রাজধানীর নিউমার্কেট এলাকায় শীর্ষ সন্ত্রাসী নাইমুর হাসান টিটন (৫৭) হত্যার ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। নিহতের বড় ভাই সাজিদ আহমেদ রিপন নিউমার্কেট থানায় মামলা করেন।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নিউমার্কেট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আইয়ুব।
মামলায় নির্দিষ্ট কোনো আসামির নাম উল্লেখ করা হয়নি; অজ্ঞাতনামা ৮-৯ জনকে আসামি করা হয়েছে। ছোট ভাইয়ের মৃত্যুর খবর পেয়ে যশোর থেকে ঢাকায় এসে তিনি এ মামলা করেন।
এদিকে মামলায় আসামি হিসেবে কারও নাম উল্লেখ না করলেও এজাহারগর্ভে কয়েকজনের নাম বলা আছে। তারা হলো শীর্ষ সন্ত্রাসী ইমামুল হাসান হেলাল ওরফে পিচ্চি হেলাল, বাদল ওরফে কিলার বাদল ওরফে কাইলা বাদল, শাহজাহান, রনি ওরফে ডাগারি রনি। তাদের সঙ্গে বছিলা গরুর হাটের ইজারা নিয়ে ঝামেলা চলছিল টিটনের।
বাদী এজাহারে বলেন, 'দীর্ঘদিন জেলে থাকার পর ২০২৪ সালের ১৩ আগস্ট জামিনে মুক্তি পায় আমার ছোট ভাই টিটন। সে বিভিন্ন সময়ে মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে আমার সঙ্গে কথা বলতো। সে বলতো যে, বড় ভাই আমি আপনার অনেক আর্থিক ক্ষতি করেছি। এখন চেষ্টা করছি যাতে আপনাদের আর কোনো বদনাম না হয়। সেজন্য আমাকে দোয়া করবেন। আমি যেন ভালোভাবে কাজ করে জীবন যাপন করতে পারি। কিছুদিন আগে আবার অ্যাপের মাধ্যমে জানায়, বড় ভাই আমি একটা শিডিউল কিনছি। ইনশাআল্লাহ মোটামুটি কাজের মাধ্যমে থাকতে পারবো। গত ২৬ এপ্রিল ফোন দিয়ে জানায়, আমার সঙ্গে ইমামুল হাসান হেলাল ওরফে পিচ্চি হেলাল, বাদল ওরফে কিলার বাদল ওরফে কাইলা বাদল, শাহজাহান, রনি ওরফে ডাগারি রনিদের বছিলা গরুর হাটের ইজারার শিডিউল নিয়ে ঝামেলা চলছে। ২৭ এপ্রিল টিটন বলে, আমাকে ডাকছে উভয়ের সঙ্গে সমঝোতার মাধ্যমে কাজ করার জন্য। এরপর ২৮ এপ্রিল মঙ্গলবার রাত ১১টার দিকে বিভিন্ন লোকের মাধ্যমে জানতে পারি যে, ঢাকা নিউমার্কেট শাহনেওয়াজ হলের সামনে থেকে আমার ছোট ভাই টিটনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।'
ঘটনাটি ঘটে মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) রাত পৌনে ৮টার দিকে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শাহনেওয়াজ ছাত্রাবাসের সামনে বটতলা এলাকায় মোটরসাইকেলে আসা দুর্বৃত্তরা খুব কাছ থেকে টিটনকে এলোপাতাড়ি গুলি করে হত্যা করে।
পুলিশ জানায়, হত্যাকাণ্ডের আগে টিটন ওই সড়ক দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলেন এবং হামলাকারীরা তাকে আগে থেকেই অনুসরণ করছিল। সুযোগ বুঝে গুলি চালিয়ে তারা দ্রুত পালিয়ে যায়।
পরে টিটনের মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে ময়নাতদন্ত করা হয়। সূত্র জানিয়েছে, তার শরীরে মাথাসহ মোট সাতটি গুলির চিহ্ন পাওয়া গেছে। এর মধ্যে ছয়টি গুলি শরীর ভেদ করে বেরিয়ে গেলেও বুকে একটি গুলির অংশ পাওয়া যায়।
ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশ তদন্ত কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এইচএইচ/এসকে
