সিলেট সদর উপজেলার কান্দিগাঁও ইউনিয়নে বাসিয়া নদী পুনর্খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করে জনসভার মঞ্চে বক্তব্য দিচ্ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তখন দর্শক সারি থেকে স্লোগান আসে ‘দুলাভাই, দুলাভাই, জিন্দাবাদ, জিন্দাবাদ’।
তখন বক্তব্যের মাঝখানে হেসে ওঠেন প্রধানমন্ত্রী। হাতে ইশারা করে স্লোগান বন্ধ করতে বললেও কেউ কেউ ‘দুলাভাই’ স্লোগান বন্ধ করেন না। তখন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান হেসে হেসে বলেন, ‘দুলাভাইকে কথা বলতে না দিলে তো দুলাভাই চলে যাবে। যাই আমি। কথা বলবো না যাবো? আমি কথা বললে শ্বশুরবাড়ির লোকজনকে শুনতে হবে কথা।’
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জুবায়েদা রহমানের বাড়ি সিলেটের দক্ষিণ সুরমা উপজেলায়। তাই সিলেটে আসলেই তাকে ঘিরে সিলেটের সাধারণ মানুষ অন্যরকম উচ্ছ্বাস করেন। প্রধানমন্ত্রী হওয়ার আগেও তিনি যখন সিলেটে আসেন তখন ‘দুলাভাই, দুলাভাই, জিন্দাবাদ, জিন্দাবাদ’ স্লোগান দেন মানুষজন। প্রধানমন্ত্রীকেও এই দুলাভাই সম্বোধন উপভোগ করতে দেখা গেছে।
চলে যাবার কথা শুনে স্লোগান থামালে 'সিলেটি দামান' প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশের মানুষ এমন একটি সরকারকে ১২ তারিখ ভোট দিয়ে নির্বাচন করেছেন। যেই সরকার জনগণের জন্য কাজ করবে।
তিনি আরও বলেন, আমাদের একমাত্র জবাবদিহিতা হচ্ছে এই দেশের মানুষের কাছে, জনগণের কাছে। এইজন্য আমরা সেসকল কাজ করতে চাই যেগুলোতে জনগণের উপকার হবে। সেজন্য কৃষক কার্ড, ফ্যামিলি কার্ডের কাজ আমরা শুরু করেছি। অনেকে বলতে পারেন আমাদের এলাকায় এখনো পাইনি। ইনশাআল্লাহ সবাই পাবেন ফ্যামিলি কার্ড। একটু সময় লাগবে। কিন্তু আমরা চেষ্টা করব, আগামী পাঁচ বছরে সারা দেশে মায়েদের কাছে এই ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দিতে।
তারেক রহমান বলেন, এখন আমাদের কাজ হচ্ছে কথা কম কাজ বেশি। এখন দেশ গড়ার কাজ করতে হবে। আমাদের প্রধান কাজ এই দেশের মানুষের স্বার্থ দেখা ও মানুষের সমস্যার সমাধান করা। আপনারা যদি আমার সাথে থাকেন পাশে থাকেন তাহলে আমরা বাংলাদেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাব।
অন্য উন্নত দেশের পাশে বাংলাদেশকে আমরা দাঁড় করাবো। কথা একটাই- কাজ কাজ আর কাজ। সেজন্যই আমরা বলি ‘করবো কাজ গড়বো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ‘। আমরা কাজ করবো নিজের দেশকে নিজে গড়বো। বিদেশ নিয়ে গর্ব করবো না। আমরা বাংলাদেশ নিয়ে গর্ব করবো, বলেন প্রধানমন্ত্রী।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এইচএইচ/এসকে
তখন বক্তব্যের মাঝখানে হেসে ওঠেন প্রধানমন্ত্রী। হাতে ইশারা করে স্লোগান বন্ধ করতে বললেও কেউ কেউ ‘দুলাভাই’ স্লোগান বন্ধ করেন না। তখন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান হেসে হেসে বলেন, ‘দুলাভাইকে কথা বলতে না দিলে তো দুলাভাই চলে যাবে। যাই আমি। কথা বলবো না যাবো? আমি কথা বললে শ্বশুরবাড়ির লোকজনকে শুনতে হবে কথা।’
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জুবায়েদা রহমানের বাড়ি সিলেটের দক্ষিণ সুরমা উপজেলায়। তাই সিলেটে আসলেই তাকে ঘিরে সিলেটের সাধারণ মানুষ অন্যরকম উচ্ছ্বাস করেন। প্রধানমন্ত্রী হওয়ার আগেও তিনি যখন সিলেটে আসেন তখন ‘দুলাভাই, দুলাভাই, জিন্দাবাদ, জিন্দাবাদ’ স্লোগান দেন মানুষজন। প্রধানমন্ত্রীকেও এই দুলাভাই সম্বোধন উপভোগ করতে দেখা গেছে।
চলে যাবার কথা শুনে স্লোগান থামালে 'সিলেটি দামান' প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশের মানুষ এমন একটি সরকারকে ১২ তারিখ ভোট দিয়ে নির্বাচন করেছেন। যেই সরকার জনগণের জন্য কাজ করবে।
তিনি আরও বলেন, আমাদের একমাত্র জবাবদিহিতা হচ্ছে এই দেশের মানুষের কাছে, জনগণের কাছে। এইজন্য আমরা সেসকল কাজ করতে চাই যেগুলোতে জনগণের উপকার হবে। সেজন্য কৃষক কার্ড, ফ্যামিলি কার্ডের কাজ আমরা শুরু করেছি। অনেকে বলতে পারেন আমাদের এলাকায় এখনো পাইনি। ইনশাআল্লাহ সবাই পাবেন ফ্যামিলি কার্ড। একটু সময় লাগবে। কিন্তু আমরা চেষ্টা করব, আগামী পাঁচ বছরে সারা দেশে মায়েদের কাছে এই ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দিতে।
তারেক রহমান বলেন, এখন আমাদের কাজ হচ্ছে কথা কম কাজ বেশি। এখন দেশ গড়ার কাজ করতে হবে। আমাদের প্রধান কাজ এই দেশের মানুষের স্বার্থ দেখা ও মানুষের সমস্যার সমাধান করা। আপনারা যদি আমার সাথে থাকেন পাশে থাকেন তাহলে আমরা বাংলাদেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাব।
অন্য উন্নত দেশের পাশে বাংলাদেশকে আমরা দাঁড় করাবো। কথা একটাই- কাজ কাজ আর কাজ। সেজন্যই আমরা বলি ‘করবো কাজ গড়বো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ‘। আমরা কাজ করবো নিজের দেশকে নিজে গড়বো। বিদেশ নিয়ে গর্ব করবো না। আমরা বাংলাদেশ নিয়ে গর্ব করবো, বলেন প্রধানমন্ত্রী।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এইচএইচ/এসকে