চট্টগ্রামে গরমের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে লোডশেডিং। প্রতিদিন ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা করে লোডশেডিং হচ্ছে। নগরীর চেয়ে গ্রামের অবস্থা আরও ভয়াবহ। যদিও বিদ্যুৎ বিতরণ বিভাগের তথ্যে লোডশেডিং মাত্র ৭৬ থেকে ১০৯ মেগাওয়াট। এ অবস্থায় বন্ধ রয়েছে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিউবো) চট্টগ্রাম বিতরণ বিভাগের ১০টি কেন্দ্র। এদিকে, চলছে এসএসসি পরীক্ষা। লোডশেডিংয়ের কারণে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে শিক্ষার্থীদের।
নগরীর বহদ্দারহাট এলাকার বাসিন্দা ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের শিক্ষার্থী মরিয়ম আক্তার বলেন, ‘গত কিছুদিন ধরে বিদ্যুতের অনেক বেশি লোডশেডিং হচ্ছে। দিতে ৮ থেকে ১০ বার পর্যন্ত বিদ্যুতের লোডশেডিংয়ে ৬ থেকে ৭ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকে না। বিশেষ করে, রাতের বেলায় বিদ্যুতের লোডশেডিংয়ের কারণে লেখাপড়ায় ব্যাঘাত সৃষ্টি হচ্ছে।’
চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর ড. পারভেজ সাজ্জাদ চৌধুরী বলেন, ‘এসএসসি পরীক্ষা চলার সময় যাতে বিদ্যুতের লোডশেডিং না হয়, সেজন্য বিদ্যুৎ বিভাগকে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের পক্ষ থেকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। এ সময়ে লোডশেডিং হলে শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রস্তুতিতে বিঘ্ন ঘটতে পারে বলে এ চিঠি দেওয়া হয়েছে।’
বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিউবো) চট্টগ্রাম বিতরণ বিভাগের ফার্নেস অয়েল, কয়লা ও পানিনির্ভর ২৮টি বিদ্যুৎকেন্দ্র থাকলেও বন্ধ রয়েছে ১০টি। এর মধ্যে কিছু বিদ্যুৎকেন্দ্র আছে যেগুলো সকালে বন্ধ থাকলেও রাতে চালানো হয়। আবার কিছু কেন্দ্র যান্ত্রিক ত্রুটি ও জ্বালানি সংকটে বন্ধ রয়েছে। চট্টগ্রামের সবকটি বিদ্যুৎকেন্দ্রে উৎপাদন সক্ষমতা ৪ হাজার ৬শ মেগাওয়াটের বেশি। তবে ২০ এপ্রিল এসব কেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদিত হয়েছে অফ-পিক আওয়ারে ২ হাজার ১৫২ দশমিক ৭০ মেগাওয়াট এবং পিক আওয়ারে ২ হাজার ৩৪৯ দশমিক ৫০ মেগাওয়াট। অর্থাৎ বিদ্যুতের উৎপাদন নেমেছে অর্ধেকে।
বিউবো সূত্রে জানা গেছে, বিউবোর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে পিক-আওয়ার সাধারণত বিকাল ৫টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত, যখন চাহিদা সর্বোচ্চ থাকে। অন্যদিকে অফ-পিক আওয়ার হলো রাত ১১টা থেকে পরদিন বিকাল ৫টা পর্যন্ত, তখন বিদ্যুতের চাহিদা কম থাকে। এর মধ্যে পিক-আওয়ারে বেশি লোডশেডিং হচ্ছে।
চট্টগ্রাম পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ বশির আহমেদ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘চট্টগ্রামে বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) সর্বোচ্চ ৩৪ দশমিক ৮ এবং সর্বনিম্ন ২৭ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা ছিল।’ সামনে তাপমাত্রা আরও বাড়তে পারে বলেও জানিয়েছেন এ কর্মকর্তা।
পিডিবির ২০ এপ্রিলের বিদ্যুৎ বিতরণের তালিকায় দেখা গেছে, ৫০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন বারাকা বিদ্যুৎকেন্দ্র সকালে বন্ধ থাকলেও রাতে পুরোদমে চালু ছিল। দোহাজারি ১০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্রটি ওইদিন সকালে বন্ধ থাকলেও রাতে চালুর পর ১৭ মেগাওয়াট করে বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়। বেসরকারি খাতের কেন্দ্রগুলোর মধ্যে জুডিয়াক, জুলদা-২ এবং জুলদা-৩ থেকে উৎপাদন হচ্ছে না বিদ্যুৎ। কাপ্তাই পানি বিদ্যুৎকেন্দ্রের ৫টি ইউনিটের মধ্যে সচল ছিল ২টি। ওইদিন সচল দুটি ইউনিট থেকে দিনের বেলায় ৭০ মেগাওয়াট এবং রাতে ৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়। দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ রয়েছে রাউজানের ৪২০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন দুটি ইউনিট। প্রতিটি ইউনিট ২১০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন।
চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান মিলিয়ে চট্টগ্রাম বিদ্যুৎ বিতরণ অঞ্চল (দক্ষিণ) গঠিত। এ অঞ্চলে প্রতিদিন বিদ্যুতের গড় চাহিদা ১ হাজার ৩শ থেকে ১ হাজার ৪ শ মেগাওয়াট। কিন্তু দেশের অন্যান্য এলাকার চাহিদা মেটাতে গিয়ে জাতীয় গ্রিড থেকে চট্টগ্রাম সরবরাহ পায় প্রয়োজনের চেয়ে কম।
রাউজান তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মোহাম্মদ মুজিবুর রহমান বলেন, ‘রাউজানে ৪২০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন দুটি বিদ্যুৎকেন্দ্র আছে। প্রতিটি ২১০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন। এর মধ্যে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে ১ নম্বর ইউনিটটি দীর্ঘ এক বছরের বেশি ধরে বন্ধ রয়েছে। সচল থাকলেও গ্যাস সংকটের কারণে বন্ধ রয়েছে ২ নম্বর ইউনিটটি।’
এ কর্মকর্তা আরও জানান, এখানকার দুটি বিদ্যুৎকেন্দ্রই অনেক পুরনো। ১ নম্বর ইউনিটটি নষ্ট হয়ে পড়ে থাকলেও সেটি মেরামতের উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। ২ নম্বর ইউনিটটিতে গ্যাস পাওয়া গেলে ১৮০ মেগাওয়াট পর্যন্ত বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব হবে। কবে গ্যাস পাওয়া যাবে তা আমার জানা নেই।’
এ প্রসঙ্গে কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের মহাব্যবস্থাপক প্রকৌশলী আমিনুর রহমান বলেন, ‘চট্টগ্রামে একটি বিদ্যুৎকেন্দ্রে গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে। শিকলবাহায় অবস্থিত ওই কেন্দ্রে দৈনিক ৩৭ থেকে ৩৮ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে। দু মাস আগে শিকলবাহা বন্ধ হলে রাউজানে গ্যাস সরবরাহ করা হয়। কয়েকদিন সেটি চালু ছিল। মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে এখন পুনরায় শিকলবাহায় গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে।’
এ ব্যাপারে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিউবো) চট্টগ্রামের সহকারী পরিচালক (জনসংযোগ) মো. আকবর হোসেন বলেন, ‘চট্টগ্রাম অঞ্চলে (চট্টগ্রামসহ তিন পার্বত্য জেলা ও কক্সবাজার) সোমবার (২০ এপ্রিল) অফ-পিক আওয়ারে বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ১ হাজার ৩৮৩ দশমিক ৬০ মেগাওয়াট এবং পিক-আওয়ারে চাহিদা ছিল ১ হাজার ৪৯০ দশমিক ৫০ মেগাওয়াট। এর মধ্যে অফ-পিক আওয়ারে ৬৭ মেগাওয়াট এবং পিক-আওয়ারে ১০৯ মেগাওয়াট বিদ্যুতের লোডশেডিং ছিল।’
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এনআইএন
নগরীর বহদ্দারহাট এলাকার বাসিন্দা ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের শিক্ষার্থী মরিয়ম আক্তার বলেন, ‘গত কিছুদিন ধরে বিদ্যুতের অনেক বেশি লোডশেডিং হচ্ছে। দিতে ৮ থেকে ১০ বার পর্যন্ত বিদ্যুতের লোডশেডিংয়ে ৬ থেকে ৭ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকে না। বিশেষ করে, রাতের বেলায় বিদ্যুতের লোডশেডিংয়ের কারণে লেখাপড়ায় ব্যাঘাত সৃষ্টি হচ্ছে।’
চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর ড. পারভেজ সাজ্জাদ চৌধুরী বলেন, ‘এসএসসি পরীক্ষা চলার সময় যাতে বিদ্যুতের লোডশেডিং না হয়, সেজন্য বিদ্যুৎ বিভাগকে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের পক্ষ থেকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। এ সময়ে লোডশেডিং হলে শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রস্তুতিতে বিঘ্ন ঘটতে পারে বলে এ চিঠি দেওয়া হয়েছে।’
বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিউবো) চট্টগ্রাম বিতরণ বিভাগের ফার্নেস অয়েল, কয়লা ও পানিনির্ভর ২৮টি বিদ্যুৎকেন্দ্র থাকলেও বন্ধ রয়েছে ১০টি। এর মধ্যে কিছু বিদ্যুৎকেন্দ্র আছে যেগুলো সকালে বন্ধ থাকলেও রাতে চালানো হয়। আবার কিছু কেন্দ্র যান্ত্রিক ত্রুটি ও জ্বালানি সংকটে বন্ধ রয়েছে। চট্টগ্রামের সবকটি বিদ্যুৎকেন্দ্রে উৎপাদন সক্ষমতা ৪ হাজার ৬শ মেগাওয়াটের বেশি। তবে ২০ এপ্রিল এসব কেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদিত হয়েছে অফ-পিক আওয়ারে ২ হাজার ১৫২ দশমিক ৭০ মেগাওয়াট এবং পিক আওয়ারে ২ হাজার ৩৪৯ দশমিক ৫০ মেগাওয়াট। অর্থাৎ বিদ্যুতের উৎপাদন নেমেছে অর্ধেকে।
বিউবো সূত্রে জানা গেছে, বিউবোর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে পিক-আওয়ার সাধারণত বিকাল ৫টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত, যখন চাহিদা সর্বোচ্চ থাকে। অন্যদিকে অফ-পিক আওয়ার হলো রাত ১১টা থেকে পরদিন বিকাল ৫টা পর্যন্ত, তখন বিদ্যুতের চাহিদা কম থাকে। এর মধ্যে পিক-আওয়ারে বেশি লোডশেডিং হচ্ছে।
চট্টগ্রাম পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ বশির আহমেদ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘চট্টগ্রামে বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) সর্বোচ্চ ৩৪ দশমিক ৮ এবং সর্বনিম্ন ২৭ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা ছিল।’ সামনে তাপমাত্রা আরও বাড়তে পারে বলেও জানিয়েছেন এ কর্মকর্তা।
পিডিবির ২০ এপ্রিলের বিদ্যুৎ বিতরণের তালিকায় দেখা গেছে, ৫০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন বারাকা বিদ্যুৎকেন্দ্র সকালে বন্ধ থাকলেও রাতে পুরোদমে চালু ছিল। দোহাজারি ১০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্রটি ওইদিন সকালে বন্ধ থাকলেও রাতে চালুর পর ১৭ মেগাওয়াট করে বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়। বেসরকারি খাতের কেন্দ্রগুলোর মধ্যে জুডিয়াক, জুলদা-২ এবং জুলদা-৩ থেকে উৎপাদন হচ্ছে না বিদ্যুৎ। কাপ্তাই পানি বিদ্যুৎকেন্দ্রের ৫টি ইউনিটের মধ্যে সচল ছিল ২টি। ওইদিন সচল দুটি ইউনিট থেকে দিনের বেলায় ৭০ মেগাওয়াট এবং রাতে ৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়। দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ রয়েছে রাউজানের ৪২০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন দুটি ইউনিট। প্রতিটি ইউনিট ২১০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন।
চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান মিলিয়ে চট্টগ্রাম বিদ্যুৎ বিতরণ অঞ্চল (দক্ষিণ) গঠিত। এ অঞ্চলে প্রতিদিন বিদ্যুতের গড় চাহিদা ১ হাজার ৩শ থেকে ১ হাজার ৪ শ মেগাওয়াট। কিন্তু দেশের অন্যান্য এলাকার চাহিদা মেটাতে গিয়ে জাতীয় গ্রিড থেকে চট্টগ্রাম সরবরাহ পায় প্রয়োজনের চেয়ে কম।
রাউজান তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মোহাম্মদ মুজিবুর রহমান বলেন, ‘রাউজানে ৪২০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন দুটি বিদ্যুৎকেন্দ্র আছে। প্রতিটি ২১০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন। এর মধ্যে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে ১ নম্বর ইউনিটটি দীর্ঘ এক বছরের বেশি ধরে বন্ধ রয়েছে। সচল থাকলেও গ্যাস সংকটের কারণে বন্ধ রয়েছে ২ নম্বর ইউনিটটি।’
এ কর্মকর্তা আরও জানান, এখানকার দুটি বিদ্যুৎকেন্দ্রই অনেক পুরনো। ১ নম্বর ইউনিটটি নষ্ট হয়ে পড়ে থাকলেও সেটি মেরামতের উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। ২ নম্বর ইউনিটটিতে গ্যাস পাওয়া গেলে ১৮০ মেগাওয়াট পর্যন্ত বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব হবে। কবে গ্যাস পাওয়া যাবে তা আমার জানা নেই।’
এ প্রসঙ্গে কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের মহাব্যবস্থাপক প্রকৌশলী আমিনুর রহমান বলেন, ‘চট্টগ্রামে একটি বিদ্যুৎকেন্দ্রে গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে। শিকলবাহায় অবস্থিত ওই কেন্দ্রে দৈনিক ৩৭ থেকে ৩৮ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে। দু মাস আগে শিকলবাহা বন্ধ হলে রাউজানে গ্যাস সরবরাহ করা হয়। কয়েকদিন সেটি চালু ছিল। মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে এখন পুনরায় শিকলবাহায় গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে।’
এ ব্যাপারে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিউবো) চট্টগ্রামের সহকারী পরিচালক (জনসংযোগ) মো. আকবর হোসেন বলেন, ‘চট্টগ্রাম অঞ্চলে (চট্টগ্রামসহ তিন পার্বত্য জেলা ও কক্সবাজার) সোমবার (২০ এপ্রিল) অফ-পিক আওয়ারে বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ১ হাজার ৩৮৩ দশমিক ৬০ মেগাওয়াট এবং পিক-আওয়ারে চাহিদা ছিল ১ হাজার ৪৯০ দশমিক ৫০ মেগাওয়াট। এর মধ্যে অফ-পিক আওয়ারে ৬৭ মেগাওয়াট এবং পিক-আওয়ারে ১০৯ মেগাওয়াট বিদ্যুতের লোডশেডিং ছিল।’
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এনআইএন