পুরনো বছরের গ্লানি, দুঃখ-বঞ্চনা ধুঁয়ে-মুছে নতুন আগামীর প্রত্যাশায় পটুয়াখালীর কুয়াকাট উপজেলার কুয়াকাটায় রাখাইন মহিলা মার্কেট মাঠে শুরু হয়েছে আদিবাসী রাখাইন সম্প্রদায়ের “ রাখাইন মাহা সাংগ্রাই জলকেলী” উৎসব-২০২৫। বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বিকেলে শুরু হওয়া এ উৎসবে অংশ নেন কলাপাড়া উপজেলা ও বরগুনার তালতলীর বিভিন্ন রাখাইন পল্লীর সব বয়সী নারী-পুরুষ।
তিনদিন ব্যাপী এ উৎসবের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও কুয়াকাটা পৌরসভার প্রশাসক মো. ইয়াসীন সাদেক। এছাড়া মহিপুর থানার ওসি মো. মহব্বত খান উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, পটুয়াখালী রাখাইন বুড্ডিস্ট ওয়েলফেয়ার এসাসিয়েশন সভাপতি এমং তালুকদার। সঞ্চালনা করেন আদিবাসী ফোরাম নেতা সংগঠক রাখাইন মংম্যা।
রাখাইন মাহা সাংগ্রাইন, বর্ষবরণ ও জলকেলি উৎসব উদযাপন কমিটি আয়োজিত এই সাংগ্রাই উৎসবকে ঘিরে কুয়াকাটার কেরানীপাড়া রাখাইন পল্লীতে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে বিরাজ করে উৎসবমুখর পরিবেশ। শত শত রাখাইন নারী-পুরুষ যুবা অংশ নেয় বর্ষবরণ ও জলকেলি উৎসবে। বিশেষ করে জলকেলি উৎসবে ভিড় ছিল লক্ষণীয়।
কলাপাড়া উপজেলার অন্তত ২৭ রাখাইন পল্লীসহ বরগুনার তালতলী উপজেলার রাখাইনরা এই অনুষ্ঠানে বরাবরের মতো অংশ নেয়। তারা সকাল থেকে ধর্মীয়, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের পাশাপাশি বিকেলে জলকেলী উৎসবে মিলিত হয়েছেন। পুরনো বছরের পঙ্কিলতাকে ধুঁয়ে-মুছে নতুন বছরকে স্বাগত জানায় এই উৎসবের মধ্য দিয়ে।
আদিবাসি রাখাইন সম্প্রদায়ের বিশ্বাস, পুঁজা অর্চনা ধর্মীয় বিভিন্ন অনুষ্ঠান শেষে নতুন বছরের শুরুতে এ দিন গুলোতে যুবক-যুবতীরা একে অপরের প্রতি জল ছুড়ে দিলে সকল পঙ্কিলতাকে ধুয়ে মুছে নতুন জীবনের ধারা সূচিত হবে। তাই তারা প্রাণের উচ্ছ্বাসে মেতে ওঠে জলকেলি উৎসবের মধ্য দিয়ে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের শুরুতে রাখাইন তরুনী ও শিশুরা নৃত্য পরিবেশন করে। পরে জলকেলি উৎসবে অংশ নেয়।
বর্ণাঢ্য এই উৎসবকে ঘিরে কলাপাড়া উপজেলার বিভিন্ন রাখাইন পল্লীতে বিরাজ করছে উৎসবমুখর পরিবেশ। রাখাইন পরিবারের সদস্যরা নতুন পোশাকে সজ্জিত হয়ে উপস্থি হন এ অনুষ্ঠানে। তিনদিনব্যাপী এই উৎসবে শুধু রাখাইন নয়। বিভিন্ন ধর্মাবলম্বী শত শত মানুষের ভিড় জমে। সাগরপারের কুয়াকাটায় বিরাজ করে উৎসবমুখর পরিবেশ। আগামি শনিবার এ উৎসবের সমাপ্তি ঘটবে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এইচএইচ/এসকে
তিনদিন ব্যাপী এ উৎসবের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও কুয়াকাটা পৌরসভার প্রশাসক মো. ইয়াসীন সাদেক। এছাড়া মহিপুর থানার ওসি মো. মহব্বত খান উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, পটুয়াখালী রাখাইন বুড্ডিস্ট ওয়েলফেয়ার এসাসিয়েশন সভাপতি এমং তালুকদার। সঞ্চালনা করেন আদিবাসী ফোরাম নেতা সংগঠক রাখাইন মংম্যা।
রাখাইন মাহা সাংগ্রাইন, বর্ষবরণ ও জলকেলি উৎসব উদযাপন কমিটি আয়োজিত এই সাংগ্রাই উৎসবকে ঘিরে কুয়াকাটার কেরানীপাড়া রাখাইন পল্লীতে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে বিরাজ করে উৎসবমুখর পরিবেশ। শত শত রাখাইন নারী-পুরুষ যুবা অংশ নেয় বর্ষবরণ ও জলকেলি উৎসবে। বিশেষ করে জলকেলি উৎসবে ভিড় ছিল লক্ষণীয়।
কলাপাড়া উপজেলার অন্তত ২৭ রাখাইন পল্লীসহ বরগুনার তালতলী উপজেলার রাখাইনরা এই অনুষ্ঠানে বরাবরের মতো অংশ নেয়। তারা সকাল থেকে ধর্মীয়, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের পাশাপাশি বিকেলে জলকেলী উৎসবে মিলিত হয়েছেন। পুরনো বছরের পঙ্কিলতাকে ধুঁয়ে-মুছে নতুন বছরকে স্বাগত জানায় এই উৎসবের মধ্য দিয়ে।
আদিবাসি রাখাইন সম্প্রদায়ের বিশ্বাস, পুঁজা অর্চনা ধর্মীয় বিভিন্ন অনুষ্ঠান শেষে নতুন বছরের শুরুতে এ দিন গুলোতে যুবক-যুবতীরা একে অপরের প্রতি জল ছুড়ে দিলে সকল পঙ্কিলতাকে ধুয়ে মুছে নতুন জীবনের ধারা সূচিত হবে। তাই তারা প্রাণের উচ্ছ্বাসে মেতে ওঠে জলকেলি উৎসবের মধ্য দিয়ে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের শুরুতে রাখাইন তরুনী ও শিশুরা নৃত্য পরিবেশন করে। পরে জলকেলি উৎসবে অংশ নেয়।
বর্ণাঢ্য এই উৎসবকে ঘিরে কলাপাড়া উপজেলার বিভিন্ন রাখাইন পল্লীতে বিরাজ করছে উৎসবমুখর পরিবেশ। রাখাইন পরিবারের সদস্যরা নতুন পোশাকে সজ্জিত হয়ে উপস্থি হন এ অনুষ্ঠানে। তিনদিনব্যাপী এই উৎসবে শুধু রাখাইন নয়। বিভিন্ন ধর্মাবলম্বী শত শত মানুষের ভিড় জমে। সাগরপারের কুয়াকাটায় বিরাজ করে উৎসবমুখর পরিবেশ। আগামি শনিবার এ উৎসবের সমাপ্তি ঘটবে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এইচএইচ/এসকে