চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যেই পায়রা বন্দর পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করতে সরকার জোরালো পদক্ষেপ নিয়েছে বলে জানিয়েছেন নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
বুধবার (২২ এপ্রিল) সংসদে পটুয়াখালী-৪ আসনের সংসদ সদস্য এবিএম মোশাররফ হোসেনের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, ২০১৫ সালে পায়রা বন্দর প্রতিষ্ঠার সম্ভাব্যতা যাচাই করা হয় এবং ২০১৬ সালে ভূমি অধিগ্রহণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রম শুরু হয়। ২০১৯ সালে বন্দরের প্রথম টার্মিনাল নির্মাণ এবং সড়ক-সেতু সংযোগ উন্নয়ন প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়, যা চলতি বছরের মধ্যেই শেষ হওয়ার কথা।
তিনি জানান, আন্ধারমানিক নদীর ওপর ১ হাজার ১৮০ মিটার দীর্ঘ চার লেনের সেতু এবং ৬ দশমিক ৩৫ কিলোমিটার দীর্ঘ টার্মিনাল সড়কের কাজ প্রায় শেষ। এসব অবকাঠামো সম্পন্ন হলে আগামী বছরের শুরুতে বন্দরটি পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করা সম্ভব হবে।
তবে রাবনাবাদ চ্যানেলে পর্যাপ্ত গভীরতা না থাকায় নিয়মিত ড্রেজিং প্রয়োজন বলে উল্লেখ করেন মন্ত্রী। এ লক্ষ্যে ড্রেজিং প্রকল্প ও আধুনিক ড্রেজার কেনার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানান তিনি।
মন্ত্রী বলেন, দেশের ৯৬ শতাংশ সামুদ্রিক বাণিজ্য বর্তমানে চট্টগ্রাম বন্দরের ওপর নির্ভরশীল। তাই বিকল্প বন্দর হিসেবে পায়রার উন্নয়ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, বন্দর চালু হলে দক্ষিণাঞ্চলে শিল্পায়ন, কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এইচএইচ/এসকে
বুধবার (২২ এপ্রিল) সংসদে পটুয়াখালী-৪ আসনের সংসদ সদস্য এবিএম মোশাররফ হোসেনের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, ২০১৫ সালে পায়রা বন্দর প্রতিষ্ঠার সম্ভাব্যতা যাচাই করা হয় এবং ২০১৬ সালে ভূমি অধিগ্রহণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রম শুরু হয়। ২০১৯ সালে বন্দরের প্রথম টার্মিনাল নির্মাণ এবং সড়ক-সেতু সংযোগ উন্নয়ন প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়, যা চলতি বছরের মধ্যেই শেষ হওয়ার কথা।
তিনি জানান, আন্ধারমানিক নদীর ওপর ১ হাজার ১৮০ মিটার দীর্ঘ চার লেনের সেতু এবং ৬ দশমিক ৩৫ কিলোমিটার দীর্ঘ টার্মিনাল সড়কের কাজ প্রায় শেষ। এসব অবকাঠামো সম্পন্ন হলে আগামী বছরের শুরুতে বন্দরটি পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করা সম্ভব হবে।
তবে রাবনাবাদ চ্যানেলে পর্যাপ্ত গভীরতা না থাকায় নিয়মিত ড্রেজিং প্রয়োজন বলে উল্লেখ করেন মন্ত্রী। এ লক্ষ্যে ড্রেজিং প্রকল্প ও আধুনিক ড্রেজার কেনার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানান তিনি।
মন্ত্রী বলেন, দেশের ৯৬ শতাংশ সামুদ্রিক বাণিজ্য বর্তমানে চট্টগ্রাম বন্দরের ওপর নির্ভরশীল। তাই বিকল্প বন্দর হিসেবে পায়রার উন্নয়ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, বন্দর চালু হলে দক্ষিণাঞ্চলে শিল্পায়ন, কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এইচএইচ/এসকে