গাইবান্ধা সদর উপজেলায় গুটিবসন্ত (পক্স) রোগে আক্রান্ত হয়ে ইতিশ চন্দ্র দাস (৪৫) নামে এক স্কুলশিক্ষক মারা গেছেন। একই সঙ্গে এই রোগে তার স্ত্রী ও দুই সন্তানসহ পরিবারের আরও তিনজন আক্রান্ত বলে জানা গেছে । সোমবার (৪ মে) দিনগত রাত ১টার দিকে নিজ বাড়িতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
ইতিশ চন্দ্র দাস সদর উপজেলার খোলাহাটী ইউনিয়নের খোলাহাটী বোডঘর মধ্যপাড়া গ্রামের বাসিন্দা এবং প্রাণবন্ধু চন্দ্র দাসের ছেলে। তিনি খোলাহাটী উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক (কৃষি) হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গত মঙ্গলবার থেকে গুটিবসন্তে ভুগছিলেন ইতিশ চন্দ্র দাস। তিনি পাশের গ্রামের এক কবিরাজের কাছ থেকে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন। তবে গত রোববার রাতে হঠাৎ তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে রাত ১টার দিকে তিনি মারা যান।
নিহতের স্ত্রী অর্চনা রানী বলেন, কয়েক দিন আগে প্রথমে তার শরীরে গুটিবসন্তের লক্ষণ দেখা দেয়। পরে চিকিৎসা নিয়ে কিছুটা সুস্থ হলেও পরবর্তীতে তার স্বামী একই রোগে আক্রান্ত হন। এদিকে গত বুধবার ঢাকায় থাকা বড় ছেলে প্রিমল দাস বাড়িতে এলে সেও আক্রান্ত হয়। বর্তমানে ছোট ছেলে অর্মীত দাস (৭) ও এই রোগে ভুগছে।
গাইবান্ধার সিভিল সার্জন ডা. রফিকুজ্জামান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, গুটিবসন্তে আক্রান্ত হয়েই ওই শিক্ষকের মৃত্যু হয়েছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন
ইতিশ চন্দ্র দাস সদর উপজেলার খোলাহাটী ইউনিয়নের খোলাহাটী বোডঘর মধ্যপাড়া গ্রামের বাসিন্দা এবং প্রাণবন্ধু চন্দ্র দাসের ছেলে। তিনি খোলাহাটী উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক (কৃষি) হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গত মঙ্গলবার থেকে গুটিবসন্তে ভুগছিলেন ইতিশ চন্দ্র দাস। তিনি পাশের গ্রামের এক কবিরাজের কাছ থেকে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন। তবে গত রোববার রাতে হঠাৎ তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে রাত ১টার দিকে তিনি মারা যান।
নিহতের স্ত্রী অর্চনা রানী বলেন, কয়েক দিন আগে প্রথমে তার শরীরে গুটিবসন্তের লক্ষণ দেখা দেয়। পরে চিকিৎসা নিয়ে কিছুটা সুস্থ হলেও পরবর্তীতে তার স্বামী একই রোগে আক্রান্ত হন। এদিকে গত বুধবার ঢাকায় থাকা বড় ছেলে প্রিমল দাস বাড়িতে এলে সেও আক্রান্ত হয়। বর্তমানে ছোট ছেলে অর্মীত দাস (৭) ও এই রোগে ভুগছে।
গাইবান্ধার সিভিল সার্জন ডা. রফিকুজ্জামান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, গুটিবসন্তে আক্রান্ত হয়েই ওই শিক্ষকের মৃত্যু হয়েছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন