রাঙ্গামাটির লংগদুতে মারা যাওয়া হাতিটি মাটিচাপা দেওয়ার পর সোমবার (২৭ এপ্রিল) দিবাগত মধ্যরাতে মাটি খুঁড়ে আবারো হাতিটির মাংস চুরির চেষ্টা চালায় একদল দুর্বৃত্ত। পরে এলিফ্যান্ট রেসপন্স টিমের (ইআরটি) সদস্যদের ধাওয়ায় তারা পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়। এর আগে রাতের আঁধারে হাতিটির শুঁড় ও পায়ের মাংস কেটে নিয়ে গিয়েছিল দুর্বৃত্তরা।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) পার্বত্য চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. রফিকুজ্জামান শাহ বলেন, সোমবার সন্ধ্যায় হাতিটির প্রয়োজনীয় নমুনা সংগ্রহ শেষে খাওয়ার অনুপযোগী করার জন্য হাতির শরীরে ব্লিচিং পাউডার ও কেরোসিন দিয়ে মাটিচাপা দেওয়া হয়েছিল। যাতে মাটি খুঁড়ে কেউ হাতিটির মাংস নিয়ে যেতে না পারে সেজন্য ইআরটি সদস্যদের দিয়ে রাতে পাহারার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। কিন্তু মধ্যরাতে একদল দুর্বৃত্ত পুনরায় মাটি খুঁড়ে মাংস নেওয়ার চেষ্টা করেছিল। এসময় ইআরটি-এর সদস্যরা ধাওয়া দিলে তারা পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়।
তিনি বলেন, যতদিন হাতির মাংস পচবে না, ততদিন পর্যন্ত ইআরটি’র সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবে। হাতি মারা যাওয়ার প্রেক্ষিতে আমরা লংগদু থানায় একটি জিডি করেছি। এরপর হাতিটির মাংস চুরির ঘটনায় আরেকটি জিডি থানায় করা হবে। ইতোমধ্যে আমাদের অফিসার থানায় অবস্থান করছে। যারা এই ধরনের কাজ করেছে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, বার্ধক্যজনিত অসুস্থতা ও দীর্ঘদিনের সংক্রমণ নিয়ে গত রবিবার লংগদুর ভাসান্যাদাম এলাকায় হাতিটি মারা যায়। দাঁতবিহীন এই হাতিটিকে সুস্থ করে তোলার জন্য চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি হাসপাতাল ও ডুলাহাজরা সাফারি পার্কের চিকিৎসকরা গত ১০ এপ্রিল পর্যন্ত নিয়মিত চিকিৎসা চালিয়েছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত হাতিটিকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এইচএইচ/এসকে
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) পার্বত্য চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. রফিকুজ্জামান শাহ বলেন, সোমবার সন্ধ্যায় হাতিটির প্রয়োজনীয় নমুনা সংগ্রহ শেষে খাওয়ার অনুপযোগী করার জন্য হাতির শরীরে ব্লিচিং পাউডার ও কেরোসিন দিয়ে মাটিচাপা দেওয়া হয়েছিল। যাতে মাটি খুঁড়ে কেউ হাতিটির মাংস নিয়ে যেতে না পারে সেজন্য ইআরটি সদস্যদের দিয়ে রাতে পাহারার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। কিন্তু মধ্যরাতে একদল দুর্বৃত্ত পুনরায় মাটি খুঁড়ে মাংস নেওয়ার চেষ্টা করেছিল। এসময় ইআরটি-এর সদস্যরা ধাওয়া দিলে তারা পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়।
তিনি বলেন, যতদিন হাতির মাংস পচবে না, ততদিন পর্যন্ত ইআরটি’র সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবে। হাতি মারা যাওয়ার প্রেক্ষিতে আমরা লংগদু থানায় একটি জিডি করেছি। এরপর হাতিটির মাংস চুরির ঘটনায় আরেকটি জিডি থানায় করা হবে। ইতোমধ্যে আমাদের অফিসার থানায় অবস্থান করছে। যারা এই ধরনের কাজ করেছে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, বার্ধক্যজনিত অসুস্থতা ও দীর্ঘদিনের সংক্রমণ নিয়ে গত রবিবার লংগদুর ভাসান্যাদাম এলাকায় হাতিটি মারা যায়। দাঁতবিহীন এই হাতিটিকে সুস্থ করে তোলার জন্য চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি হাসপাতাল ও ডুলাহাজরা সাফারি পার্কের চিকিৎসকরা গত ১০ এপ্রিল পর্যন্ত নিয়মিত চিকিৎসা চালিয়েছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত হাতিটিকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এইচএইচ/এসকে