সুনামগঞ্জের ‘দেখার হাওরের’ গুজাউনি ফসলরক্ষা বাঁধ ভেঙে পানি ঢুকছে; চার উপজেলার কৃষক সেই বাঁধ মেরামত করে বছরের একমাত্র ফসল বোরো ধান রক্ষায় লড়াই করছেন।
শনিবার (১১ এপ্রিল) ভোর রাতে হাওরের দুর্গম ও লোকালয়হীন এলাকায় বাঁধটি ভেঙে যায়। এরপরই খবর পেয়ে আশপাশের গ্রামের শত শত কৃষক বাঁধটি টিকিয়ে রাখতে মেরামতে নামেন।
সেখানে জেলা প্রশাসন, পানি উন্নয়ন বোর্ড ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা ছাড়াও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা রয়েছেন।
কৃষি কার্যালয় থেকে জানা গেছে, এই হাওরে ৪৫ হাজার ৮৫৯ হেক্টর জমি রয়েছে। এর মধ্যে ২৫ হাজার হেক্টরের বেশি আবাদ হয়েছে। সদর, শান্তিগঞ্জ, দোয়ারাবাজার ও ছাতক উপজেলার কৃষকরা এখানে বোরো আবাদ করেছেন। বাঁধটি রক্ষা করা না গেলে হাওরের বেশিরভাগ জমিই ডুবে যাবে।
শান্তিগঞ্জ উপজেলার আস্তমা গ্রামের কৃষক শহিদ মিয়া অভিযোগ করে বলেন, “বড়দই জলমহাল সংলগ্ন স্থানীয় কৈমারা নদীর বাঁধ কেটে গত মাসে মাছ আহরণ করেন বিলের ইজারাদাররা। তারা তখন নদীর বাঁধটি কেটে পানি নিষ্কাশন করে মাছ আহরণ করে। কিন্তু মাছ তুলে নেওয়ার পর বাঁধটি ভালো করে বেঁধে যাননি।
“ফলে মার্চ মাসের শেষ দিকে টানা বৃষ্টিতে বাঁধটি নড়বড়ে হয়ে যায়। স্থানীয় কৃষকরা বারবার প্রশাসন ও পাউবোকে বিষয়টি অবগত করলেও তারা গুরুত্ব দেননি।”
স্থানীয়রা বলেন, সকালে পানির চাপে বাঁধটি ভেঙে গেলে ‘দেখার হাওরে’ পানি ঢুকতে শুরু করে। তখন খবর পেয়ে স্থানীয় কৃষকরা ওড়া, কোদাল, বাঁশ, বস্তা নিয়ে বাঁধ রক্ষার চেষ্টায় নামেন। পরে পাউবোর লোকজনও ছুটে আসেন।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে পাউবো সুনামগঞ্জের নির্বাহী প্রকৌশলী মামুন হাওলাদার বলেন, “কৈমারা নদীর পাশের জলাশয়ের ইজারাদার মাছ ধরার পর বাঁধের কাজ ভালো করে করেনি। যার ফলে এই সমস্যা হয়েছে।
“আমরা ৩০০ বস্তা, বাঁশ দিয়েছি। কৃষকরা এখন বাঁধ রক্ষার কাজ করছেন। পানি নিয়ন্ত্রণে এসে গেছে। আশা করি, বড়ো সমস্যা হবে না।”
বাংলা স্কুপ/প্রতিনিধি/এইচএইচ/এসকে
শনিবার (১১ এপ্রিল) ভোর রাতে হাওরের দুর্গম ও লোকালয়হীন এলাকায় বাঁধটি ভেঙে যায়। এরপরই খবর পেয়ে আশপাশের গ্রামের শত শত কৃষক বাঁধটি টিকিয়ে রাখতে মেরামতে নামেন।
সেখানে জেলা প্রশাসন, পানি উন্নয়ন বোর্ড ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা ছাড়াও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা রয়েছেন।
কৃষি কার্যালয় থেকে জানা গেছে, এই হাওরে ৪৫ হাজার ৮৫৯ হেক্টর জমি রয়েছে। এর মধ্যে ২৫ হাজার হেক্টরের বেশি আবাদ হয়েছে। সদর, শান্তিগঞ্জ, দোয়ারাবাজার ও ছাতক উপজেলার কৃষকরা এখানে বোরো আবাদ করেছেন। বাঁধটি রক্ষা করা না গেলে হাওরের বেশিরভাগ জমিই ডুবে যাবে।
শান্তিগঞ্জ উপজেলার আস্তমা গ্রামের কৃষক শহিদ মিয়া অভিযোগ করে বলেন, “বড়দই জলমহাল সংলগ্ন স্থানীয় কৈমারা নদীর বাঁধ কেটে গত মাসে মাছ আহরণ করেন বিলের ইজারাদাররা। তারা তখন নদীর বাঁধটি কেটে পানি নিষ্কাশন করে মাছ আহরণ করে। কিন্তু মাছ তুলে নেওয়ার পর বাঁধটি ভালো করে বেঁধে যাননি।
“ফলে মার্চ মাসের শেষ দিকে টানা বৃষ্টিতে বাঁধটি নড়বড়ে হয়ে যায়। স্থানীয় কৃষকরা বারবার প্রশাসন ও পাউবোকে বিষয়টি অবগত করলেও তারা গুরুত্ব দেননি।”
স্থানীয়রা বলেন, সকালে পানির চাপে বাঁধটি ভেঙে গেলে ‘দেখার হাওরে’ পানি ঢুকতে শুরু করে। তখন খবর পেয়ে স্থানীয় কৃষকরা ওড়া, কোদাল, বাঁশ, বস্তা নিয়ে বাঁধ রক্ষার চেষ্টায় নামেন। পরে পাউবোর লোকজনও ছুটে আসেন।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে পাউবো সুনামগঞ্জের নির্বাহী প্রকৌশলী মামুন হাওলাদার বলেন, “কৈমারা নদীর পাশের জলাশয়ের ইজারাদার মাছ ধরার পর বাঁধের কাজ ভালো করে করেনি। যার ফলে এই সমস্যা হয়েছে।
“আমরা ৩০০ বস্তা, বাঁশ দিয়েছি। কৃষকরা এখন বাঁধ রক্ষার কাজ করছেন। পানি নিয়ন্ত্রণে এসে গেছে। আশা করি, বড়ো সমস্যা হবে না।”
বাংলা স্কুপ/প্রতিনিধি/এইচএইচ/এসকে