নতুন বাংলা বছর ১৪৩৩-এর প্রথম দিনে চাষিদের হাতে ‘কৃষক কার্ড’ তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। টাঙ্গাইলে ১৫ জন কৃষকের হাতে কৃষক কার্ড ও গাছ তুলে দিয়ে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন তিনি।
মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে টাঙ্গাইল শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে সদর উপজেলার সুরুজ এলাকার কৃষকদের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘কৃষক কার্ড’ তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় কৃষকদের ফলের গাছ উপহার দেন প্রধানমন্ত্রী। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, কৃষকরা ভালো থাকলে বাংলাদেশ ভালো থাকবে। আপনারা ভোট দিয়ে আমাদের নির্বাচিত করেছেন, সেই আস্থার মর্যাদা রাখতে চায় সরকার।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, “পয়লা বৈশাখ বাংলা সংস্কৃতির ঐতিহ্য যা মিশে আসে কৃষক ভাই বোনদের সাথে। এর লক্ষ্যেই কৃষক কার্ড উদ্বোধনের জন্য দিনটিকে বেছে নেওয়া হয়েছে। এই সরকার জনগণের সরকার। তাই নির্বাচনে দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলো কালী মোছার আগেই বাস্তবায়ন করছে সরকার।”
তিনি বলেন, “আজকের এই প্রি পাইলটি প্রজেক্টের মাধ্যমে ২২ হাজার কৃষক এই কার্ড পাচ্ছেন। কৃষকরা নতুন করে হিসাবের খাতা খুলতেন, সেখান থকে পয়লা বৈশাখের অনুষ্ঠান। পয়লা বৈশাখ কৃষকদের সঙ্গে জড়িত বলেই কৃষক কার্ড কর্মসূচি উদ্বোধন করলাম।”
তিনি বলেন, “১১টি উপজেলায় প্রায় ২২ হাজার কৃষককে কৃষক কার্ড দেওয়া হয়েছে। ৫ বছরে ২ কোটি ৭৫ লাখ কৃষকদের হাতে পর্যায়ক্রমে কৃষক কার্ড বিতরণ করা হবে।”
তিনি বলেন, “দেশের কৃষক ভালো থাকলে সমগ্র বাংলাদেশ ভালো থাকবে। বর্তমান সরকারের লক্ষ্য কৃষককে আত্মনির্ভরশীল ও স্বচ্ছল হিসেবে গড়ে তোলা।”
প্রধানমন্ত্রী জানান, কৃষক কার্ডে থাকছে ১০ টি সুবিধা, এর মাধ্যমে কৃষকের অবস্থার পরিবর্তন হবে। খাদ্যঘাটতি মেটাতে, ফসল সংরক্ষণে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে কোল্ড স্টোরেজ স্থাপনের পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে বলেও জানান।
তিনি বলেন, “৫ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন করা হবে। খাল ও নদী খননের মাধ্যমে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর বাড়বে। এখন দেশ গড়ার সময়। নারীদের স্বাবলম্বী করার পাশাপাশি নির্বাচনের আগে জনগণকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করবে বর্তমান সরকার। বিএনপির লক্ষ্য হচ্ছে দেশের মানুষের ভাগ্য উন্নয়ন।”
এদিন সকালে ঢাকা থেকে সড়কপথে টাঙ্গাইলের উদ্দেশে রওনা হন প্রধানমন্ত্রী। টাঙ্গাইলে পৌঁছে সকাল ১০টায় মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর মাজার জিয়ারত করার কথা ছিল তার। কিন্তু পৌঁছাতে দেরি হওয়ায় সরাসরি সমাবেশস্থল শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে যান প্রধানমন্ত্রী।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন সোমবার (১৩ এপ্রিল) জানান, বিজয়ের মাত্র দুই মাসের মাথায় প্রধানমন্ত্রী তার ইশতেহারে দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলো একে একে বাস্তবায়ন করছেন। এ কর্মসূচির মূল লক্ষ্য কৃষকদের অধিকার রক্ষা এবং তাদের জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন করা।
তিনি বলেন, প্রথম পর্যায়ে দেশের ১০টি জেলার ১১টি উপজেলায় এ কার্যক্রম চালু করা হচ্ছে, যার মাধ্যমে পর্যায়ক্রমে প্রায় ৩০ লাখ কৃষককে এ বিশেষ কার্ডের আওতায় আনা হবে।
এদিকে, কৃষিমন্ত্রী আমিন উর রশিদ জানিয়েছেন, শুরুতে দেশের ১১টি কৃষি ব্লকে কর্মসূচির প্রাক-পাইলটিং পর্যায় বাস্তবায়ন করা হবে, যাতে ‘কৃষক কার্ড’ পাবেন ২০ হাজার ৬৭১ ভূমিহীন, প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষক। এই কার্ডের মাধ্যমে বছরে দুই হাজার ৫০০ টাকা নগদ সুবিধা পাবেন তারা।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এনআইএন
মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে টাঙ্গাইল শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে সদর উপজেলার সুরুজ এলাকার কৃষকদের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘কৃষক কার্ড’ তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় কৃষকদের ফলের গাছ উপহার দেন প্রধানমন্ত্রী। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, কৃষকরা ভালো থাকলে বাংলাদেশ ভালো থাকবে। আপনারা ভোট দিয়ে আমাদের নির্বাচিত করেছেন, সেই আস্থার মর্যাদা রাখতে চায় সরকার।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, “পয়লা বৈশাখ বাংলা সংস্কৃতির ঐতিহ্য যা মিশে আসে কৃষক ভাই বোনদের সাথে। এর লক্ষ্যেই কৃষক কার্ড উদ্বোধনের জন্য দিনটিকে বেছে নেওয়া হয়েছে। এই সরকার জনগণের সরকার। তাই নির্বাচনে দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলো কালী মোছার আগেই বাস্তবায়ন করছে সরকার।”
তিনি বলেন, “আজকের এই প্রি পাইলটি প্রজেক্টের মাধ্যমে ২২ হাজার কৃষক এই কার্ড পাচ্ছেন। কৃষকরা নতুন করে হিসাবের খাতা খুলতেন, সেখান থকে পয়লা বৈশাখের অনুষ্ঠান। পয়লা বৈশাখ কৃষকদের সঙ্গে জড়িত বলেই কৃষক কার্ড কর্মসূচি উদ্বোধন করলাম।”
তিনি বলেন, “১১টি উপজেলায় প্রায় ২২ হাজার কৃষককে কৃষক কার্ড দেওয়া হয়েছে। ৫ বছরে ২ কোটি ৭৫ লাখ কৃষকদের হাতে পর্যায়ক্রমে কৃষক কার্ড বিতরণ করা হবে।”
তিনি বলেন, “দেশের কৃষক ভালো থাকলে সমগ্র বাংলাদেশ ভালো থাকবে। বর্তমান সরকারের লক্ষ্য কৃষককে আত্মনির্ভরশীল ও স্বচ্ছল হিসেবে গড়ে তোলা।”
প্রধানমন্ত্রী জানান, কৃষক কার্ডে থাকছে ১০ টি সুবিধা, এর মাধ্যমে কৃষকের অবস্থার পরিবর্তন হবে। খাদ্যঘাটতি মেটাতে, ফসল সংরক্ষণে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে কোল্ড স্টোরেজ স্থাপনের পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে বলেও জানান।
তিনি বলেন, “৫ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন করা হবে। খাল ও নদী খননের মাধ্যমে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর বাড়বে। এখন দেশ গড়ার সময়। নারীদের স্বাবলম্বী করার পাশাপাশি নির্বাচনের আগে জনগণকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করবে বর্তমান সরকার। বিএনপির লক্ষ্য হচ্ছে দেশের মানুষের ভাগ্য উন্নয়ন।”
এদিন সকালে ঢাকা থেকে সড়কপথে টাঙ্গাইলের উদ্দেশে রওনা হন প্রধানমন্ত্রী। টাঙ্গাইলে পৌঁছে সকাল ১০টায় মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর মাজার জিয়ারত করার কথা ছিল তার। কিন্তু পৌঁছাতে দেরি হওয়ায় সরাসরি সমাবেশস্থল শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে যান প্রধানমন্ত্রী।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন সোমবার (১৩ এপ্রিল) জানান, বিজয়ের মাত্র দুই মাসের মাথায় প্রধানমন্ত্রী তার ইশতেহারে দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলো একে একে বাস্তবায়ন করছেন। এ কর্মসূচির মূল লক্ষ্য কৃষকদের অধিকার রক্ষা এবং তাদের জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন করা।
তিনি বলেন, প্রথম পর্যায়ে দেশের ১০টি জেলার ১১টি উপজেলায় এ কার্যক্রম চালু করা হচ্ছে, যার মাধ্যমে পর্যায়ক্রমে প্রায় ৩০ লাখ কৃষককে এ বিশেষ কার্ডের আওতায় আনা হবে।
এদিকে, কৃষিমন্ত্রী আমিন উর রশিদ জানিয়েছেন, শুরুতে দেশের ১১টি কৃষি ব্লকে কর্মসূচির প্রাক-পাইলটিং পর্যায় বাস্তবায়ন করা হবে, যাতে ‘কৃষক কার্ড’ পাবেন ২০ হাজার ৬৭১ ভূমিহীন, প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষক। এই কার্ডের মাধ্যমে বছরে দুই হাজার ৫০০ টাকা নগদ সুবিধা পাবেন তারা।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এনআইএন