ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যারা নির্বাচিত হবেন তারা সংবিধান সংস্কার পরিষদ ও উচ্চ কক্ষে পিআর গঠন করবে এ প্রসঙ্গে বিএনপি কখনোই একমত পোষণ করেনি বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
শনিবার (২ মে) রাজধানীর শের-ই-বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় অডিটোরিয়ামে জিয়া পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ডা. মো. আব্দুল কুদ্দুসের স্মরণসভায় এ কথা বলেন তিনি।
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘জুলাই সনদের প্রতিটি জায়গায় আমরা ছিলাম। আমরা নোট অব ডিসেন্ট দিয়েছি কিছু জায়গায়। আমরা স্বাক্ষরও করেছি। এখন অবলীলায় বলছে, সবটাই করতে হবে। উচ্চকক্ষে পিআরে আমরা একমত হইনি। সংবিধান সংস্কার পরিষদের বিষয়েও আমরা একমত হইনি। সবকিছু সংসদের করতে হবে।’
সংস্কার প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল আরও বলেন, ‘বিএনপি সংস্কারের জনক, সংস্কারের নামে জামায়াত বর্তমানে যে আন্দোলন করছে তার উদ্দেশ্য হচ্ছে দেশকে অস্থিতিশীল করা। দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে সকলকে ঐক্যবদ্ধ থেকে কাজ করতে হবে।’
অনিয়ম ও দুর্নীতি নিয়ে শঙ্কা জানিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ এমন একটি সমাজ তৈরি করেছে যা এথিক্স হারিয়েছে আর হাসিনা সরকার দেশের অর্থনীতি ধ্বংস করে গেছে। সরকারের ভেতর যতই ঢুকছি ততই আমি আতঙ্কিত হচ্ছি, যেদিকে তাকাই সেদিকেই অনিয়ম, দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতি। তদবির ছাড়া কোথাও কিছু হচ্ছে না। গত ১৫ বছরে এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।’
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এইচএইচ/এসকে
শনিবার (২ মে) রাজধানীর শের-ই-বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় অডিটোরিয়ামে জিয়া পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ডা. মো. আব্দুল কুদ্দুসের স্মরণসভায় এ কথা বলেন তিনি।
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘জুলাই সনদের প্রতিটি জায়গায় আমরা ছিলাম। আমরা নোট অব ডিসেন্ট দিয়েছি কিছু জায়গায়। আমরা স্বাক্ষরও করেছি। এখন অবলীলায় বলছে, সবটাই করতে হবে। উচ্চকক্ষে পিআরে আমরা একমত হইনি। সংবিধান সংস্কার পরিষদের বিষয়েও আমরা একমত হইনি। সবকিছু সংসদের করতে হবে।’
সংস্কার প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল আরও বলেন, ‘বিএনপি সংস্কারের জনক, সংস্কারের নামে জামায়াত বর্তমানে যে আন্দোলন করছে তার উদ্দেশ্য হচ্ছে দেশকে অস্থিতিশীল করা। দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে সকলকে ঐক্যবদ্ধ থেকে কাজ করতে হবে।’
অনিয়ম ও দুর্নীতি নিয়ে শঙ্কা জানিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ এমন একটি সমাজ তৈরি করেছে যা এথিক্স হারিয়েছে আর হাসিনা সরকার দেশের অর্থনীতি ধ্বংস করে গেছে। সরকারের ভেতর যতই ঢুকছি ততই আমি আতঙ্কিত হচ্ছি, যেদিকে তাকাই সেদিকেই অনিয়ম, দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতি। তদবির ছাড়া কোথাও কিছু হচ্ছে না। গত ১৫ বছরে এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।’
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এইচএইচ/এসকে