রাজধানীর নিউমার্কেট এলাকায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে শীর্ষ সন্ত্রাসী খন্দকার নাঈম আহমেদ টিটন নিহত হয়েছেন। তিনি আরেক শীর্ষ সন্ত্রাসী সানজিদুল ইসলাম ইমনের শ্যালক।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) রাত আটটার দিকে রাজধানীর নিউমার্কেট এলাকায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শাহনেওয়াজ ছাত্রাবাসের সামনে বটতলায় এ ঘটনা ঘটে। ২০০১ সালে সরকার ঘোষিত ২৩ শীর্ষ সন্ত্রাসীর তালিকার ২ নম্বরে টিটনের নাম ছিল। পুলিশের ধারণা, শীর্ষ সন্ত্রাসীদের মধ্যকার অন্তর্কোন্দলে তাঁকে হত্যা করা হয়েছে।
নিউমার্কেট থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মোল্লা শাহাদাত গণমাধ্যমকে বলেন, রাত পৌনে আটটার দিকে মোটরসাইকেলে এসে কয়েকজন দুর্বৃত্ত এক যুবককে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি চালায়। খুব কাছ থেকে তাঁর মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে পাঁচ থেকে ছয়টি গুলি করে। এরপর দ্রুততম সময়ে পালিয়ে যায় তারা। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পথচারীরা তাঁকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক রাত ৮টা ২৭ মিনিটে তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
চিকিৎসকের তথ্য অনুযায়ী, তার শরীরে পাঁচটি গুলির চিহ্ন পাওয়া গেছে।
আহত ব্যক্তিকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া মো. জুয়েল জানান, ‘দুর্বৃত্তদের গুলিতে তিনি রাস্তায় পড়ে ছিলেন। আমরা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাই, কিন্তু চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।’
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. ফারুক মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মরদেহ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের মর্গে রাখা হয়েছে এবং বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানাকে জানানো হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, হাজারীবাগ এলাকার শীর্ষ সন্ত্রাসী টিটন দীর্ঘদিন কারাবন্দি থাকার পর গত বছরের ১৩ আগস্ট জামিনে মুক্তি পান এবং এরপর থেকে পলাতক ছিলেন।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, সন্ত্রাসীদের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের জেরেই এই হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে। ঘটনার পর এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এবং পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করে দেখছে।
বাংলা স্কুপ/প্রতিবেদক /এইচবি/এসকে
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) রাত আটটার দিকে রাজধানীর নিউমার্কেট এলাকায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শাহনেওয়াজ ছাত্রাবাসের সামনে বটতলায় এ ঘটনা ঘটে। ২০০১ সালে সরকার ঘোষিত ২৩ শীর্ষ সন্ত্রাসীর তালিকার ২ নম্বরে টিটনের নাম ছিল। পুলিশের ধারণা, শীর্ষ সন্ত্রাসীদের মধ্যকার অন্তর্কোন্দলে তাঁকে হত্যা করা হয়েছে।
নিউমার্কেট থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মোল্লা শাহাদাত গণমাধ্যমকে বলেন, রাত পৌনে আটটার দিকে মোটরসাইকেলে এসে কয়েকজন দুর্বৃত্ত এক যুবককে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি চালায়। খুব কাছ থেকে তাঁর মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে পাঁচ থেকে ছয়টি গুলি করে। এরপর দ্রুততম সময়ে পালিয়ে যায় তারা। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পথচারীরা তাঁকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক রাত ৮টা ২৭ মিনিটে তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
চিকিৎসকের তথ্য অনুযায়ী, তার শরীরে পাঁচটি গুলির চিহ্ন পাওয়া গেছে।
আহত ব্যক্তিকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া মো. জুয়েল জানান, ‘দুর্বৃত্তদের গুলিতে তিনি রাস্তায় পড়ে ছিলেন। আমরা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাই, কিন্তু চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।’
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. ফারুক মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মরদেহ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের মর্গে রাখা হয়েছে এবং বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানাকে জানানো হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, হাজারীবাগ এলাকার শীর্ষ সন্ত্রাসী টিটন দীর্ঘদিন কারাবন্দি থাকার পর গত বছরের ১৩ আগস্ট জামিনে মুক্তি পান এবং এরপর থেকে পলাতক ছিলেন।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, সন্ত্রাসীদের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের জেরেই এই হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে। ঘটনার পর এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এবং পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করে দেখছে।
বাংলা স্কুপ/প্রতিবেদক /এইচবি/এসকে