রাজনীতির মাঠে হঠাৎ আলোচনায় উঠে এসেছেন গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলা আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক সুবর্ণা শিকদার (ঠাকুর)। আওয়ামী লীগের পদে থাকা সত্ত্বেও তিনি বিএনপির মনোনয়ন পাওয়ায় বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তুমুল আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে।
সোমবার (২০ এপ্রিল) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য বিএনপি ৩৬ জন প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে। সেই তালিকার ২০ নম্বরে রয়েছেন সুবর্ণা শিকদারের (ঠাকুর) নাম। আর এখানেই বিতর্কের সূত্রপাত।
কারণ, দলীয় নথি অনুযায়ী, সুবর্ণা ঠাকুর কাশিয়ানী উপজেলা আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে তালিকাভুক্ত। ২০২২ সালের ৩০ নভেম্বর অনুষ্ঠিত ত্রিবার্ষিক সম্মেলনের পর ২০২৩ সালের ১ জানুয়ারি প্রকাশিত পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে তার নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়। ওই তালিকায় জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জি এম সাহাবুদ্দিন আজমের স্বাক্ষরও রয়েছে।
তবে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করতে গিয়ে সুবর্ণা ঠাকুর ভিন্ন দাবি করেছেন। তার ভাষ্য, ‘আওয়ামী লীগের কমিটিতে আমার নাম রাখা হয়েছিল আমার অনুমতি ছাড়াই। আমি কখনো সক্রিয়ভাবে ওই দলের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলাম না।’
তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন ছবিতে আওয়ামী লীগের একাধিক কর্মসূচিতে তার উপস্থিতি দেখা গেছে।
উল্লেখ্য, সুবর্ণা ঠাকুর মতুয়া সম্প্রদায়ের একজন নারী এবং ওড়াকান্দির হরিচাঁদ ঠাকুর পরিবারের সদস্য। পেশাগতভাবে তিনি একজন শিক্ষক।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এইচএইচ/এসকে
সোমবার (২০ এপ্রিল) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য বিএনপি ৩৬ জন প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে। সেই তালিকার ২০ নম্বরে রয়েছেন সুবর্ণা শিকদারের (ঠাকুর) নাম। আর এখানেই বিতর্কের সূত্রপাত।
কারণ, দলীয় নথি অনুযায়ী, সুবর্ণা ঠাকুর কাশিয়ানী উপজেলা আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে তালিকাভুক্ত। ২০২২ সালের ৩০ নভেম্বর অনুষ্ঠিত ত্রিবার্ষিক সম্মেলনের পর ২০২৩ সালের ১ জানুয়ারি প্রকাশিত পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে তার নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়। ওই তালিকায় জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জি এম সাহাবুদ্দিন আজমের স্বাক্ষরও রয়েছে।
তবে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করতে গিয়ে সুবর্ণা ঠাকুর ভিন্ন দাবি করেছেন। তার ভাষ্য, ‘আওয়ামী লীগের কমিটিতে আমার নাম রাখা হয়েছিল আমার অনুমতি ছাড়াই। আমি কখনো সক্রিয়ভাবে ওই দলের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলাম না।’
তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন ছবিতে আওয়ামী লীগের একাধিক কর্মসূচিতে তার উপস্থিতি দেখা গেছে।
উল্লেখ্য, সুবর্ণা ঠাকুর মতুয়া সম্প্রদায়ের একজন নারী এবং ওড়াকান্দির হরিচাঁদ ঠাকুর পরিবারের সদস্য। পেশাগতভাবে তিনি একজন শিক্ষক।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এইচএইচ/এসকে