কৃষকদের মাঝে গাছের চারা বিতরণকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘উপস্থিত ভাই ও বোনেরা, উনাদের একেকটা করে গাছের চারা দিচ্ছি। কয়েকজনকে জাম গাছ দিয়েছি, আম গাছ দিয়েছি, উনাদের বলেছি এগুলো বাসার সামনে রোপণ করতে হবে। উনাদের আশপাশে যারা আছে, খেয়াল করবেন। আর যারা আম গাছ পেয়েছে, জাম গাছ পেয়েছে তাদেরকে আমি বলেছি, আম যখন ধরবে, জাম যখন ধরবে, আমি খাবো, আমাকে পাঠাবেন, আপনারাও খেয়াল রাখবেন।’
মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) দুপুরে টাঙ্গাইলে শহিদ মারুফ স্টেডিয়ামে কৃষক কার্ড কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।
তিনি বলেন, ‘বর্তমান নির্বাচিত সরকারের লক্ষ্যই হচ্ছে, কৃষককে আত্মনির্ভরশীল হিসেবে গড়ে তোলা, কৃষককে সচ্ছল হিসেবে গড়ে তোলা। সেজন্যই এই কৃষক কার্ড আমরা দিয়েছি।’
প্রধানমন্ত্রী জানান, আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে সরকার পর্যায়ক্রমে দুই কোটি ৭৫ লাখ কৃষকের হাতে কৃষক কার্ড পৌঁছে দেবে।
ঢাকা থেকে সড়ক পথে প্রধানমন্ত্রী সরাসরি টাঙ্গাইলে শহিদ মারুফ স্টেডিয়াম আসেন। বেলা ১২টা ২২ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী কৃষক কার্ড কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।
প্রধানমন্ত্রী ল্যাপটপে বাটন চাপ দেয়ার সঙ্গে সঙ্গে টাঙ্গাইলসহ সারা দেশে ১১টি উপজেলার ২২ হাজার ৬৭ জন কৃষকের প্রত্যেকের মোবাইলের মাধ্যমে ব্যাংক অ্যাকাউন্টে আড়াই হাজার টাকার নগদ অর্থ চলে যায়। টাঙ্গাইলে এক হাজার ৪৫৩ জন কৃষক এই অর্থ পান।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচএইচ/এসকে
মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) দুপুরে টাঙ্গাইলে শহিদ মারুফ স্টেডিয়ামে কৃষক কার্ড কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।
তিনি বলেন, ‘বর্তমান নির্বাচিত সরকারের লক্ষ্যই হচ্ছে, কৃষককে আত্মনির্ভরশীল হিসেবে গড়ে তোলা, কৃষককে সচ্ছল হিসেবে গড়ে তোলা। সেজন্যই এই কৃষক কার্ড আমরা দিয়েছি।’
প্রধানমন্ত্রী জানান, আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে সরকার পর্যায়ক্রমে দুই কোটি ৭৫ লাখ কৃষকের হাতে কৃষক কার্ড পৌঁছে দেবে।
ঢাকা থেকে সড়ক পথে প্রধানমন্ত্রী সরাসরি টাঙ্গাইলে শহিদ মারুফ স্টেডিয়াম আসেন। বেলা ১২টা ২২ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী কৃষক কার্ড কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।
প্রধানমন্ত্রী ল্যাপটপে বাটন চাপ দেয়ার সঙ্গে সঙ্গে টাঙ্গাইলসহ সারা দেশে ১১টি উপজেলার ২২ হাজার ৬৭ জন কৃষকের প্রত্যেকের মোবাইলের মাধ্যমে ব্যাংক অ্যাকাউন্টে আড়াই হাজার টাকার নগদ অর্থ চলে যায়। টাঙ্গাইলে এক হাজার ৪৫৩ জন কৃষক এই অর্থ পান।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচএইচ/এসকে