নিউমার্কেট এলাকায় শীর্ষ সন্ত্রাসী টিটনকে গুলি করে হত্যা
বুধবার (২৯ এপ্রিল) বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নিউমার্কেট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আইয়ুব।
মামলায় নির্দিষ্ট কোনো আসামির নাম উল্লেখ করা হয়নি; অজ্ঞাতনামা ৮-৯ জনকে আসামি করা হয়েছে। ছোট ভাইয়ের মৃত্যুর খবর পেয়ে যশোর থেকে ঢাকায় এসে তিনি এ মামলা করেন।
এদিকে মামলায় আসামি হিসেবে কারও নাম উল্লেখ না করলেও এজাহারগর্ভে কয়েকজনের নাম বলা আছে। তারা হলো শীর্ষ সন্ত্রাসী ইমামুল হাসান হেলাল ওরফে পিচ্চি হেলাল, বাদল ওরফে কিলার বাদল ওরফে কাইলা বাদল, শাহজাহান, রনি ওরফে ডাগারি রনি। তাদের সঙ্গে বছিলা গরুর হাটের ইজারা নিয়ে ঝামেলা চলছিল টিটনের।
বাদী এজাহারে বলেন, 'দীর্ঘদিন জেলে থাকার পর ২০২৪ সালের ১৩ আগস্ট জামিনে মুক্তি পায় আমার ছোট ভাই টিটন। সে বিভিন্ন সময়ে মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে আমার সঙ্গে কথা বলতো। সে বলতো যে, বড় ভাই আমি আপনার অনেক আর্থিক ক্ষতি করেছি। এখন চেষ্টা করছি যাতে আপনাদের আর কোনো বদনাম না হয়। সেজন্য আমাকে দোয়া করবেন। আমি যেন ভালোভাবে কাজ করে জীবন যাপন করতে পারি। কিছুদিন আগে আবার অ্যাপের মাধ্যমে জানায়, বড় ভাই আমি একটা শিডিউল কিনছি। ইনশাআল্লাহ মোটামুটি কাজের মাধ্যমে থাকতে পারবো। গত ২৬ এপ্রিল ফোন দিয়ে জানায়, আমার সঙ্গে ইমামুল হাসান হেলাল ওরফে পিচ্চি হেলাল, বাদল ওরফে কিলার বাদল ওরফে কাইলা বাদল, শাহজাহান, রনি ওরফে ডাগারি রনিদের বছিলা গরুর হাটের ইজারার শিডিউল নিয়ে ঝামেলা চলছে। ২৭ এপ্রিল টিটন বলে, আমাকে ডাকছে উভয়ের সঙ্গে সমঝোতার মাধ্যমে কাজ করার জন্য। এরপর ২৮ এপ্রিল মঙ্গলবার রাত ১১টার দিকে বিভিন্ন লোকের মাধ্যমে জানতে পারি যে, ঢাকা নিউমার্কেট শাহনেওয়াজ হলের সামনে থেকে আমার ছোট ভাই টিটনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।'
ঘটনাটি ঘটে মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) রাত পৌনে ৮টার দিকে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শাহনেওয়াজ ছাত্রাবাসের সামনে বটতলা এলাকায় মোটরসাইকেলে আসা দুর্বৃত্তরা খুব কাছ থেকে টিটনকে এলোপাতাড়ি গুলি করে হত্যা করে।
পুলিশ জানায়, হত্যাকাণ্ডের আগে টিটন ওই সড়ক দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলেন এবং হামলাকারীরা তাকে আগে থেকেই অনুসরণ করছিল। সুযোগ বুঝে গুলি চালিয়ে তারা দ্রুত পালিয়ে যায়।
পরে টিটনের মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে ময়নাতদন্ত করা হয়। সূত্র জানিয়েছে, তার শরীরে মাথাসহ মোট সাতটি গুলির চিহ্ন পাওয়া গেছে। এর মধ্যে ছয়টি গুলি শরীর ভেদ করে বেরিয়ে গেলেও বুকে একটি গুলির অংশ পাওয়া যায়।
ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশ তদন্ত কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এইচএইচ/এসকে
নিউমার্কেট এলাকায় শীর্ষ সন্ত্রাসী টিটনকে গুলি করে হত্যা