ইথিওপিয়ার প্রেসিডেন্ট তায়ে আতস্কেসেলাসি মাদে’র সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রেসিডেন্টকে ঢাকায় দূতাবাস খোলার অনুরোধ করেছেন। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। এসময় প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির উপস্থিত ছিলেন।
সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশ ও ইথিওপিয়ার মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়, বিশেষ করে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, শিক্ষা, কৃষি ও সাংস্কৃতিক বিনিময়ের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
শুরুতে ইথিওপিয়ার প্রেসিডেন্ট ফেব্রুয়ারির নির্বাচন সফলভাবে পরিচালনার জন্য বাংলাদেশের নতুন সরকার এবং জনগণকে অভিনন্দন জানান এবং সাম্প্রতিক সাধারণ নির্বাচনে বিপুল বিজয়ের জন্য বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানান। তিনি জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বিশেষ করে আফ্রিকায় বাংলাদেশের অব্যাহত অবদানের প্রশংসা করেন।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী অর্থনৈতিক সম্পৃক্ততা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং তৈরি পোশাক, ওষুধ ও পাটজাত পণ্যসহ সহযোগিতার সম্ভাব্য ক্ষেত্রগুলো চিহ্নিত করেন।
প্রেসিডেন্ট ইথিওপিয়ায় বিশেষ করে গার্মেন্টস ও ফার্মাসিউটিক্যাল খাতে বাংলাদেশের বিনিয়োগকে স্বাগত জানান। তিনি বাণিজ্য ও বিনিয়োগের সুবিধার্থে ব্যবসা পর্যায়ে সহযোগিতাসহ দুদেশের ব্যবসায়ী সম্প্রদায়ের মধ্যে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন।
উভয়পক্ষই জাতিসংঘ, ন্যাম, গ্রুপ অফ ৭৭ এবং দক্ষিণ-দক্ষিণ সহযোগিতাসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ফোরামে দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান সহযোগিতায় সন্তোষ প্রকাশ করেন। বহুপাক্ষিক ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও জোরদার করার বিষয়ে তারা তাদের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইথিওপিয়ার প্রেসিডেন্টকে পারস্পরিক সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এনআইএন
সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশ ও ইথিওপিয়ার মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়, বিশেষ করে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, শিক্ষা, কৃষি ও সাংস্কৃতিক বিনিময়ের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
শুরুতে ইথিওপিয়ার প্রেসিডেন্ট ফেব্রুয়ারির নির্বাচন সফলভাবে পরিচালনার জন্য বাংলাদেশের নতুন সরকার এবং জনগণকে অভিনন্দন জানান এবং সাম্প্রতিক সাধারণ নির্বাচনে বিপুল বিজয়ের জন্য বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানান। তিনি জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বিশেষ করে আফ্রিকায় বাংলাদেশের অব্যাহত অবদানের প্রশংসা করেন।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী অর্থনৈতিক সম্পৃক্ততা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং তৈরি পোশাক, ওষুধ ও পাটজাত পণ্যসহ সহযোগিতার সম্ভাব্য ক্ষেত্রগুলো চিহ্নিত করেন।
প্রেসিডেন্ট ইথিওপিয়ায় বিশেষ করে গার্মেন্টস ও ফার্মাসিউটিক্যাল খাতে বাংলাদেশের বিনিয়োগকে স্বাগত জানান। তিনি বাণিজ্য ও বিনিয়োগের সুবিধার্থে ব্যবসা পর্যায়ে সহযোগিতাসহ দুদেশের ব্যবসায়ী সম্প্রদায়ের মধ্যে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন।
উভয়পক্ষই জাতিসংঘ, ন্যাম, গ্রুপ অফ ৭৭ এবং দক্ষিণ-দক্ষিণ সহযোগিতাসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ফোরামে দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান সহযোগিতায় সন্তোষ প্রকাশ করেন। বহুপাক্ষিক ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও জোরদার করার বিষয়ে তারা তাদের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইথিওপিয়ার প্রেসিডেন্টকে পারস্পরিক সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এনআইএন