পশ্চিমবঙ্গে প্রথম দফার বিধানসভা নির্বাচনে ভোট দিতে পারেননি মীরজাফরের বংশধর ও ‘ছোটে নবাব’ হিসেবে পরিচিত সৈয়দ মুহাম্মদ রেজা আলী মির্জা।
জানা গেছে, প্রথম দফায় বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) মুর্শিদাবাদে ভোট গ্রহণ হলেও সৈয়দ মুহাম্মদ ফাহিম আলী মির্জা, তার ছেলে এবং পরিবারের যেসব সদস্যের নাম নেই, তারা ভোট দিতে পারেননি।
মীর জাফরের বংশের দেড়শোরও বেশি সদস্যের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে বলে পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে।
মুর্শিদাবাদের লালবাগের কেল্লা নিজামত এবং তার আশপাশের অঞ্চলে বাস করেন মীর জাফরের বংশের সদস্যরা।
পরিবারের অভিযোগ, প্রাথমিক ভোটার তালিকা প্রকাশ হওয়ার পরে অনেককেই শুনানিতে ডাকা হয়েছিল এবং সেখানে তারা সব নথিপত্র জমাও দিয়েছিলেন। তবুও তালিকা থেকে তাদের নাম বাদ গেছে।
ভারতের নির্বাচন কমিশন পরিচালিত স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন (এসআইআর) বা ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রক্রিয়ায় মীর জাফরের প্রায় ৩০০-৩৪৬ জন বংশধরের নাম তালিকা থেকে বাদ পড়েছে।
মীর জাফরের পরিবারের সদস্যদের প্রশ্ন, ১৯৪৭ সালে অনেক প্রলোভন সত্ত্বেও পরিবারের বেশিরভাগই পাকিস্তানে না গিয়ে ভারতে থেকে যায়, এত বছর পরে কেন নতুন করে তাদের নাগরিকত্বের প্রমাণ দিতে হবে?
ইতিহাসের পাতা থেকে জানা যায়, ১৭৫৭ সালের পলাশীর যুদ্ধে সিরাজউদ্দৌলার পরাজয়ের পর ব্রিটিশের সহায়তায় মসনদে বসেন মীরজাফর। বর্তমানে তার ১৫তম বংশধর মহম্মদ রেজা আলি মির্জা (যিনি মুর্শিদাবাদে ছোটে নবাব নামে পরিচিত) এখনও কিল্লা নিজামত এলাকার ঘণ্টা ঘরের কাছে পরিবার নিয়ে বসবাস করেন। ১৬তম বংশধর সৈয়দ মহম্মদ ফাহিম মির্জাও বাবার সঙ্গে একই বাড়িতে থাকেন। কিল্লা নিজামত চত্বরে নবাব পরিবারের আরও বহু সদস্যের বাস। তাদের অনেকের নামও ভোটার তালিকা থেকে স্থায়ীভাবে মুছে দেয়া হয়েছে।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এইচএইচ/এসকে
জানা গেছে, প্রথম দফায় বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) মুর্শিদাবাদে ভোট গ্রহণ হলেও সৈয়দ মুহাম্মদ ফাহিম আলী মির্জা, তার ছেলে এবং পরিবারের যেসব সদস্যের নাম নেই, তারা ভোট দিতে পারেননি।
মীর জাফরের বংশের দেড়শোরও বেশি সদস্যের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে বলে পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে।
মুর্শিদাবাদের লালবাগের কেল্লা নিজামত এবং তার আশপাশের অঞ্চলে বাস করেন মীর জাফরের বংশের সদস্যরা।
পরিবারের অভিযোগ, প্রাথমিক ভোটার তালিকা প্রকাশ হওয়ার পরে অনেককেই শুনানিতে ডাকা হয়েছিল এবং সেখানে তারা সব নথিপত্র জমাও দিয়েছিলেন। তবুও তালিকা থেকে তাদের নাম বাদ গেছে।
ভারতের নির্বাচন কমিশন পরিচালিত স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন (এসআইআর) বা ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রক্রিয়ায় মীর জাফরের প্রায় ৩০০-৩৪৬ জন বংশধরের নাম তালিকা থেকে বাদ পড়েছে।
মীর জাফরের পরিবারের সদস্যদের প্রশ্ন, ১৯৪৭ সালে অনেক প্রলোভন সত্ত্বেও পরিবারের বেশিরভাগই পাকিস্তানে না গিয়ে ভারতে থেকে যায়, এত বছর পরে কেন নতুন করে তাদের নাগরিকত্বের প্রমাণ দিতে হবে?
ইতিহাসের পাতা থেকে জানা যায়, ১৭৫৭ সালের পলাশীর যুদ্ধে সিরাজউদ্দৌলার পরাজয়ের পর ব্রিটিশের সহায়তায় মসনদে বসেন মীরজাফর। বর্তমানে তার ১৫তম বংশধর মহম্মদ রেজা আলি মির্জা (যিনি মুর্শিদাবাদে ছোটে নবাব নামে পরিচিত) এখনও কিল্লা নিজামত এলাকার ঘণ্টা ঘরের কাছে পরিবার নিয়ে বসবাস করেন। ১৬তম বংশধর সৈয়দ মহম্মদ ফাহিম মির্জাও বাবার সঙ্গে একই বাড়িতে থাকেন। কিল্লা নিজামত চত্বরে নবাব পরিবারের আরও বহু সদস্যের বাস। তাদের অনেকের নামও ভোটার তালিকা থেকে স্থায়ীভাবে মুছে দেয়া হয়েছে।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এইচএইচ/এসকে