ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটে অবিনব কায়দায় একরাতে গভীর নলকূপ সেচ পাম্পের পল্লী বিদ্যুতের তিনটি ট্রান্সফারমারের কয়েল চুরি করে নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার ধারা ইউনিয়নের কুতুরা গ্রামে।
রবিবার (১৯ এপ্রিল) সকালে সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ট্রন্সফরমার থেকে কয়েলগুলো নিয়ে যাওয়ার সময় নিচে যন্ত্রাংশ ফেলে রেখে যায় চোরচক্র। এ সময় বিদ্যুতের খুঁটির নিচে থাকা রোপণ করা বোরো ধানের ক্ষেত ক্ষতিগ্রস্থ হয়।
সেচ পাম্পের ম্যানেজার ফুজায়েল মন্ডল বলেন, ‘গত বৃহস্পতিবার গভীর রাতে সেচ পাম্পের জন্য স্থাপন করা তিনটি ট্রান্সফরমারের কয়েল নিয়ে গেছে চোরচক্রের সদস্যরা। প্রায় ১০০ একর জমির আবাদ হয় এই সেচ পাম্প দিয়ে। পল্লী বিদ্যুত ও প্রশাসনের সহযোগিতা ছাড়া তিনটি ট্রান্সফরমার এই মুহূর্তে পুনরায় বসানো সম্ভব নয়।’
স্থানীয় কৃষক নাজমুল ইসলাম বলেন, ‘চলতি বোরো মৌসুমে জমিতে সেচ দেওয়া নিয়ে নতুন করে তৈরি হয়েছে সংশয়।
সামনে যদি বৃষ্টি না হয় তাহলে জমির রোপন করা ফসল ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হবে। এতে কৃষকরা আতঙ্কের মধ্যে রয়েছে।’
এ বিষয়ে হালুয়াঘাট পল্লী বিদ্যুতের অফিসে যোগাযোগ করেও কাউকে পাওয়া যায়নি।
হালুয়াঘাট থানার ওসি মো. ফেরদৌস আলম বলেন, ‘হালুয়াঘাট থানায় একটি লিখিত ডায়েরি করা হয়েছে।
পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। চুরি রোধে বিট পুলিশিংয়ের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। আর চোর ধরতে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন
রবিবার (১৯ এপ্রিল) সকালে সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ট্রন্সফরমার থেকে কয়েলগুলো নিয়ে যাওয়ার সময় নিচে যন্ত্রাংশ ফেলে রেখে যায় চোরচক্র। এ সময় বিদ্যুতের খুঁটির নিচে থাকা রোপণ করা বোরো ধানের ক্ষেত ক্ষতিগ্রস্থ হয়।
সেচ পাম্পের ম্যানেজার ফুজায়েল মন্ডল বলেন, ‘গত বৃহস্পতিবার গভীর রাতে সেচ পাম্পের জন্য স্থাপন করা তিনটি ট্রান্সফরমারের কয়েল নিয়ে গেছে চোরচক্রের সদস্যরা। প্রায় ১০০ একর জমির আবাদ হয় এই সেচ পাম্প দিয়ে। পল্লী বিদ্যুত ও প্রশাসনের সহযোগিতা ছাড়া তিনটি ট্রান্সফরমার এই মুহূর্তে পুনরায় বসানো সম্ভব নয়।’
স্থানীয় কৃষক নাজমুল ইসলাম বলেন, ‘চলতি বোরো মৌসুমে জমিতে সেচ দেওয়া নিয়ে নতুন করে তৈরি হয়েছে সংশয়।
সামনে যদি বৃষ্টি না হয় তাহলে জমির রোপন করা ফসল ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হবে। এতে কৃষকরা আতঙ্কের মধ্যে রয়েছে।’
এ বিষয়ে হালুয়াঘাট পল্লী বিদ্যুতের অফিসে যোগাযোগ করেও কাউকে পাওয়া যায়নি।
হালুয়াঘাট থানার ওসি মো. ফেরদৌস আলম বলেন, ‘হালুয়াঘাট থানায় একটি লিখিত ডায়েরি করা হয়েছে।
পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। চুরি রোধে বিট পুলিশিংয়ের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। আর চোর ধরতে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন