সুনামগঞ্জের ছাতকে জমি বিরোধ কেন্দ্র করে দুপক্ষের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে সুনামগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্যসহ অন্তত অর্ধশতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন। শুক্রবার (৮ মে) রাতে সুনামগঞ্জ-সিলেট মহাসড়কের জাউয়াবাজারে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। প্রায় আড়াই ঘণ্টাব্যাপী চলে এ সংঘর্ষ। এ সময় দেশীয় অস্ত্র নিয়ে রাতের অন্ধকারে টর্চলাইট জ্বালিয়ে সংঘর্ষে অংশ নেয় দুই গ্রামের মানুষ। এতে সুনামগঞ্জ-সিলেট মহাসড়কের উভয়পাশে শত শত যানবাহন আটকা পড়ে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জাউয়াবাজারসংলগ্ন খিদ্রাখাপন গ্রামের সাবেক ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান আফরোজ মিয়ার কাছ থেকে প্রায় এক বছর আগে কিছু জমি কেনেন ওই এলাকার কোনাপাড়ার বাসিন্দা মোহাম্মদ আলী। দীর্ঘদিন ধরে তাগিদ দেওয়ার পরও জমির রেজিস্ট্রি সম্পন্ন হয়নি। এ নিয়ে দুইদিন আগে আফরোজ মিয়াকে গালিগালাজ করেন মোহাম্মদ আলী। পরে বিষয়টিকে কেন্দ্র করে জাউয়া বাজারে আফরোজ মিয়ার লোকজনের সঙ্গে মোহাম্মদ আলীর লোকজনের হাতাহাতি ও মারধরের ঘটনা ঘটে। এর জেরে বৃহস্পতিবার বিকালেও উভয়পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পালটাধাওয়ার ঘটনা ঘটে। শুক্রবার সন্ধ্যার পর আবারও উভয়পক্ষ সংঘবদ্ধ হয়ে জাউয়াবাজার এলাকায় তুমুল সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। প্রায় আড়াই ঘণ্টাব্যাপী চলা সংঘর্ষে উভয়পক্ষের অন্তত অর্ধশতাধিক সমর্থক আহত হন।
সংঘর্ষ চলাকালে জাউয়াবাজার এলাকা দিয়ে যাতায়াত করার সময় সুনামগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান কামরুল জ্যামে আটকা পড়েন। পরিস্থিতি খারাপ দেখে উভয়পক্ষকে থামাতে ঘটনাস্থলের দিকে এগিয়ে যান তিনি। কিন্তু ঘটনাস্থলে পৌঁছার আগেই তিনি উভয় দিক থেকে ছুড়া ইট-পাটকেলে আহত হন। পরে তাকে পাশের কৈতক হাসপাতালে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।
পরবর্তীতে সংসদ সদস্যের হস্তক্ষেপ ও যৌথ বাহিনীর প্রচেষ্টায় আড়াই ঘণ্টা পর পরিস্থিতে নিয়ন্ত্রণে আনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
জাউয়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আব্দুল কবির জানান, এক বছর আগে কেনা জমির রেজিস্ট্রি না হওয়ার ঘটনা কেন্দ্র করেই এ সংঘর্ষের সূত্রপাত বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। দীর্ঘক্ষণ সংঘর্ষে উভয়পক্ষের অনেকেই হতাহত রয়েছেন বলে জানান তিনি।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জাউয়াবাজারসংলগ্ন খিদ্রাখাপন গ্রামের সাবেক ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান আফরোজ মিয়ার কাছ থেকে প্রায় এক বছর আগে কিছু জমি কেনেন ওই এলাকার কোনাপাড়ার বাসিন্দা মোহাম্মদ আলী। দীর্ঘদিন ধরে তাগিদ দেওয়ার পরও জমির রেজিস্ট্রি সম্পন্ন হয়নি। এ নিয়ে দুইদিন আগে আফরোজ মিয়াকে গালিগালাজ করেন মোহাম্মদ আলী। পরে বিষয়টিকে কেন্দ্র করে জাউয়া বাজারে আফরোজ মিয়ার লোকজনের সঙ্গে মোহাম্মদ আলীর লোকজনের হাতাহাতি ও মারধরের ঘটনা ঘটে। এর জেরে বৃহস্পতিবার বিকালেও উভয়পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পালটাধাওয়ার ঘটনা ঘটে। শুক্রবার সন্ধ্যার পর আবারও উভয়পক্ষ সংঘবদ্ধ হয়ে জাউয়াবাজার এলাকায় তুমুল সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। প্রায় আড়াই ঘণ্টাব্যাপী চলা সংঘর্ষে উভয়পক্ষের অন্তত অর্ধশতাধিক সমর্থক আহত হন।
সংঘর্ষ চলাকালে জাউয়াবাজার এলাকা দিয়ে যাতায়াত করার সময় সুনামগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান কামরুল জ্যামে আটকা পড়েন। পরিস্থিতি খারাপ দেখে উভয়পক্ষকে থামাতে ঘটনাস্থলের দিকে এগিয়ে যান তিনি। কিন্তু ঘটনাস্থলে পৌঁছার আগেই তিনি উভয় দিক থেকে ছুড়া ইট-পাটকেলে আহত হন। পরে তাকে পাশের কৈতক হাসপাতালে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।
পরবর্তীতে সংসদ সদস্যের হস্তক্ষেপ ও যৌথ বাহিনীর প্রচেষ্টায় আড়াই ঘণ্টা পর পরিস্থিতে নিয়ন্ত্রণে আনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
জাউয়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আব্দুল কবির জানান, এক বছর আগে কেনা জমির রেজিস্ট্রি না হওয়ার ঘটনা কেন্দ্র করেই এ সংঘর্ষের সূত্রপাত বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। দীর্ঘক্ষণ সংঘর্ষে উভয়পক্ষের অনেকেই হতাহত রয়েছেন বলে জানান তিনি।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন