দিনাজপুরের হিলিতে সপ্তাহের ব্যবধানে কমতে শুরু করেছে পেঁয়াজ ও রসুনের দাম। কেজিতে ৫-১০ টাকা পর্যন্ত কমেছে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য দুটির দাম।
তবে আদার সরবরাহ কিছুটা কম থাকলেও এর দাম স্থিতিশীল রয়েছে। মূলত সরবরাহ বাড়ায় মসলাজাত এ পণ্যে দুটির দাম কমেছে বলে জানান বিক্রেতারা। ঈদুল আজহার আগে দাম বাড়ার আর সম্ভাবনা নেই বলেও জানান তারা।
মঙ্গলবার (৫ মে) সকালে হিলি বাজার সরেজমিনে দেখা যায়, বাজারের প্রতিটি দোকানেই পেঁয়াজ ও রসুনের পর্যাপ্ত সরবরাহ রয়েছে। বর্তমানে বাজারে মানভেদে পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ২৯-৩০ টাকা কেজি দরে, যা এক সপ্তাহ আগেও ছিল ৩০-৩৫ টাকা। অন্যদিকে, গত সপ্তাহে ৮০-১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হওয়া রসুন এখন পাওয়া যাচ্ছে ৬০-৮০ টাকায়। তবে বাজারে আদার সরবরাহে কিছুটা ঘাটতি লক্ষ করা গেছে। মানভেদে প্রতি কেজি আদা ১০০-১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বিক্রেতারা জানিয়েছেন, বাজারে নতুন আদা এলে দাম কিছুটা বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
হিলি বাজারের খুচরা বিক্রেতা আবুল হাসনাত জানান, পাবনার মুড়িকাটা পেঁয়াজের মৌসুম শেষ হওয়ায় মাঝে সরবরাহ কিছুটা কম ছিল। তবে এখন নতুন জাতের হালি পেঁয়াজ বাজারে আসায় দাম মণ প্রতি ২০০-৩০০ টাকা কমেছে। পাশাপাশি নতুন রসুন বাজারে আসায় এর দামও নিম্নমুখী। আদার সরবরাহ কিছুটা কম থাকায় মোকামে দাম সামান্য বেশি হলেও বর্তমানে আগের কেনা আদা থাকায় খুচরা বাজারে দাম বাড়েনি।
জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর দিনাজপুরের সহকারী পরিচালক বোরহান উদ্দিন বলেন, ‘কোনো ব্যবসায়ী যাতে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে পণ্যের দাম বাড়াতে না পারেন, সেজন্য আমরা নিয়মিত বাজার মনিটরিং করছি। ক্রয়-বিক্রয় মূল্য তদারক করা হচ্ছে এবং অনিয়ম পেলেই আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।’
বাংলা স্কুপ/প্রতিনিধি/এইচএইচ/এসকে
তবে আদার সরবরাহ কিছুটা কম থাকলেও এর দাম স্থিতিশীল রয়েছে। মূলত সরবরাহ বাড়ায় মসলাজাত এ পণ্যে দুটির দাম কমেছে বলে জানান বিক্রেতারা। ঈদুল আজহার আগে দাম বাড়ার আর সম্ভাবনা নেই বলেও জানান তারা।
মঙ্গলবার (৫ মে) সকালে হিলি বাজার সরেজমিনে দেখা যায়, বাজারের প্রতিটি দোকানেই পেঁয়াজ ও রসুনের পর্যাপ্ত সরবরাহ রয়েছে। বর্তমানে বাজারে মানভেদে পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ২৯-৩০ টাকা কেজি দরে, যা এক সপ্তাহ আগেও ছিল ৩০-৩৫ টাকা। অন্যদিকে, গত সপ্তাহে ৮০-১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হওয়া রসুন এখন পাওয়া যাচ্ছে ৬০-৮০ টাকায়। তবে বাজারে আদার সরবরাহে কিছুটা ঘাটতি লক্ষ করা গেছে। মানভেদে প্রতি কেজি আদা ১০০-১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বিক্রেতারা জানিয়েছেন, বাজারে নতুন আদা এলে দাম কিছুটা বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
হিলি বাজারের খুচরা বিক্রেতা আবুল হাসনাত জানান, পাবনার মুড়িকাটা পেঁয়াজের মৌসুম শেষ হওয়ায় মাঝে সরবরাহ কিছুটা কম ছিল। তবে এখন নতুন জাতের হালি পেঁয়াজ বাজারে আসায় দাম মণ প্রতি ২০০-৩০০ টাকা কমেছে। পাশাপাশি নতুন রসুন বাজারে আসায় এর দামও নিম্নমুখী। আদার সরবরাহ কিছুটা কম থাকায় মোকামে দাম সামান্য বেশি হলেও বর্তমানে আগের কেনা আদা থাকায় খুচরা বাজারে দাম বাড়েনি।
জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর দিনাজপুরের সহকারী পরিচালক বোরহান উদ্দিন বলেন, ‘কোনো ব্যবসায়ী যাতে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে পণ্যের দাম বাড়াতে না পারেন, সেজন্য আমরা নিয়মিত বাজার মনিটরিং করছি। ক্রয়-বিক্রয় মূল্য তদারক করা হচ্ছে এবং অনিয়ম পেলেই আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।’
বাংলা স্কুপ/প্রতিনিধি/এইচএইচ/এসকে