জাপানের উত্তর পূর্বাঞ্চলীয় ইওয়াত উপকূলের কাছে ৭ দশমিক ৪ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। এ ঘটনায় ইওয়াত, আওমোরি এবং হোক্কাইডোতে ৩ মিটার উঁচু ঢেউয়ের আশঙ্কাসহ সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
সোমবার (২০ এপ্রিল) এ ভূমিকম্প আঘাত হানে।
জাপান আবহাওয়া সংস্থার (জেএমএ) বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
প্রতিবেদনে বলা হয়, সোমবার স্থানীয় সময় বিকেলে উত্তর পূর্বাঞ্চলীয় উপকূলে ৭ দশমিক ৪ প্রাথমিক মাত্রার একটি ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে।
এক সর্তকবার্তায় দেশটির আবহাওয়া সংস্থা জানায়, ভূমিকম্পের কারণে ইওয়াত, আওমোরি এবং হোক্কাইডো প্রিফেকচারে ৩ মিটার (৯ দশমিক ৮৪ ফুট) পর্যন্ত উঁচু সুনামির আশঙ্কা করা হচ্ছে।
জেএমএ-এর তথ্যানুযায়ী, ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল ছিল প্রশান্ত মহাসাগরে এবং এর গভীরতা ছিল ১০ কিলোমিটার।
জাপানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম এনএইচকের খবরে বলা হয়, ভূমিকম্পের পর কোনো অস্বাভাবিকতা আছে কি না তা খতিয়ে দেখতে কর্তৃপক্ষ ওনাগাওয়া পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রটি পরীক্ষা করছে।
ভূমিকম্পের পর তাৎক্ষণিকভাবে কোনো হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি ভূমিকম্প-বিধ্বস্ত এলাকার বাসিন্দাদের উঁচু স্থানে আশ্রয় নেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
২০১১ সালে ৯ মাত্রার ভূমিকম্পে যে সুনামি আঘাত হানে, তাতে ১৮ হাজার ৫০০ মানুষ নিহত বা নিখোঁজ হন এবং ফুকুশিমা পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে ভয়াবহ বিপর্যয় ঘটে। জাপান প্রশান্ত মহাসাগরের রিং অব ফায়ারের পশ্চিম প্রান্তে চারটি বড় টেকটোনিক প্লেটের ওপর অবস্থিত। এটি বিশ্বের সবচেয়ে ভূমিকম্পপ্রবণ দেশগুলোর একটি।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এইচএইচ/এসকে
সোমবার (২০ এপ্রিল) এ ভূমিকম্প আঘাত হানে।
জাপান আবহাওয়া সংস্থার (জেএমএ) বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
প্রতিবেদনে বলা হয়, সোমবার স্থানীয় সময় বিকেলে উত্তর পূর্বাঞ্চলীয় উপকূলে ৭ দশমিক ৪ প্রাথমিক মাত্রার একটি ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে।
এক সর্তকবার্তায় দেশটির আবহাওয়া সংস্থা জানায়, ভূমিকম্পের কারণে ইওয়াত, আওমোরি এবং হোক্কাইডো প্রিফেকচারে ৩ মিটার (৯ দশমিক ৮৪ ফুট) পর্যন্ত উঁচু সুনামির আশঙ্কা করা হচ্ছে।
জেএমএ-এর তথ্যানুযায়ী, ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল ছিল প্রশান্ত মহাসাগরে এবং এর গভীরতা ছিল ১০ কিলোমিটার।
জাপানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম এনএইচকের খবরে বলা হয়, ভূমিকম্পের পর কোনো অস্বাভাবিকতা আছে কি না তা খতিয়ে দেখতে কর্তৃপক্ষ ওনাগাওয়া পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রটি পরীক্ষা করছে।
ভূমিকম্পের পর তাৎক্ষণিকভাবে কোনো হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি ভূমিকম্প-বিধ্বস্ত এলাকার বাসিন্দাদের উঁচু স্থানে আশ্রয় নেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
২০১১ সালে ৯ মাত্রার ভূমিকম্পে যে সুনামি আঘাত হানে, তাতে ১৮ হাজার ৫০০ মানুষ নিহত বা নিখোঁজ হন এবং ফুকুশিমা পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে ভয়াবহ বিপর্যয় ঘটে। জাপান প্রশান্ত মহাসাগরের রিং অব ফায়ারের পশ্চিম প্রান্তে চারটি বড় টেকটোনিক প্লেটের ওপর অবস্থিত। এটি বিশ্বের সবচেয়ে ভূমিকম্পপ্রবণ দেশগুলোর একটি।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এইচএইচ/এসকে