করছে। ঠিক একইভাবে কেউ কেউ মাসআলা-মাসায়েল জানার জন্যও এআইয়ের শরণাপন্ন হচ্ছেন। প্রশ্ন হলো, এআই থেকে মাসআলা জেনে আমল করা যাবে কি না?
উত্তর: সাধারণ জ্ঞান বা জাগতিক তথ্য জানার ক্ষেত্রে এআই ব্যবহারে কোনো অসুবিধা নেই। এআইয়ের ব্যবহার বহুমুখী এবং শরিয়তসম্মত যে কোনো কাজে এটি ব্যবহার করা জায়েজ। তবে এআইয়ের মাধ্যমে যদি শরিয়তবিরোধী কোনো কাজ করা হয়, তাহলে সেটি নিষিদ্ধ হবে। সাধারণ তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করা বা শরিয়তের দৃষ্টিকোণ থেকে বৈধ কোনো কাজে এআই ব্যবহার করা জায়েজ।
কিন্তু যে কোনো গুরুত্বপূর্ণ তথ্যের ক্ষেত্রেই এআইয়ের ওপর পুরোপুরি নির্ভর করা যায় না। এআই যেমন সঠিক তথ্য দেয়, অনেক সময় ভুল তথ্যও দেয়। এআই কোনো তথ্য দিলে তা অন্য নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে যাচাই না করে নিশ্চিত হওয়া যায় না। কারণ এআই বা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স মূলত অনলাইনে যে তথ্য-উপাত্ত এভেইলেবল তা থেকে তথ্য সংগ্রহ করে এবং সেটি কাস্টমাইজ করে উপস্থাপন করে। আর অনলাইনে যেমন সঠিক তথ্য থাকে, অনেক ভুল তথ্যও থাকে।
তাই শরিয়তের মাসআলা-মাসায়েল, হালাল-হারামের বিষয়ে শুধুমাত্র এআইয়ের ওপর নির্ভর করা জায়েজ হবে না। এআইয়ের কাছে আপনি জানতে চাইতে পারেন, কিন্তু সেই তথ্য অবশ্যই ক্রস-চেক করতে হবে দক্ষ ওলামায়ে কেরামের মাধ্যমে অথবা কোরআন ও হাদিসের আলোকে যাচাই করে নিতে হবে।
জাগতিক কোনো তথ্য ভুল হলে যতটুকু ক্ষতি হয়, শরিয়তের কোনো বিধান জানতে বা মানতে গিয়ে ভুল হলে তার ক্ষতির মাত্রা অনেক বেশি হয়ে থাকে। সুনানে দারেমির একটি প্রসিদ্ধ বর্ণনায় ইমাম মুহাম্মাদ ইবনে সীরীন (রা.) বলেছেন, নিশ্চয়ই কোরআন-হাদিসের ইলম হলো দ্বীন। অতএব তোমরা লক্ষ্য করো, কার কাছ থেকে তোমাদের দ্বীন গ্রহণ করছ। অর্থাৎ নির্ভরযোগ্য সূত্র ছাড়া দ্বীন গ্রহণ করা যাবে না।
সুতরাং দ্বীনের বিধি-বিধান জানার ক্ষেত্রে আমাদের সচেতন ও সতর্ক হতে হবে। এ ক্ষেত্রে শুধুমাত্র এআইয়ের ওপর নির্ভরশীল হওয়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এনআইএন
উত্তর: সাধারণ জ্ঞান বা জাগতিক তথ্য জানার ক্ষেত্রে এআই ব্যবহারে কোনো অসুবিধা নেই। এআইয়ের ব্যবহার বহুমুখী এবং শরিয়তসম্মত যে কোনো কাজে এটি ব্যবহার করা জায়েজ। তবে এআইয়ের মাধ্যমে যদি শরিয়তবিরোধী কোনো কাজ করা হয়, তাহলে সেটি নিষিদ্ধ হবে। সাধারণ তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করা বা শরিয়তের দৃষ্টিকোণ থেকে বৈধ কোনো কাজে এআই ব্যবহার করা জায়েজ।
কিন্তু যে কোনো গুরুত্বপূর্ণ তথ্যের ক্ষেত্রেই এআইয়ের ওপর পুরোপুরি নির্ভর করা যায় না। এআই যেমন সঠিক তথ্য দেয়, অনেক সময় ভুল তথ্যও দেয়। এআই কোনো তথ্য দিলে তা অন্য নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে যাচাই না করে নিশ্চিত হওয়া যায় না। কারণ এআই বা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স মূলত অনলাইনে যে তথ্য-উপাত্ত এভেইলেবল তা থেকে তথ্য সংগ্রহ করে এবং সেটি কাস্টমাইজ করে উপস্থাপন করে। আর অনলাইনে যেমন সঠিক তথ্য থাকে, অনেক ভুল তথ্যও থাকে।
তাই শরিয়তের মাসআলা-মাসায়েল, হালাল-হারামের বিষয়ে শুধুমাত্র এআইয়ের ওপর নির্ভর করা জায়েজ হবে না। এআইয়ের কাছে আপনি জানতে চাইতে পারেন, কিন্তু সেই তথ্য অবশ্যই ক্রস-চেক করতে হবে দক্ষ ওলামায়ে কেরামের মাধ্যমে অথবা কোরআন ও হাদিসের আলোকে যাচাই করে নিতে হবে।
জাগতিক কোনো তথ্য ভুল হলে যতটুকু ক্ষতি হয়, শরিয়তের কোনো বিধান জানতে বা মানতে গিয়ে ভুল হলে তার ক্ষতির মাত্রা অনেক বেশি হয়ে থাকে। সুনানে দারেমির একটি প্রসিদ্ধ বর্ণনায় ইমাম মুহাম্মাদ ইবনে সীরীন (রা.) বলেছেন, নিশ্চয়ই কোরআন-হাদিসের ইলম হলো দ্বীন। অতএব তোমরা লক্ষ্য করো, কার কাছ থেকে তোমাদের দ্বীন গ্রহণ করছ। অর্থাৎ নির্ভরযোগ্য সূত্র ছাড়া দ্বীন গ্রহণ করা যাবে না।
সুতরাং দ্বীনের বিধি-বিধান জানার ক্ষেত্রে আমাদের সচেতন ও সতর্ক হতে হবে। এ ক্ষেত্রে শুধুমাত্র এআইয়ের ওপর নির্ভরশীল হওয়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এনআইএন